দমদম বিধানসভা কেন্দ্রে সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থী পলাশ দাসের প্রচার তুঙ্গে । ৩৬৫ দিন ২৪ঘন্টা পলাশ এখানেই থাকেন
দমদমে এবার পলাশ নিশ্চিত , বিরুদ্ধে ব্রাত্য বসু
দমদম বিধানসভা কেন্দ্রে সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থী পলাশ দাসের প্রচার তুঙ্গে । ৩৬৫ দিন ২৪ঘন্টা পলাশ এখানেই থাকেন। বাম রাজনীতির এগিয়ে থাকা নেতৃত্বের মধ্যে একজন । দমদম কেন্দ্রে পলাশের নতুন করে পরিচিতির দরকার ছিল না।
অনিকেত আইটি সেক্টরের ব্যস্ত কর্মী । সকাল সন্ধ্যা তার ভোট নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। অল্প বিস্তর রাজনীতির খবর রাখে। ও সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী পলাশ দাসকে দেখেছে স্যোসাল মিডিয়ায় । কোনো মিটিং শোনার সময় না থাকলেও যন্ত্রণা ঘেরা এই সময়ে আপাদমস্তক আধুনিক মননের পলাশ দাসকে দমদমের যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করে।
মনু দমদম বাজারে সবজি বিক্রেতা। শাসকের তোলাবাজিতে তার মত সবজি বিক্রেতারা অস্থির হয়ে উঠেছে। কিন্তু মনুর মতে বলব কাকে ? এমএলএ মন্ত্রীবাবুর কথা স্থানীয় শাসকদলের কেউ শোনে না। ব্রাত্যবাবু ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়েই ব্যস্ত । বিভিন্ন ভোটের সময় শুধু বক্তৃতা করেন।
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সমস্যা আছে।
এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী বিমলশংকর নন্দ আগে তৃণমূলের হয়ে টিভিতে বলতেন । তারপর তার কলেজে শাসকদলের লোকেদের হাতে তার হেনস্থার খবর পাওয়া যায় । পরে তিনি বিজেপির হয়ে বলতে থাকলেও সরাসরি ছিলেন না । নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি তাকে প্রার্থী করেছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে গতবছর করোনা সময়ে কাজ হারানো মানুষের পাশে বামপন্থীদের দাঁড়ানোর কথা। হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের দুর্দশায় সোচ্চার হয়ে ওঠা।
তৃণমূল প্রার্থী এ বিষয়ে খুব বেশি যুক্ত হননি। অন্য বিজেপি প্রার্থীকে এই জনসেবার মানদন্ড দিয়ে কেউই বিচার করছে না। কারন তিনি ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে বিজেপিতে যুক্ত হয়েছেন।
পলাশ দাশ ছিলেন কমিউনিটি কিচেন থেকে শ্রমজীবী ক্যান্টিন । দিনের পর দিন। তাই এখন মানুষ যথেষ্ট সাড়া দিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারনা।
এলাকার পৌরসমস্যা থেকে বড়জোলা খালের সংস্কার থেকে যানজট এক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ।
এবারের পরিস্থিতি অন্যরকম । পলাশ আত্মবিশ্বাসী । ব্রাত্য বসুও প্রচার করছেন। প্রচুর রোড শো করছেন।
এই কেন্দ্রে ২০১১ এর আগে বারবার বামপন্থীদের জয় হয়েছিল। তাই পলাশের জয় সম্পর্কে অনেকেই আশাবাদী ।
We hate spam as much as you do