দেগঙ্গা ব্লকের হাদিপুর ঝিকরা-১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মহম্মদ সেলিম দেওয়ান ইতিমধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন করোনা চিকিৎসায়
দেগঙ্গার ডাক্তারবাবুর চিকিৎসায় হাজার গ্রামবাসী করোনা মুক্ত
এক হাজার করোনা রোগী সুস্থ করে সাড়া ফেললেন গ্রামীণ চিকিৎসক মহম্মদ সেলিম দেওয়ান। উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার ঘটনা।
করোনা আবহে হাজার হাজার মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠেছেন গ্রামীণ চিকিৎসক মহম্মদ সেলিম দেওয়ান। প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ জন জ্বর বা করোনা আক্রান্ত রোগী দেখে সাড়া ফেলে দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার আশঙ্কাজনক করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাঁর চিকিৎসায়।পাশাপাশি নিজের বাড়ির নিচে ঘরের মধ্যে প্রায় ৫০ টি বেড তৈরি করেছেন। দিন রাত ২৪ ঘন্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে করোনা রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে চলেছেন। যে সমস্ত রোগীরা চিকিৎসা করাচ্ছেন তাদের দাবি সরকারি হাসপাতাল বা বেসরকারি নার্সিংহোমে গিয়ে ঠিকমতো চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে তারা এখানে চলে আসেন চিকিৎসা করাতে।
দেগঙ্গা ব্লকের হাদিপুর ঝিকরা-১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা মহম্মদ সেলিম দেওয়ান ইতিমধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন করোনা চিকিৎসায়।যে সমস্ত রোগীরা সুস্থতা লাভ করেছেন তাদের দাবি সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি নার্সিংহোমে থেকে এখানে খুব ভালো পরিষেবা পাচ্ছেন।
পাশাপাশি ১০ থেকে ১২ দিন চিকিৎসা চলার পরে সুস্থ হয়ে উঠছেন রোগীরা।আর এই খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তেই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন হাদিপুর ঝিকরা-১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশে এই গ্রামীণ চিকিৎসক সেলিম দেওয়ানের চেম্বারে।গ্রামীণ চিকিৎসক সেলিম দেওয়ান বলেন মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষ।দিনদিন তার সংখ্যা বাড়ছে বৈ কমছে না। হাসপাতালে গিয়ে ঠিকমতো চিকিৎসা পরিষেবা পাচ্ছেন না। এমনটি জানতে পারছি।বারাসাত,আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ কলকাতার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে চলেছেন।
We hate spam as much as you do