Tranding

06:54 AM - 04 Feb 2026

Home / North 24 Parganas / বাদুড়িয়ায় ছাত্র জমায়েতের ওপর তৃণমূলের হামলা ও প্রতিরোধের খবর

বাদুড়িয়ায় ছাত্র জমায়েতের ওপর তৃণমূলের হামলা ও প্রতিরোধের খবর

পুলিশ ফের অবরোধ তুলতে এলে ফের একদফা শুরু হয় তর্কাতর্কি।এমন সময় তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা শ'য়ে শ'য়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী জড়ো করে বাদুড়িয়া থানার সামনে চলে আসে।তখনও শিরদাঁড়া সোজা রেখে এস এফ আই'র কর্মীরা রুখে দাঁড়ায়।পুলিশ সংঘর্ষের সম্ভাবনা বুঝে দু'দলে ভাগ হয়ে এসএফআই'র কর্মীদের এবং অপরদিকে তৃণমূল কর্মীদের সরিয়ে দেয়।অন্যদিকে এস এফ আই'র কর্মীরা ফের স্লোগান দিতে থাকে এবং এদিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করে।

বাদুড়িয়ায় ছাত্র জমায়েতের ওপর তৃণমূলের হামলা ও প্রতিরোধের খবর

বাদুড়িয়ায় ছাত্র জমায়েতের ওপর তৃণমূলের হামলা ও প্রতিরোধের খবর

 

newscopes.in
নিজস্ব সংবাদদাতা:বসিরহাট,৩১ জানুয়ারি-সোমবার উত্তর ২৪পরগনার বাদুড়িয়ায় এস এফ আই'র নেতা কর্মীদের উপর একযোগে দফায় দফায় হামলা চালালো তৃণমূল এবং পুলিশ।যদিও এস এফ আই'র আন্দোলনের জোশ এবং তার উত্তাপ বুঝতে পেরে শেষমেশ রণে ভঙ্গ দিতে বাধ্য হয় পুলিশ এবং তৃণমূলীরা।সকাল ১১টা থেকে বেলা১টা৩০মিনিট পর্যন্ত চলে এস এফ আই'র নির্ধারিত কর্মসূচি।

 

সোমবার এস এফ আই উত্তর ২৪পরগনা জেলার পক্ষ থেকে 'অনেক হলো, আওয়াজ তোলো,স্কুল কলেজের দরজা খোলো-এই আহ্বান জানিয়ে জেলার বাদুড়িয়া চৌমাথা, বারাসত স্টেশন, দমদম ক্যান্টনমেন্ট এবং সোদপুর কাঁচকল মোড়ে আন্দোলনের ডাক দেয়।সেই কর্মসূচি অনুযায়ী এদিন বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এস এফ আই'র কর্মীরা জড়ো হয় এবং কোভিড বিধি মেনে প্রথমে মিছিল এবং পরে রাস্তা অব‍রোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। আন্দোলন ছিল একেবারে শান্তিপূর্ণ।দাবি ছিল অবিলম্বে স্কুল কলেজ খুলতে হবে। বাদুড়িয়া চৌমাথায় বৃত্তাকারে পথ অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকে এস এফ আই কর্মীরা।পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। অভিযোগ  তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আই এন টি টি ইউ সি নেতা সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য ওরফে বনি তৃণমূল কর্মীরা  জড়ো হতে থাকে চৌমাথার আসেপাশে। পুলিশ অবরোধ তুলতে যায়। শুরু হয় বাকবিতন্ডা।এরই মধ্যে কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে রাজ্যের শিক্ষামণ্ত্রী ব্রাত্য বসুর কুশপুতুল দাহ করে স্কুল কলেজ খোলার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে ছাত্র নেতা কর্মীরা।এরই মধ্যে আচমকা বাঁশ,লাঠি নিয়ে এস এফ আই নেতা কর্মীদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।এস এফ আই কর্মীদের হাত থেকে তৃণমূলের শ্রমিক নেতা সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য  শিক্ষামন্ত্রীর জলন্ত কুশপুতুল কেড়ে নেয়। এবং তা নিভিয়ে ফেলে।তাতেও ক্ষান্ত না হয়ে রুখে যায় এস এফ আই কর্মীদের দিকে।

 

অন্যদিকে তৃণমূল এর পক্ষ থেকে এস এফ আই'র নেতা কর্মীদের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ ।বাদুড়িয়ার ক্যানভাসে ১৮৩১সালের নভেম্বরে বাদুড়িয়া প্রত্যক্ষ করেছিল একদিকে কৃষকের মুক্তি সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা তিতুমীর এবং সহযোগীরা।আর ঠিক তার বিপরীতে তখন ছিল ইংরেজ পুলিশ আর তৎকালীন জমিদার এবং তাদের লেঠেল বাহিনী।২০২২সালের একেবারে শুরুতেই মানুষের দাবি নিয়ে যখন রাজপথে এস এফ আই।ঠিক তখনই উল্টোদিকে পুলিশ আর তৃণমূলের দুষ্কৃতীবাহিনী।যদিও শাসকের চোখে চোখ রেখে এস এফ আই কর্মীরা শেষ সময় পর্যন্ত রুখে দাঁড়িয়ে স্কুল কলেজ খোলার স্লোগান দিতে থাকে।এরপর বাদুড়িয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে এস এফ আই কর্মীদের লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে গেলে  পুলিশের উদ্দেশ্যে বলে আপনাদেরও ঘরে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়ে আছে।তাদের কথা অন্তত ভাবুন।লাঠি না উঁচিয়ে আসুন। আন্দোলনে সামিল হোন।অনড় পুলিশের বাহিনী ধাক্কা দিতে দিতে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয় এস এফ আই'র কর্মীদের।পুলিশের এ হেন আচরণ দেখে ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান ছুড়ে দিয়ে এস এফ আই'র কর্মীরা স্লোগান দেয় 'পুলিশ তুমি উর্দি ছাড়ো, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরো'।দফায় দফায় তৃণমূল এবং পুলিশের যৌথ হামলায় কার্যতঃ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ।এরপর এস এফ আই'র কর্মীরা ফের মিছিল করে তৃণমূলের হামলার বিরুদ্ধে বাদুড়িয়া থানার মূল প্রবেশ দ্বারে আসে।সেখানে রাস্তায় বসে পড়ে তৃণমূল এবং পুলিশের হামলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় এস এফ আই'র রাজ্য নেতা মৈনাক মুখার্জি,আয়েশ্রী চৌধুরী, সায়ক চক্রবর্তী, রাকিব ইসলাম,সুজয় মণ্ডল,আকাশ হাসান ইকবাল প্রাক্তন ছাত্র নেতা তসলিম আরিফ,সাদ্দাম হোসেন সহ অন্যান্য ছাত্র নেতারা।শুরু হয় ফের রাস্তা অব‍রোধ।

 

 

পুলিশ ফের অবরোধ তুলতে এলে ফের একদফা শুরু হয় তর্কাতর্কি।এমন সময় তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা শ'য়ে শ'য়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী জড়ো করে বাদুড়িয়া থানার সামনে চলে আসে।তখনও শিরদাঁড়া সোজা রেখে এস এফ আই'র কর্মীরা রুখে দাঁড়ায়।পুলিশ সংঘর্ষের সম্ভাবনা বুঝে দু'দলে ভাগ হয়ে এসএফআই'র কর্মীদের এবং অপরদিকে তৃণমূল কর্মীদের সরিয়ে দেয়।অন্যদিকে এস এফ আই'র কর্মীরা ফের স্লোগান দিতে থাকে এবং এদিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করে।

Your Opinion

We hate spam as much as you do