Tranding

08:44 AM - 04 Feb 2026

Home / North 24 Parganas / রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনা নিউটাউনে, পাঁচদিন ছেলে-‌মেয়ের মৃতদেহ আগলে মা !‌

রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনা নিউটাউনে, পাঁচদিন ছেলে-‌মেয়ের মৃতদেহ আগলে মা !‌

দিন দুয়েক আগে তার ঘরে গিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। কিন্তু ঘরের দরজা ভিতর থেকে আটকানো থাকায় দরজা খোলা সম্ভব হয়নি। আজ সকালেই ওই বৃদ্ধা নিজেই সাত তলায় গিয়ে প্রতিবেশীদের সাহায্যের জন্য বলেন। এরপর তার ঘর থেকে পচা-গলা দুর্গন্ধ পান প্রতিবেশীরা। ঘরে ঢুকে তারা দেখতে পান খাটের ওপর পড়ে রয়েছে ছেলে এবং মেয়ের নিথর দেহ। এর পরে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে।

রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনা নিউটাউনে, পাঁচদিন ছেলে-‌মেয়ের মৃতদেহ আগলে মা !‌

রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনা নিউটাউনে, পাঁচদিন ছেলে-‌মেয়ের মৃতদেহ আগলে মা !‌

 

উত্তর ২৪ পরগনা -সিডি ব্লকের ২৫ নম্বর বাড়ির ন’‌তলা থেকে উদ্ধার মৃতদেহ। ২০১৯ সাল থেকে ভাড়া থাকতেন মা ও দুই ছেলে-মেয়ে। মঙ্গলবার সকালে সাততলায় গিয়ে প্রতিবেশীকে সাহায্যের জন্য বলেন ওই মহিলা। তারপরেই প্রতিবেশীরা এসে দেখেন ঘর থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছে। তারপরেই পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের অনুমান, প্রায় চার থেকে পাঁচ দিন আগেই দু’‌জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে কী কারণে দু’‌জনেরই একসঙ্গে মৃত্যু হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


এর আগে এই রকম সাত বছর আগে রবিনসন স্ট্রিটে বোনের দেহ আগলে ছিলেন পার্থ দে। এরপর একের পর এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়। এর আগে চলতি বছরেই কল্যাণীতে মায়ের মৃতদেহ ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছিল ছেলের বিরুদ্ধে। আর তারপরই ফের এবার নিউটাউনে এই ধরনের ঘটনা প্রকাশ্যে এল। ওই মহিলা মানসিকভাবে অসুস্থ বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে তাঁর চিকিৎসা করা হবে। 

 

 দিন দুয়েক আগে তার ঘরে গিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। কিন্তু ঘরের দরজা ভিতর থেকে আটকানো থাকায় দরজা খোলা সম্ভব হয়নি। আজ সকালেই ওই বৃদ্ধা নিজেই সাত তলায় গিয়ে প্রতিবেশীদের সাহায্যের জন্য বলেন। এরপর তার ঘর থেকে পচা-গলা দুর্গন্ধ পান প্রতিবেশীরা। ঘরে ঢুকে তারা দেখতে পান খাটের ওপর পড়ে রয়েছে ছেলে এবং মেয়ের নিথর দেহ। এর পরে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে।

পাঁচ দিন ধরে মৃতদেহ আগলে রাখেন মা। প্রাথমিকভাবে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। যদিও বৃদ্ধার দাবি, ‘আমি অসুস্থ নয়, ছেলে মেয়ের জন্য ভেঙে পড়েছিলাম।’ তাহলে এতদিন কেটে যাওয়ার পরেও কেন এই ঘটনা কাউকে জানানো হয়নি? পুলিশের এই প্রশ্নের উত্তরে বৃদ্ধা জানান, ‘আমি জানানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু, ফোন নম্বর জোগাড় করতে পারিনি।’ তার দাবি, লালবাজারের মেজো কর্তা অগ্নিশ্বর দত্তকে জিজ্ঞেস করবেন সব জানতে পারবেন।’ এখন দু'জনের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে তা জানতে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পাঠানো হয়েছে।
 

Your Opinion

We hate spam as much as you do