লটারি টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি হলেন দীপক পাইন। তার চোখে মুখে আনন্দের ছাপ। কিন্তু এত টাকা নিয়ে কী করবেন সেই আতঙ্কে রয়েছেন। কিভাবে টাকা গুলো তার ব্যাংক একাউন্টে পাবেন নিরাপত্তার অভাব বোধ করতেই সটান গিয়ে হাজির হয়েছেন দেগঙ্গা থানাতে।
লটারি কেটে রাতারাতি কোটিপতি হলেন দেগঙ্গার কলসুরের অসহায় বৃদ্ধ দীপক পাইন।
নিজস্ব সংবাদদাতা: দেগঙ্গা,৩০ সেপ্টেম্বর--পেপারের ছাউনি বাড়ি, মুদিখানার দোকানে দিনমজুরের কাজ করতেন দেগঙ্গার কলসুরের বাসিন্দা দীপক পাইন।এক ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে কোনরকমে দিন কাটছিল। লোকের দোকানে কাজ করে শুধু দু'বেলা দু'মুঠো অন্ন যোগাতে পারতেন। স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি রাতারাতি কোটিপতি হবেন। লটারি টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি হলেন দীপক পাইন। তার চোখে মুখে আনন্দের ছাপ। কিন্তু এত টাকা নিয়ে কী করবেন সেই আতঙ্কে রয়েছেন। কিভাবে টাকা গুলো তার ব্যাংক একাউন্টে পাবেন নিরাপত্তার অভাব বোধ করতেই সটান গিয়ে হাজির হয়েছেন দেগঙ্গা থানাতে। প্রশাসনিকভাবে তিনি তার ব্যাংক একাউন্টে সুষ্ঠুভাবে টাকা গুলো পেতে চান দীপক বাবু জানান মাটির বাড়ি তো দূরের কথা পেপারের ছাউনিতে দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে দিন কাটছে স্বামী-স্ত্রীর। পরের দোকানে কাজ করি প্রতিদিনের মতো এ দিন রাতে দোকান মালিকের কথামত পাশের দোকান থেকে চা আনতে যান। সেই সময় টিকিটের দোকানে ৮ টি টিকিট পড়েছিল তখন তিনি বাকিতে সেগুলি নেন । এরপর রাতে টিকিটের দোকান থেকে খবর পৌঁছে তিনি কোটিপতি হয়েছেন। অর্থাৎ প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন। এরপর আনন্দে আত্মহারা দীপক বাবু। ছেলের ভবিষ্যৎ গড়তে চাই একটি পাকা বাড়ি করতে চান পাশাপাশি একটি শিব মন্দিরের ছাদ দিয়ে দেবেন। বাকি টাকা নিয়ে শেষ জীবন স্বাচ্ছন্দে কাটাতে চান।
We hate spam as much as you do