Tranding

01:55 PM - 04 Feb 2026

Home / North 24 Parganas / নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলায় তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট না আসায় শাস্তি অধরা

নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলায় তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট না আসায় শাস্তি অধরা

পুলিশ সুপারের কাছে দায়ের করা অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা জামিনে মুক্ত হয়ে গেলে মামলার সাক্ষীগণের পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। নাবালিকা কন্যার আকস্মিক মৃত্যুর সঠিক বিচার আদৌ পাবেন কিনা সেই আশঙ্কায় দীনমজুর মহম্মদ আলি গাজি শুক্রবার বিকালে দ্বারস্থ হলেন বসিরহাট জেলা পুলিশ দ্বারস্থ হলেন বসিরহাট জেলা পুলিশ সুপার জোবি থমাস কে'র। জমা দিলেন লিখিত অভিযোগ।

নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলায় তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট না আসায় শাস্তি অধরা

নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলায় তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট না আসায় শাস্তি অধরা
 

নিজস্ব সংবাদদাতা:বসিরহাট, ২১ জানুয়ারি-আদালতের নির্দেশে কবরস্থান থেকে নাবালিকার মৃতদেহ তুলে দ্বিতীয়বারের জন্য ময়নাতদন্তে পাঠানো হলো।তারপরেও চারমাস অতিক্রান্ত হতে যাচ্ছে।এখনো আদালতে জমা পড়লো না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট।শঙ্কিত বসিরহাটের রঘুনাথপুর স্কুলবাড়ির বাসিন্দা গাজি পরিবার। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় ৪জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ শোনা যাচ্ছে ১জন জুভেনাইল থেকে জামিন পেয়ে গেলেও শাসকদলের ছত্রছায়ায় থাকার কারণে মূল অভিযুক্ত রাজেন মণ্ডল ও বাকী ২ অভিযুক্ত এখনো অধরা। পুলিশের এ হেন অক্ষমতায় ইতিমধ্যে নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তারপরেও পুলিশ নীরব।
এমতবস্থায় তদন্তকারী পুলিশ আধিকারীক প্রায় চারমাস ধরে তদন্ত চালিয়েও এখনো পর্যন্ত তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতে দাখিল করতে অপারগ।আর এখানেই যাবতীয় আশঙ্কা দেখা দিতে শুরু করেছে গাজি পরিবারে।গত ২৫সেপ্টেম্বর বসিরহাট পুলিশ জেলার অধীন মাটিয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন মহম্মদ আলি গাজি।যাহার নং ৩৯৫/২০২১।আগামী ১ফেব্রুয়ারি পরবর্তী পর্যায়ে আদালতে উঠবে মামলাটি।
 

মহম্মদ আলি গাজিকে পক্ষে মামলাকারী আইনজীবী অর্পণ হালদার এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এই ধরনের অভিযোগে তদন্তকারী পুলিশ আধিকারীক যদি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার হওয়ার ৯০দিনের মধ্যে আদালতের কাছে প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট(চার্জশিট) জমা না দেয় তবে,অভিযুক্তদের আদালত জামিন দিতে বাধ্য থাকবেন।আর এই প্রশ্নেই আশঙ্কায় ভুগছেন  গাজি পরিবার।
 

পুলিশ সুপারের কাছে দায়ের করা অভিযোগ পত্রে  উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা জামিনে মুক্ত হয়ে গেলে  মামলার সাক্ষীগণের পক্ষে আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। নাবালিকা কন্যার আকস্মিক মৃত্যুর সঠিক বিচার আদৌ পাবেন কিনা সেই আশঙ্কায় দীনমজুর মহম্মদ আলি গাজি শুক্রবার বিকালে দ্বারস্থ হলেন বসিরহাট জেলা পুলিশ দ্বারস্থ হলেন বসিরহাট জেলা পুলিশ সুপার জোবি থমাস কে'র। জমা দিলেন লিখিত অভিযোগ।এছাড়াও মাটিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এস ডি পিও কেও লিখিতভাবে জানান।বর্তমানে অভিযুক্তরা ৮৫দিনে উর্দ্ধে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে।
 

তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়তে কেন এতো দেরি হচ্ছে?সেই মর্মে আপনার কাছে অভিযোগও  ইতোমধ্যে জমা পড়েছে।উত্তরে বসিরহাট জেলা পুলিশ সুপারের জোবি থমাস কে বলেন, এই মামলার তদন্তকারী অফিসার তদন্ত করছেন।তদন্তের কাজ শেষ হলেই আদালতে তার রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।উল্লেখ্য গত ১৯সেপ্টেম্বর মহম্মদ আলি গাজির কন্যা ফারহানা খাতুনের আকস্মিক মৃত্যু হয়।অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী কয়েকজন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করেছে।অভিযোগ,পুলিশ সেই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর মরিয়া প্রয়াস চালায় এবং ময়নাতদন্তের পর কবরস্হ করে দেওয়া হয়।পুলিশের পক্ষ থেকে এ হেন আত্মহত্যার তত্ত্বে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় মহম্মদ আলি গাজি।

আদালতের নির্দেশে সি সি ক্যামেরার ফুটেজ সহ মৃতার চুল,নখ,দাঁত,রক্ত, সোয়াপ সহ সংগৃহীত ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য গত ৬অক্টোবর বসিরহাট-২নং ব্লকের বিডিও,চিকিৎসক ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারীকের উপস্হিতিতে কবর থেকে ফারহানার মৃতদেহ তোলা হয় দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য।

Your Opinion

We hate spam as much as you do