নোবেল শান্তি ট্রাম্পের নয় মার্কিন পন্থী ভেনেজুয়েলার দক্ষিণপন্থী নেত্রী মারিয়া মাচাদো'র
এই উপন্যাসটির ওপর ভিত্তি করে তিনি তার বিশাল সাহিত্য সংকলন ‘সেইবো দেয়ার বিলো’ লেখেন। এই সংকলনে রয়েছে ১৭টি গল্প, যা এক বিশেষ বিন্যাসে সাজানো হয়েছে। গল্পগুলোতে এমন এক জগতের সৌন্দর্য ও শিল্পের স্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যে জগৎ দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং এটির সৌন্দর্য উপলব্ধি করা যায় না।
মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর পালা। তাই বুধবার সকাল থেকেই মন খারাপ বাঙালির। তবে সেই মন খারাপকে তোয়াক্কা না করে আকাশে-বাতাসে বিদায়ের সুর বেজে ওঠার আগেই নবমী নিশিতে ভিড় জমিয়েছেন মণ্ডপে-মণ্ডপে। রাত যত বাড়ছে ততই কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার রাজপথের দখল নিয়েছে জনস্রোত। কারও হাতে রেনকোট আবার কারও সঙ্গী ছাতা। কেউ আবার মাথা ঢেকেছেন পলিথিনের প্যাকেটে।
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত ইস্যুতেও মুখ খোলেন তিনি। তার কথায়, ‘প্রত্যেক শিশুর শান্তি, স্বাধীনতা অর্জনের অধিকার রয়েছে। প্যালেস্টাইনও ব্যতিক্রম নয়। হয়তো আমার এই কথায় আমার দেশেরও কেউ কেউ বিরক্ত হবেন, তবু আমি একথা বলবই।’
যেখানে বিজ্ঞানের আরাধনা হয়, সেই ভোপালের ইন্ডিয়ান ইন্সটিউট অফ সায়েন্সে, এডুকেশন রিসার্চের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিবরাজ বলেন, হিন্দু মহাকাব্যে রয়েছে 'পুষ্পক বিমান'। এর থেকেই বোঝা যায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে প্রাচীন ভারত কতখানি এগিয়ে ছিল। মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "রাইট ভাইদের বিমান আবিষ্কার করার অনেক আগে থেকেই আমাদের কাছে পুষ্পক বিমান ছিল।"
১ এপ্রিল পি. রামমূর্তি মেমোরিয়াল হলে ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং বইয়ের প্রদর্শনী সহ একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কংগ্রেস শুরু হবে। সন্ধ্যায় লোকশিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সিপিআই(এম)-এর উত্তরাধিকার গঠনকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হবে। ২ এপ্রিল, কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হবে, যার মধ্যে থাকবে প্রবীণ নেতা বিমান বসু পতাকা উত্তোলন
বইমেলায় স্টল দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে গিল্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল এপিডিআর। প্রতি বছর কলকাতা বইমেলায় তাদের স্টল থাকে। কেন এ বার সেই অনুমতি দেওয়া হল না, প্রশ্ন তুলেছিল মানবাধিকার সংগঠনটি। তাদের অভিযোগ ছিল, বইমেলায় স্টল বণ্টনে স্বচ্ছতা দেখাচ্ছে না গিল্ড। শুক্রবার হাই কোর্টে সেই মামলার শুনানি ছিল।
সলিল চৌধুরীর শতবর্ষ পালনের উদ্যোগ নিয়েছে তার অন্যতম প্রিয় সংগঠন ভারতীয় গণনাট্য সংঘ এর বৃহত্তর পরিসর সলিল চৌধুরী জন্ম শতবর্ষ উদযাপন কমিটি। এই উপলক্ষে রাজ্য জুড়ে আইপিটির পক্ষ থেকে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই উদযাপন কমিটির উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ সলিল সংগীতের গ্রান্ড কয়ার তৈরি ইত্যাদি নানা কর্মসূচি। শুরু হতে চলেছে আগামী ২২ শে ডিসেম্বর থেকে।
১৯৫৭ সালে নাটকে অভিনয় শুরু করেন মনোজ। সেই সময় তিনি সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন বাদল সরকার, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তদের। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিভাগের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। প্রথম নাটক লেখেন ১৯৫৯ সালে, ‘মৃত্যুর চোখে জল’। তবে তাঁর খ্যাতি বাড়ে ১৯৭২-এ বিভাস চক্রবর্তী নির্দেশিত ‘চাক ভাঙা মধু’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে।
লাশকাটা ঘরে কাটা লাশ হয়ে কৈলাসে চলে গেছে, রক্ত গড়ানো চোখে বিজয়ার পথেই তাকিয়ে আছে!
