Tranding

06:50 AM - 04 Feb 2026

Home / Article / ডিজিটাল সন্ত্রাস, বিপন্ন মানবতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ: এক ঐতিহাসিক শ্বেতপত্র (- দ্বিতীয় পর্ব)

ডিজিটাল সন্ত্রাস, বিপন্ন মানবতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ: এক ঐতিহাসিক শ্বেতপত্র (- দ্বিতীয় পর্ব)

এখানেই ফরেনসিক বিজ্ঞানের 'হ্যাশ ভ্যালু' (Hash Value)-র ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একে ডিজিটাল জগতের 'আঙুলের ছাপ' বা ডিএনএ বলা যেতে পারে। যখন কোনো ডিভাইস বা ফাইলের ইমেজ কপি করা হয়, তখন গাণিতিক অ্যালগরিদম ব্যবহার করে একটি অনন্য কোড তৈরি করা হয়। তদন্ত চলাকালীন বা আদালতে পেশ করার সময় যদি সেই কোডের একটি অক্ষরও পরিবর্তন হয়, তবে প্রমাণিত হয় যে প্রমাণটি বিকৃত করা হয়েছে। একজন সচেতন নাগরিক বা তার নিযুক্ত বেসরকারি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ প্রথমেই এই হ্যাশ ভ্যালু নিশ্চিত করে প্রমাণ সংরক্ষণ করেন।

ডিজিটাল সন্ত্রাস, বিপন্ন মানবতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ: এক ঐতিহাসিক শ্বেতপত্র (- দ্বিতীয় পর্ব)

ডিজিটাল সন্ত্রাস, বিপন্ন মানবতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ: এক ঐতিহাসিক শ্বেতপত্র (- দ্বিতীয় পর্ব)

২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গৌতম হালদার।

(প্রমাণের বিজ্ঞান ও তদন্তের অন্দরমহল:- ফরেনসিক ও প্রাইভেট ইনভেস্টিগেশন আইনের শাসন কেবল আবেগের ওপর ভিত্তি করে চলে না; তা চলে অকাট্য,নির্মম এবং সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে। সাইবার অপরাধের কুরুক্ষেত্রে যেখানে অপরাধী অদৃশ্য,সেখানে একমাত্র সত্যের সাক্ষী হলো 'ডিজিটাল ফরেনসিক'।একজন সাধারণ মানুষ যখন সাইবার অপরাধের শিকার হয়ে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়ান, তখন বিচারক কোনো কান্না বা আর্তনাদ শুনতে চান না; তিনি দেখতে চান প্রযুক্তির ভাষায় কথা বলা তথ্য-উপাত্ত। এখানেই অধিকাংশ মামলা দুর্বল হয়ে পড়ে, কারণ ভুক্তভোগীরা জানেন না কীভাবে প্রমাণের শ্বাস-প্রশ্বাস রক্ষা করতে হয়।
ফরেনসিকের অকাট্য যুক্তি ও হ্যাশ ভ্যালু:-
ডিজিটাল প্রমাণের সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য এবং দুর্বলতা হলো তার 'ভোলাটাইল' বা পরিবর্তনশীল প্রকৃতি।একটি ফেসবুক পোস্ট বা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট মুহূর্তের মধ্যে এডিট বা ডিলিট করা যায়। তাই তদন্তের প্রথম ধাপই হলো প্রমাণের 'ইনটিগ্রিটি' বা অখণ্ডতা রক্ষা করা।
এখানেই ফরেনসিক বিজ্ঞানের 'হ্যাশ ভ্যালু' (Hash Value)-র ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একে ডিজিটাল জগতের 'আঙুলের ছাপ' বা ডিএনএ বলা যেতে পারে। যখন কোনো ডিভাইস বা ফাইলের ইমেজ কপি করা হয়, তখন গাণিতিক অ্যালগরিদম ব্যবহার করে একটি অনন্য কোড তৈরি করা হয়। তদন্ত চলাকালীন বা আদালতে পেশ করার সময় যদি সেই কোডের একটি অক্ষরও পরিবর্তন হয়, তবে প্রমাণিত হয় যে প্রমাণটি বিকৃত করা হয়েছে। একজন সচেতন নাগরিক বা তার নিযুক্ত বেসরকারি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ প্রথমেই এই হ্যাশ ভ্যালু নিশ্চিত করে প্রমাণ সংরক্ষণ করেন।
ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম (BSA) ও সার্টিফিকেশন:
ভারতের নতুন বিচার ব্যবস্থায়, বিশেষ করে ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম বা বিএসএ (BSA), ২০২৩-এর ৬৩ ধারা (যা পুরনো সাক্ষ্য আইনের ৬৫বি ধারার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে)-এর প্রবর্তন এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
এখন আইনের স্পষ্ট নির্দেশ হলো—যেকোনো ইলেকট্রনিক রেকর্ড আদালতে পেশ করার সময় একটি বৈধ প্রমাণপত্র বা সার্টিফিকেটের প্রয়োজন। একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে এই আইনি ও প্রযুক্তিগত সার্টিফিকেটের ভাষা জানা সম্ভব নয়। এখানেই অভিজ্ঞ সাইবার বিশেষজ্ঞ বা প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটরদের ভূমিকা অপরিহার্য। তারা ভুক্তভোগীকে এমনভাবে প্রমাণ সাজিয়ে দেন, যাতে আদালতে তা এক অকাট্য দলিল হিসেবে গৃহীত হয়। এছাড়া, মেটাডেটা বিশ্লেষণ করে অপরাধীর লোকেশন বের করা, ইমেল হেডার বিশ্লেষণ করে আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে বের করা—এই প্রতিটি ধাপ প্রমাণ করে যে অপরাধটি কাকতালীয় নয়,বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত 'মেনস রিয়া' বা অপরাধমূলক মানসিকতার ফসল।

