তোর ডুকরে ডুকরে কান্না আমাদের পাঁজরে হাতুড়ি মারছে তোর নগ্নতা দেখে কাঁদে রামমোহন কাঁদে বিদ্যাসাগর আর কাঁদে হতভাগা ভারতবাসী যারা ধর্ম নয় শুধু মানবতায় বিশ্বাসী।
কবিতা
একটুকরো কাপড়
জবা
🗾🗾🗾🗾🗾🗾🗾
একটুকরো কাপড়
নবীন পার্থ
আমার ভারতবর্ষের মানচিত্রে
একটুকরো কাপড় দাও
অমানবিক নির্লজ্জতায়
কুঁকড়ে আছে সে আজ!
যে দানবীয় হিংস্রতা
পশুদেরও হার মানায়
সেই ধর্মের ধ্বজাধারীরা
আজ রাস্ট্রের ক্ষমতায় আসীন-
এই সীমাহীন বর্বরতা
শুধু এক শরীর লজ্জা দিতে পারে!
পুড়িয়ে মারতে পারে অবলীলায়।
তুমি দলিত তাই তোমাকে ওরা
গাছের ডালে ব়েঁধে পিটিয়ে মারে
জেল ফেরত ধর্ষকদের
ওরা ফুল মালা দিয়ে বরন করে।
এটা আমার ভারতবর্ষ ?
এটা আপনার ভারতবর্ষ ?
মনিপুরী বোনরা আমার
পারলে ক্ষমা করিস
তোদের যারা বিবস্ত্র করে
শরীরটাকে ভোগ করেছে
আসলে তারা আজ উলঙ্গ করেছে গোটা ভারতের মানচিত্রকে!
তোর ডুকরে ডুকরে কান্না
আমাদের পাঁজরে হাতুড়ি মারছে
তোর নগ্নতা দেখে
কাঁদে রামমোহন কাঁদে বিদ্যাসাগর
আর কাঁদে হতভাগা ভারতবাসী
যারা ধর্ম নয় শুধু মানবতায় বিশ্বাসী।
🏞🏞🏞🏞🏞🏞🏞
জবা
শা ম্ব
বলব তো ভিক্ষা-বাক্য,বলব সামান্যই,
শালপাতা মুড়ে রাখছি দেহ।
নগ্ন দেহ। আর? আর, বলব শিশুদের,
এগিয়ে দিচ্ছি ব্ল্যাকবোর্ড,
সরল কন্যাকে।
এসেছ হে ; প্রতিমূর্তি, হাসো...
এসেছ হে ; কালীপূজা, রঙ্গ-রত্ন-রস
দেখি অঙ্গ, দেখি অঙ্গ, হাসো
পাশে পাশে ছোটনদী, যোনির গহ্বর!
বলব প্রবাদ বাক্য, বলব সন্যাস-সকাল,
পুরনো গ্রন্থ ঝেড়ে শালীন করব,
অনাদায়ে!
শালপাতা মুড়ে রাখব, খবর পড়ব,
খবরে এগিয়ে দেব সবার কন্যাকে!
যতোটা বলে ফিরিয়ে নিচ্ছি
খড়ের পোশাক,
ফিরিয়ে নিচ্ছি ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক।
ফিরিয়ে নিচ্ছি কথা দেওয়া হাত খানি।
ফিরিয়ে নিচ্ছি সম্প্রদায়, বুভুক্ষু
শ্রম-স্বপ্ন-কর্ম-অশ্ব-শব।
মণিপুর বলব বলে লিখছি,
ঠিক যতোটা বললে গুজরাট বলা যায়
যতোটা বললে পাখিদের মতো মেয়ের ডাকে,
ডাকে অথবা চিৎকার করে,
ডাকলে জবা ফোটে।ডাকাতের কানে গোঁজা জবা।
জবা দেখে ভারত'কে চেনা যায়?
We hate spam as much as you do