পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে পিন্টু চৌহান নামে বছর পঁয়ত্রিশের ওই যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা বেধে গিয়েছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই বচসা চরমে পৌঁছায় এবং ক্ষণিকের মধ্যে বন্দুক বের করে পি চৌহানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দেয় তাঁর বন্ধু।সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে, ঠিক কী ঘটেছিল তা বোঝার চেষ্টা করছেন পুলিশকর্মীরা।
ভোটের আগে ভাটপাড়ায় গুলিবিদ্ধ যুবক, অভিযুক্তর পরিচয় নিয়ে তরজা
18 এপ্রিল 2024
ভোটের মুখে ফের শুট আউটের ঘটনা ঘটল ভাটপাড়ায়। রামনবমীর মিছিলের পরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। বুধবার রাতে ভাটপাড়া পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। গুলিতে আহত হয় এক যুবক। যুবক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। বছর পঁয়ত্রিশের ওই যুবক আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভোটের মুখে এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে পিন্টু চৌহান নামে বছর পঁয়ত্রিশের ওই যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা বেধে গিয়েছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই বচসা চরমে পৌঁছায় এবং ক্ষণিকের মধ্যে বন্দুক বের করে পি চৌহানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দেয় তাঁর বন্ধু।সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে, ঠিক কী ঘটেছিল তা বোঝার চেষ্টা করছেন পুলিশকর্মীরা।
প্রসঙ্গত রামনবমীর মিছিলের পর এই গুলি চালানোর ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অতীতে ভোটের আগে এবং পড়ে বারবার উত্তপ্ত হয়ে হয়েছে ভাটপাড়া। সেই পরিস্থিতি যেন না সৃষ্টি না হয় সেই দিকেই নজর রাখছে প্রশাসন। খতিয়ে দেখা হচ্ছে এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক কারণ লুকিয়ে রয়েছে কিনা।
ঘটনায় নাম জড়িয়েছে গুলিবিদ্ধর প্রতিবেশী বন্ধু প্রকাশ চৌধুরীর । ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত । সূত্রের খবর, গুলি পিন্টুর গলা ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে । রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে ওই যুবককে ব্যারাকপুরের বিএনবসু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । পরে যুবকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে । আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি । বুধবার রাতের এই ঘটনায় যথারীতি লেগেছে রাজনীতির রং!
তৃণমূলের দাবি, গুলিবিদ্ধ যুবক তাঁদের দলের সমর্থক । তাঁর বাবাও যুক্ত শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত । ফলে দলের সমর্থক হওয়ার অপরাধেই যুবককে গুলি করা হয়েছে । এর পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে বলেও দাবি শাসক শিবিরের । যদিও সেই দাবি মানতে চায়নি গেরুয়া শিবির । এর পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে, নাকি অন্যকোনও রহস্য তা খতিয়ে দেখছে জগদ্দল থানার পুলিশ । প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছে, মদ খাওয়া নিয়ে দুই বন্ধুর বচসার জেরেই এই ঘটনা । অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে ।
গুলির আওয়াজে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী । এরপর তাঁরা লক্ষ্য করেন মতিভবন স্কুলের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন স্থানীয় ওই যুবক । দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে পাঠানো হয় হাসপাতালে ।
We hate spam as much as you do