বেসরকারি তদন্তের কৌশলগত ভূমিকা:-
সরকারি তদন্ত ব্যবস্থায় পুলিশকে প্রতিটি তথ্যের জন্য নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে চলতে হয়, যার ফলে অনেক সময় নষ্ট হয়। এই দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে একজন ভুক্তভোগী যদি নিজস্ব উদ্যোগে বা বেসরকারি সংস্থার সহায়তায় তৈরি করা একটি 'প্রাইভেট ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট' বা 'ডসিয়ার' পুলিশের হাতে তুলে দেন, তবে তা তদন্তের গতিকে নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে। এই রিপোর্টে সন্দেহভাজন আইপি অ্যাড্রেস, ডোমেইন মালিকানার তথ্য, এবং সোশ্যাল মিডিয়া ফুটপ্রিন্ট আগে থেকেই বিশ্লেষণ করা থাকে। পুলিশ এই রিপোর্টকে 'সোর্স ইনফরমেশন' হিসেবে ব্যবহার করে এবং আদালতের কাছে দ্রুত সার্চ ওয়ারেন্ট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গসহ সারা ভারতে এখন এই 'পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ' মডেলটি সাইবার অপরাধ দমনে অত্যন্ত কার্যকর হয়ে উঠছে।

আর্থিক সন্ত্রাসের নতুন রূপ:- ডিজিটাল অ্যারেস্ট ও জালিয়াতির মনস্তত্ত্ব।
সাইবার অপরাধীরা কেবল কুৎসা রটনায় সীমাবদ্ধ নেই; তারা মানুষের সারা জীবনের সঞ্চিত অর্থ হরণ করার জন্য নিত্যনতুন ফাঁদ পাতছে। এর মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ দুটি রূপ হলো—'ডিজিটাল অ্যারেস্ট' এবং 'পিগ বুচারিং স্ক্যাম'।
ডিজিটাল অ্যারেস্টের আতঙ্ক, এটি একটি অত্যন্ত উচ্চমার্গীয় মনস্তাত্ত্বিক প্রতারণা।
অপরাধীরা ভিডিও কল করে নিজেদের সিবিআই, ইডি, নারকোটিক্স বা পুলিশ আধিকারিক হিসেবে পরিচয় দেয়। তারা দাবি করে যে, আপনার আধার কার্ড ব্যবহার করে কোনো অবৈধ পার্সেল পাঠানো হয়েছে বা আপনার নামে মানি লন্ডারিং-এর কেস হয়েছে। তারা ভিডিও কলে পুলিশের ইউনিফর্ম পরে থাকে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে থানার আবহ তৈরি করে।এরপর তারা বলে, "আপনাকে ডিজিটালি অ্যারেস্ট করা হলো" এবং তদন্তের স্বার্থে আপনার সমস্ত টাকা তাদের 'সিক্রেট ভেরিফিকেশন অ্যাকাউন্টে' ট্রান্সফার করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের অনেক প্রবীণ নাগরিক এই ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। মনে রাখতে হবে, ভারতীয় আইনে 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট' বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। পুলিশ কখনোই ভিডিও কলে জেরা করে না বা টাকা চায় না।

