এলাকার সুত্রে খবর লকডাউনের সময় যখন বারাসাতের বিধায়ক কে দেখা যায়নি সেই সময় প্রতিটা দিন রাস্তায় থেকেছেন, মানুষের পাশে থেকেছেন সঞ্জীব।
বারাসাতে পাড়ার সঞ্জীব বনাম অভিনেতা চিরঞ্জিতবাবু
বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্র খবরের সামনের সারি। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কেন্দ্র । জেলার সদর শহরের হৃদয়স্থলে ২৪ ঘন্টা যাকে পাওয়া যায় তিনি সংযুক্ত মোর্চার ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় । বারাসাতের ঘরের ছেলে। বারাসাত পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। সবসময় মানুষের সাথে জনসংযোগ রেখে চলেন। পরপর ৩ বার জিতেছেন উনি ১৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে।। করোনা, লকডাউনের সময় রাস্তায় থেকেছেন প্রতিনিয়ত। পৌরপিতা হিসেবে নিজের উদ্যোগে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমজীবী ক্যান্টিন করেছেন। ঝড় জল বৃষ্টিতে ফরওয়ার্ড ব্লক দলের জেলার এই নেতা আছেন। এছাড়াও আমফানের সময় ওনার সংগঠনের নেতৃত্বে নিয়ে প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌছেছে। এলাকার সুত্রে খবর লকডাউনের সময় যখন বারাসাতের বিধায়ক কে দেখা যায়নি সেই সময় প্রতিটা দিন রাস্তায় থেকেছেন, মানুষের পাশে থেকেছেন সঞ্জীব।
বিধায়ক হিসাবে গতবছর নির্বাচিত হয়েছিলেন তৃণমূলের বাংলার নামজাদা চিত্রাভিনেতা চিরঞ্জিত । মানে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী । প্রত্যেক ব্যস্ত অভিনেতা অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে যা অভিযোগ দেবশ্রী রায় ,মুনমুন সেন, মিমি থেকে নুসরৎ , শতাব্দী, দেব লকেট থেকে রূপা গাঙ্গুলী যে তারা নির্বাচিত হবার পর এলাকায় কোনো যোগাযোগ রাখতে পারেন না। গরীব মধ্যবিত্ত মানুষ জীবন যন্ত্রণায় কাছে পান না। গত দশ বছরের বিধায়ক চিরঞ্জিতবাবুর ক্ষেত্রে একই অভিযোগ । করোনা, লকডাউন তো দূরের কথা এই ১০ বছরে ভোটের প্রচারের সময় ছাড়া বারাসাত বাসী বারাসাতের বিধায়ককে চোখেই দেখেননি। চিরঞ্জিত কিন্তু বহু সময় তৃণমূলের সাংগঠনিক তীব্র গোষ্ঠীকোন্দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন তিনি কাজ করতে পারেননি।
বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর চ্যাটার্জি এলাকায় তেমন কোনও গ্রহণযোগ্যাতা নেই বলেই স্থানীয় সুত্রে খবর। এমনকি বিজেপি কর্মীদের একাংশের মধ্যেও ওনার গ্রহণযোগ্যতা একেবারে তলানীতে। করোনা লকডাউনের সময় এনাকে দেখতে পাননি এলাকার মানুষ। বারাসাতের চা এর দোকানগুলোতে সাধারণ মানুষ আলোচনা করছেন যে হঠাৎ করে এসে প্রার্থী হয়েছেন শঙ্কর বাবু।
বারাসতে সঞ্জীব এদের থেকে অনেক এগিয়ে আছেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের খবর। এবার সংযুক্ত মোর্চায় আইএসএফ যুক্ত হওয়ার কারনে তৃণমূল প্রার্থীর অস্বস্তি বাড়তে পারে। বারাসাতের বিরাট গ্রামাঞ্চলে আইএসএফ এর কারনে দরিদ্রতম মানুষকে প্রভাবিত করেছে।
এছাড়া এই সময়ের রাজ্যের পরিস্থিতি, কেন্দ্রের বিভিন্ন নীতির ফলে উদ্ভুত সমস্যা মানুষকে সংযুক্ত মোর্চামুখি করে তুলবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারনা। বারাসাতের অনেক সমস্যা । সমাধানের রাস্তা খুঁজবেন মানুষ ।
সুত্র- বিশাল দাস
We hate spam as much as you do