Tranding

08:41 AM - 04 Feb 2026

Home / North 24 Parganas / জাতীয় পতাকা শীর্ষে জ্যোতি বসু গবেষণাকেন্দ্র সকলের জন‍্য উন্মুক্ত

জাতীয় পতাকা শীর্ষে জ্যোতি বসু গবেষণাকেন্দ্র সকলের জন‍্য উন্মুক্ত

সিপিআইএম নেতৃত্বের ব্যাখ্যা, দলের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করবে এই প্রতিষ্ঠান। এই কেন্দ্রকে পার্টির সংগঠনে নয়। প্রগতিশীল মতাদর্শের চর্চার কেন্দ্র। বৃহত্তর গনতান্ত্রিক পরিসর। বিপন্ন দেশের সংবিধান। ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ। মুক্ত চিন্তার পরিসর আক্রান্ত। এই সময়ে তৈরি হচ্ছে এই গবেষনাকেন্দ্র।

জাতীয় পতাকা শীর্ষে জ্যোতি বসু গবেষণাকেন্দ্র সকলের জন‍্য উন্মুক্ত

জাতীয় পতাকা শীর্ষে জ্যোতি বসু গবেষণাকেন্দ্র সকলের জন‍্য উন্মুক্ত  


 ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ 


শুক্রবার জ‍্যোতি বসুর ১৫তম প্রয়াণবার্ষিকীতে তাঁরই নামাঙ্কিত গবেষণাকেন্দ্রের উদ্বোধনে আপাতত নির্মিত ত্রিতল ভবনের ছাদে উড়ল ভারতের জাতীয় পতাকা।

 সিপিআইএম এর উদ‍্যোগ থাকলেও এই গবেষণাকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১০ সালের নভেম্বরে তৈরি হয়েছিল পৃথক ট্রাস্ট। সেই ট্রাস্টের তরফে গত বছর ১৭ জানুয়ারি বসুর প্রয়াণদিবসে নিউটাউনে জ্যোতি বসু গবেষণাকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রয়াত সীতারাম ইয়েচুরি। শুক্রবার প্রথম পর্যায়ের ভবন উদ্বোধন করলেন সিপিআইএমের কেন্দ্রীয়  কমিটির সমন্বয়ক প্রকাশ কারাট।  ভবনের মাথায় থাকছে জাতীয় পতাকা। 


সিপিআইএম নেতৃত্বের ব্যাখ্যা, দলের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করবে এই প্রতিষ্ঠান। এই কেন্দ্রকে পার্টির সংগঠনে নয়। প্রগতিশীল মতাদর্শের চর্চার কেন্দ্র। বৃহত্তর গনতান্ত্রিক পরিসর। বিপন্ন দেশের সংবিধান। ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ। মুক্ত চিন্তার পরিসর আক্রান্ত। এই সময়ে তৈরি হচ্ছে এই গবেষনাকেন্দ্র।

সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের কথায়, ‘‘জ্যোতি বসু গবেষণাকেন্দ্র যাতে দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমরা এগোতে চাই। উপমহাদেশের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মাথায় রেখেই আমরা এই ভাবনা ভেবেছি। সে কারণেই জাতীয় পতাকা।’’


উল্লেখ্য, বসুর নামাঙ্কিত গবেষণাকেন্দ্রের জন্য তৈরি হওয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তথা প্রবীণ সিপিএম নেতা বিমান বসুকে বৃহস্পতিবারই নবান্ন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতার অনুষ্ঠানে যাওয়ার বিষয়ে অপারগতার কথা। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য ছাড়া তেমন কোনও বিরোধী নেতাদের দেখা যায়নি নিউ টাউনের কর্মসূচিতে। পূর্বঘোষণা মতোই ছিলেন বাংলাদেশের নাগরিক, বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী তথা প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।


বামফ্রন্ট ক্ষমতা থেকে যাওয়ার আগেই ঠিক করেছিল, নিউ টাউনের নাম হবে ‘জ্যোতি বসু নগর’। কিন্তু সেই সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। তৃণমূল সরকার এসেও তা করেনি।  শুক্রবার গবেষণাকেন্দ্রের উদ্বোধনে হাজার তিনেকের জমায়েতে নিউ টাউনের নামকরণ বসুর নামে হবে কি না, তা নিয়ে ভোটাভুটিও হল। বিমান মঞ্চ থেকে পক্ষে থাকাদের হাত তুলতে বলেন। সকলেই সেই প্রস্তাবে হাত তোলেন। বিপক্ষে কেউ মত দেননি। 


জ্যোতি বসু গবেষণাকেন্দ্র এখনও নির্মীয়মাণ। সবে তিনতলা হয়েছে। আরও চার ধাপে গড়ে উঠবে গবেষণাকেন্দ্র। তবে আপাতত একতলাতেই রয়েছে বসুর ফাইবার-নির্মিত পূর্ণাবয়ব মূর্তি। তার পাশেই রাখা তাঁর ব্যবহার করা সেগুন কাঠের খাট। যাতে পাতা রয়েছে কেরলের কান্নুর থেকে উপহার পাওয়া একটি চাদর। সিপিএম নেতা রবীন দেব জানিয়েছেন, ওই চাদর উপহার পেয়েছিলেন বসুই। বাংলার খাটে কেরলের চাদর পাতা। মোট পাঁচ একর জমিতে গড়ে উঠবে পুরো গবেষণাকেন্দ্র। মধ্যে তৈরি করা হয়েছে একটি জলাশয়। 

Your Opinion

We hate spam as much as you do