সুরক্ষার বর্ম ও গোল্ডেন আওয়ার:-
আর্থিক জালিয়াতি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো 'জিরো ট্রাস্ট' নীতি। অচেনা লিঙ্কে ক্লিক না করা, স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ (যেমন AnyDesk) ডাউনলোড না করা এবং ভিডিও কলে ব্ল্যাকমেইলিং-এর শিকার হলে ভয় না পাওয়া। যদি দুর্ভাগ্যবশত টাকা চুরি যায়,তবে 'গোল্ডেন আওয়ার' বা প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে ১৯৩০ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানালে টাকা 'ফ্রিজ' করা বা আটকে দেওয়া সম্ভব। এটি প্রতিটি নাগরিকের জানা আবশ্যিক।

মিডিয়া ট্রায়াল বনাম সত্যের অনুসন্ধান ও আন্তর্জাতিক আইন :-সাইবার অপরাধের আইনি লড়াইয়ের সমান্তরালে সমাজে 'মিডিয়া ট্রায়াল' নামে আরও একটি আদালত বসে। কোনো প্রমাণ ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ায় কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা ভারতীয় সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। বিশেষ করে যৌন হেনস্থা বা সাইবার বুলিং-এর ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর পরিচয় প্রকাশ্যে আনা বিএনএস-এর ৭২ ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।গণমাধ্যমকে হতে হবে আয়নার মতো স্বচ্ছ, বিচারকের হাতুড়ি তাদের হাতে মানায় না।
অন্যদিকে,অপরাধী যদি দেশের বাইরে থাকে, তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ভারতীয় তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৫ ধারা অনুযায়ী, ভারতের বাইরে থেকে ভারতের ক্ষতি করলে ভারতীয় আদালতের বিচার করার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। 'মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি' (MLAT) এবং ইন্টারপোল-এর মাধ্যমে বিদেশ থেকেও অপরাধীকে চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। গুগল বা মেটার মতো সংস্থাগুলো এখন ভারতীয় আইন মেনে 'গ্রিভান্স অফিসার' নিয়োগ করতে বাধ্য, যারা ভারতীয় পুলিশের সাথে ২৪ ঘণ্টা সহযোগিতা করে।

ভুক্তভোগীর পুনর্বাসন ও বিস্মৃতির অধিকার:-
(Right to be Forgotten)

মানসিক ট্রমা থেকে মুক্তি পাওয়ার এবং ভুক্তভোগীকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার একটি বড় উপায় হলো অতীতকে মুছে ফেলা। ডিজিটাল জগত মনে রাখে বেশি, ভোলে কম। কিন্তু ভারতীয় আদালত 'গোপনীয়তার অধিকার'-এর আওতায় 'রাইট টু বি ফরগটেন' বা 'বিস্মৃত হওয়ার অধিকার'-কে স্বীকৃতি দিচ্ছে। এর মাধ্যমে একজন নাগরিক গুগল বা সার্চ ইঞ্জিনকে অনুরোধ করতে পারেন তার নাম বা ছবি সার্চ রেজাল্ট থেকে চিরতরে সরিয়ে ফেলার জন্য।এছাড়া, বিএনএসএস-এর ৩৯৮ ধারা অনুযায়ী, আদালত চাইলে অপরাধীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে তা সরাসরি ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে। রাষ্ট্র এবং সমাজকে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়িয়ে বোঝাতে হবে—অপরাধী সে নয়, অপরাধী হলো সেই ব্যক্তি যে পর্দার আড়ালে লুকিয়ে হামলা করেছে।
শুধুমাত্র নিজে জানা নয় সঙ্গে অপরকেও নিরপাদে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হোক ।

আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত :-
যাহাই চকচক করে তাহা সোনা নয় পরিক্ষা ছাড়া বিশ্বাস নয়।
পরিশেষে, এই সুদীর্ঘ এই লেখার ইতি টেনে আমরা একটি ধ্রুব সত্যে উপনীত হতে পারি—সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে এই লড়াইটি ত্রিমুখী।
আইনি,প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩ এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের কঠোর ধারাগুলো আমাদের হাতে যে আইনি তরবারি তুলে দিয়েছে, তা অত্যন্ত শক্তিশালী।
পুলিশের আধুনিক সাইবার সেল,ফরেনসিক বিজ্ঞান এবং ১৯৩০ হেল্পলাইন নম্বর এই সুরক্ষা বলয়কে আরও মজবুত করেছে।
কিন্তু কেবল আইন বা পুলিশ দিয়ে এই যুদ্ধ জয় করা সম্ভব নয়। ।
প্রয়োজন একটি গণ-জাগরণ,একটি বড় ডিজিটাল বিপ্লব।
এই বিপ্লব কোনো রাস্তায় নামা মিছিল নয়,এই বিপ্লব হলো বিবেকের।
আমাদের আজ শপথ নিতে হবে যে আমরা আর ভুক্তভোগী হয়ে কাঁদব না,আমরা প্রতিবাদী হয়ে গর্জে উঠব।
যদি কোনো প্রতিবেশী,বন্ধু বা অপরিচিত মানুষ সাইবার বুলিং-এর শিকার হয়,আমরা তার পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়াব। আমরা তাকে বোঝাব যে দোষ তার নয়,দোষ সেই বিকৃত মানসিকতার।আমরা তাকে হাত ধরে থানায় নিয়ে যাব, বেসরকারি তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ সংগ্রহ করব এবং শেষ পর্যন্ত লড়ব।
সরকার এবং প্রশাসনের প্রতি আমাদের আহ্বান—সাইবার নিরাপত্তাকে কেবল একটি বিভাগ হিসেবে না দেখে,একে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখা হোক।
স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে প্রতিটি পাড়ায় 'সাইবার স্বাক্ষরতা' অভিযান বাধ্যতামূলক করা হোক।
গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল হতে বাধ্য করা হোক।
বাংলা তথা ভারতের প্রতিটি নাগরিক,প্রতিটি ছাত্র,প্রতিটি গৃহবধূ এবং প্রতিটি পেশাজীবীকে আজ সাইবার-যোদ্ধা হতে হবে।
আমাদের এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই পারে অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে।
তারা জানবে, ডিজিটাল জগত আর তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল নয়।আমরা এমন এক সমাজ গড়ে তুলব যেখানে প্রযুক্তি হবে আশীর্বাদ,অভিশাপ নয়।
যেখানে নারী নির্ভয়ে তার মত প্রকাশ করবে,যেখানে সত্যের জয় হবে এবং মিথ্যার বিনাশ হবে।
এই লেখাটি কেবল শব্দের সমষ্টি নয়, এটি আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা রক্ষার দলিল।
ভয়ঙ্কর বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরাই গড়ব এক সুন্দর, নিরাপদ এবং মানবিক পৃথিবী।

সাধারণ মানুষের কথা:-
এগুলো সঙ্গে সঙ্গেই যুক্ত কিন্তু হাতের মুঠোয় থাকা ফোন কে সুনির্দিষ্ট ভাবে আপনার সময় অনুযায়ী আঙ্গুলের স্পর্শে টেকনোলজি কে তার নিজের নিময়ে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কয়েকটি বিশেষ বিশেষ কাজের মধ্যে দিয়ে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
ব্যবহার করার সময় অবশ্যই সজাগ থাকুন। যন্ত্র আপডেট যেমনটা আমরা করে থাকি চাহিদা ও ব্যবহারের সফলতা বজায় রাখতে, আমাদেরও উচিত টেকনোলজির মতোই একটু চেষ্টা করে যেগুলো জানা ছিল না এই বিষয়ে সেটাও নিজের জন্যই জেনে অভ্যাস গড়ে তোলা।

 

Your Opinion

We hate spam as much as you do