দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মৃন্ময় দাস বলেন, পুজোকে কেন্দ্র করে একটা বন্ধু-বান্ধব ইয়ার্কি মেরেছে। ইয়ার্কি মারতে গিয়ে এই ঘটনাটা ঘটেছে। গায়ে পেট্রোল ঢেলে, পুড়িয়ে মারার চেষ্টার মতো মারাত্মক অভিযোগ!আগুনে পোড়ার যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে, হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন দগ্ধ ব্যক্তি। আর তারপরও তৃণমূল কাউন্সিলর কিনা বলছেন, এটা হয়েছে রসিকতার ছলে। আহতর ছেলে সঞ্জীব কর্মকার বলেন, রসিকতা নয়, মারার চেষ্টা। একজন গায়ে পেট্রোলটা দিয়ে দিয়েছে পেছন দিয়ে। আরেক জন বিড়ি ধরাচ্ছিল, ফট করে দেশলাইটা জ্বালিয়ে দিয়েছে।
দমদমে যুবককে পুড়িয়ে 'মারার চেষ্টা' TMC কাউন্সিলর অনুগামীদের, রসিকতা
23 Oct 2025,
দক্ষিণ দমদমে মারাত্মক ঘটনা। এলাকায় এক যুবককে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল শাসক দলের কাউন্সিলরের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই যুবক এখন আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর শরীরের প্রায় ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিকে কাউন্সিলরের অভিযোগ এসব রসিকতা ছিল। ফলে বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দমদম পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বেদিয়াপাড়া তারকনাথ কলোনিতে। এই ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করে সিপিআইএম। এলাকায় গুন্ডারাজের অবসানের জন্য সোচ্চার হয়েছে তাঁরা। শুক্রবার এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলও সংগঠিত করা হয়। এদিনের মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক পলাশ দাস, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য দেবশঙ্কর রায়চৌধুরী, সিপিআই(এম) রাজ্য কমিটির সদস্য ময়ূখ বিশ্বাস, সিপিআই(এম) নেতা কলতান দাসগুপ্ত সহ নেতৃবৃন্দ।
বুধবার রাতে কালীপ্রতিমা নিরঞ্জনের পর এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত কর্মকার নামে এক যুবক। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় কাউন্সিলরের অনুগামী সুমন ব্যানার্জি, সুশান্ত দাস সহ কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। এরপর বাইকের ট্যাঙ্ক থেকে পেট্রোল বার করে রঞ্জিতের গায়ে ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। আহত অবস্থায় রঞ্জিতকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে নাগেরবাজার থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠ সুশান্ত দাসের দাপট চলছে। তাঁর নামে নানা অভিযোগ থাকলেও কেউ মুখ খোলেন না। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক আশ্রয়ের কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। রঞ্জিতের শাশুড়ি মনা দাস জানিয়েছেন, তাঁর জামাইয়ের কারও সঙ্গে কোনও ঝামেলা ছিল না। “ও খুব শান্ত স্বভাবের ছেলে। কেউ ওর ক্ষতি করবে ভাবতেই পারছি না,” বলেন তিনি। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের খুঁজে বের করতে তল্লাশি চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মৃন্ময় দাস বলেন, পুজোকে কেন্দ্র করে একটা বন্ধু-বান্ধব ইয়ার্কি মেরেছে। ইয়ার্কি মারতে গিয়ে এই ঘটনাটা ঘটেছে। গায়ে পেট্রোল ঢেলে, পুড়িয়ে মারার চেষ্টার মতো মারাত্মক অভিযোগ!আগুনে পোড়ার যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে, হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন দগ্ধ ব্যক্তি। আর তারপরও তৃণমূল কাউন্সিলর কিনা বলছেন, এটা হয়েছে রসিকতার ছলে। আহতর ছেলে সঞ্জীব কর্মকার বলেন, রসিকতা নয়, মারার চেষ্টা। একজন গায়ে পেট্রোলটা দিয়ে দিয়েছে পেছন দিয়ে। আরেক জন বিড়ি ধরাচ্ছিল, ফট করে দেশলাইটা জ্বালিয়ে দিয়েছে।
We hate spam as much as you do