উত্তর ২৪পরগনা জেলার নিউ ব্যারাকপুর বিলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত একটি গেঞ্জির কারখানায় লেগেছে ভয়াবহ আগুন। গেঞ্জি কারখানা থেকে অতি দ্রুত ওই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের একটি ওষুধের গুদামে
নিউ বারাকপুরের গেঞ্জি কারখানায় অগ্নিকাণ্ড
নিউ ব্যারাকপুরের গেঞ্জি কারখানায় বেশ বড় পরিসরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা , ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন
উত্তর ২৪পরগনা জেলার নিউ ব্যারাকপুর বিলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত একটি গেঞ্জির কারখানায় লেগেছে ভয়াবহ আগুন। গেঞ্জি কারখানা থেকে অতি দ্রুত ওই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের একটি ওষুধের গুদামে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ বিস্তীর্ণ এলাকায়। ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই দমকল বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ২.৪৫ নাগাদ ওই গেঞ্জির কারখানায় আগুন লেগেছে বলে খবর। তারপর খুব দ্রুত ওষুধের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।
রাত থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা সেখান থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অত রাতে আগুন লেগেছে ফলে বিষয়টি প্রথমে ঠাওর করতে পারেননি এলাকার বাসিন্দারা। পরে যখন এই ধোঁয়া দৃষ্টিগোচরে আসে তখন তৎক্ষণাৎ দমকলে খবর দেওয়া হয়। এখনো পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। তবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। দমকল কর্মীরা বলছেন, গেঞ্জি কারখানায় বেশ কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। পাশাপাশি ওষুধের গুদামে রাখা ছিল প্রচুর পরিমাণ স্যানিটাইজার। কারখানায় প্রচুর পেট্রোল মজুত ছিল বলেও খবর। ফলে আগুন বিধ্বংসী চেহারা নিয়েছে।
দমকল সূত্রে খবর, এখনো ওই বহুতলে অন্তত চারজন আটকে রয়েছেন। এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর আসেনি বলেই জানা যাচ্ছে। তবে গেঞ্জি কারখানা এবং ওষুধের দোকানে দাহ্য পদার্থ মজুদ থাকার কারণে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছানোর আগেই আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে দোকান-কারখানার বেশিরভাগ অংশ।
দমকল জানাচ্ছে, এলাকাটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি হওয়ার কারণে দমকলের আগুন নেভানোর জন্য বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ভিতরে যারা আটকে রয়েছেন তাদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আগুনটা ঠিক কেন লেগেছে সেটা জানার জন্য দমকল কর্মীরা কারখানার ভিতরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ চালাবেন। ঘটনা স্থলে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি নিজে সম্পূর্ণ বিষয়টির উপর নজরদারি চালাচ্ছেন এবং আগুন নেভানোর কাজের তদারকি করছেন। রয়েছেন বারাকপুর পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। কারখানার ভিতরে চার শ্রমিকের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
We hate spam as much as you do