হাসপাতালে ঢুকতে গেলে কোথাও হাঁটুসমান কোথাও কোমর সমান ঠেলে আসতে হচ্ছে রোগী ও রোগীর আত্মীয়দের। গত সোমবার ও মঙ্গলবারের ভারী বর্ষণে মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বর জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে।
জলমগ্ন হাসপাতাল চত্বর, ভোগান্তিতে চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা
নিজস্ব সংবাদদাতা newscopes.in বসিরহাট,২৩সেপ্টেম্বর- দুদিনের ভারী বর্ষণে জলমগ্ন হাসপাতাল চত্বর। হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিৎসকদের প্রায় বারোটি কোয়ার্টার জলমগ্ন থাকায় বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। হাসপাতালে ঢুকতে গেলে কোথাও হাঁটুসমান কোথাও কোমর সমান ঠেলে আসতে হচ্ছে রোগী ও রোগীর আত্মীয়দের।
গত সোমবার ও মঙ্গলবারের ভারী বর্ষণে মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বর জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে সামনে কোথাও হাঁটু সমান আবার কোথাও কোমর সমান জল থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী রোগী ও রোগীর আত্মীয়দের। হাসপাতাল চত্বরেই খেলে বেড়াচ্ছে মাছ। পাশাপাশি হাসপাতালে ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কোয়াটারে সেফটি ট্যাংক জলের তলায় ডুবে যাওয়ায় সেফটি ট্যাংক থেকে বেরিয়ে পড়েছে ময়লা। যা হাসপাতাল চত্বরে ভাসতে দেখা যাচ্ছে। তার ফলে হাসপাতাল চত্বরে ছড়াচ্ছে ব্যাপক দূষণ। পাশাপাশি রাত হলেই বিষাক্ত পোকা মাকড়ের আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে হাসপাতাল চত্বরে। কবে বা কিভাবে এই জল পড়বে তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। সুজাতা দাস নামে এক রোগীর আত্মীয় বলেন,'গর্ভবতী অবস্থায় বোনকে হাসপাতালে আনতে খুব ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল, এই হাসপাতালেই বোনের বাচ্চা হয়েছে, বাইরে যেভাবে দূষণ ছড়াচ্ছে তাতে এখানে ছোট বাচ্চাকে রাতে খুব ভয় লাগছে আমাদের, বাড়ির লোকেদের খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, হাটু সমান জলের উপর দিয়ে আসতে হচ্ছে হাসপাতালে'। মিনাখা স্বাস্থ্য আধিকারিক সুমন দাস বলেন,'২০১০ সালে আয়লার পর এই প্রথম হাসপাতাল চত্বর এইভাবে জলমগ্ন হলো, আমাদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে , সাধারণ মানুষদেরও হাসপাতালে আসতে খুব ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে, এই জল দ্রুত সরিয়ে দেওয়ার জন্য শেষ দপ্তরের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি'।
ছবি:জলমগ্ন মিনাখাঁ ব্লক হাসপাতাল।
We hate spam as much as you do