উৎসবের পাশাপাশি আরজি কর নিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনেও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে কলকাতার রাজপথে ৷ একই কারণে দুর্গাপুজোর কার্নিভালেও চেনা ছবিটা পালটে যেতে চলেছে এ বছর ৷ পুজো কার্নিভালের পাশাপাশি শহরের রাজপথে মঙ্গলবার দ্রোহের কার্নিভালে সামিল হবেন হাজার হাজার মানুষ ৷
ঘুম, স্বপ্ন,স্মৃতি সব ঘুরে ঘুরে, শব্দটা খুঁজে বেড়াই অবশেষে বিবেক, চেতনা, মস্তিস্কের ধুলো ঝেরে দেখি, শব্দটা শিরদাঁড়ায় গিয়ে লুকিয়েছে।
সুপ্রিয় দত্তের কথায়, ‘একজন বিধায়ক বললেন, ‘যাঁরা যাঁরা টাকা নিয়েছেন, তাঁরা ফেরত দেবেন তো?’ এমনিতেই আমি খুব যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছি। খালি মনে হচ্ছে, এটা বোধহয় আমার কাছে রাখা ঠিক নয়। খুব গ্লানিতে ভুগছি। সেই কারণেই এটা আমি ফেরত দিতে চাই। অভিনেতা হিসেবে আমার মনে হয় এটা ফেরত দিয়ে দেওয়াই উচিত। একটা নৃশংস হত্যা, মানুষ পথে নেমেছেন। এমন নয় যে আমায় এটা খুব অসম্মান করে দেওয়া হয়েছিল, সম্মান দিয়েই পুরস্কৃত করা হয়েছিল।’
আর জি করের গণআন্দোলনে সামিল হতে রাজ্য সরকারের দেওয়া পুরস্কার ফেরালেন নাট্যকার চন্দন সেন। ২০১৭ সালে তাঁকে দীনবন্ধু মিত্র পুরস্কার দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই পুরস্কার এবার ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চন্দনবাবু। ইতিমধ্যেই তিনি আবেদন জানিয়ে ই-মেল করলেন সরকারের কাছে।
সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জোর দিতেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কেউ কেউ মনে করে সংস্কৃতি আলাদা, শ্রেণিসংগ্রাম আলাদা, বিপ্লব আলাদা। তা মেটেই নয়। আমাদের দেশের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি সংস্কৃতি জগতের ব্যক্তিত্ব, যাঁরা কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কত বড় ভূমিকা নিয়েছেন। তিনি সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলকে ব্যবহার করে দক্ষিণ পন্থার মোকাবিলা করেছেন। এই ব্যবস্থার পালটা আধিপত্য গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চেতনা গড়ে তোলা অবশ্যই জরুরি। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সারা জীবন সেই লক্ষ্যে নিয়োজিত থেকেছেন।
সভাপতিত্ব করেছেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এদিন শ্রদ্ধা জানানো হয় আর জি কর হাসপাতালে নিহত চিকিৎসক ছাত্রীর স্মৃতিতে। স্লোগান ওঠে: ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’।
পুঁজির দালাল বলে সেদিন যাকে দেগে দিতে কুন্ঠাবোধ করেনি কিষেণজি থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই, আজ তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা মানুষের সামনে দিনের আলোর মতো প্রতিভাত। অন্যদিকে সেদিন হয়তো মানুষটি আড়ালে মুচকি হেসেছিলেন। তিনিও কি অনুভব করেননি, একদিন বাংলার মানুষ উপলব্ধি করবে তাঁরা কি হারিয়েছেন? পাম অ্যাভিনিউয়ের দু’কামরার ফ্ল্যাটে তাঁর সাদামাটা জীবন যাপন আজকের রাজনীতির দাঁত - নখ বের করা কদর্য রুপের সামনে একপ্রকার যেন মিথেই পরিণত হয়েছে। যেখানে সামান্য কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত প্রধান, মায় ব্লক সভাপতিদের প্রসঙ্গ উঠলেই উন্নয়নের জোয়ার স্বরূপ কয়েক কোটি টাকার গাড়ি, দেশে বিদেশে প্রাসাদপম বাড়ি, রিসর্ট, স্পা, হোটেল ইত্যাদি চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেখানে এক দশক মুখ্যমন্ত্রী থাকা ও তারও আগে কয়েক বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক , তথ্য - সংস্কৃতি মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলানো এবং দীর্ঘ সাড়ে - তিন দশক বিধায়ক থাকা একজন নেতার আড়ম্বরহীন জীবন যাত্রা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে
সোমবারই বিকেল ৪টেয় নিউটাউনে জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের প্রথম পর্যায়ের নির্মীয়মান ভবনে প্রাঙ্গনে হবে আলোচনাসভাও। ‘প্রসঙ্গ জ্যোতি বসু’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তা চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ। জ্যোতি বসুর জীবনের অজানা বিভিন্ন কাহিনী নিয়ে এই বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি তৈরি করেছিলেন।
যখন তুষারঝড়ে নীড়হারা পাখি ডানা ভাঙ্গার অব্যক্ত যন্ত্রণা বুকে সামনে এগোয় অদম্য জেদে; তখন আমি খুঁজে পাই জীবন যুদ্ধের মানে।
কানে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করলেন যে পায়েল, তাঁরই অনুদান বন্ধ করে দিয়েছিলেন এফটিআই কর্তৃপক্ষ! পায়েলের হাত ধরে ৩০ বছর পর কোনও ভারতীয় ছবি কান উৎসবে প্রথম সারির মনোনয়ন পেল। কানের সর্বোচ্চ সম্মান পাম ডি’ওর অল্পের জন্য অধরা। বদলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান গ্রাঁ প্রি পুরস্কার জিতে নিল পায়েলের ছবি।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সুমন চক্রবর্তী ২০০২ সালে খড়গপুর আইআইটি-তে যোগদান করেছিলেন অধ্যাপক হিসেবে। বিগত দুই দশকে চিকিৎসা পরিষেবায় সাহায্য করে এমন বহু যন্ত্রের আবিষ্কার করেছেন তিনি। এই আবহে সুমনবাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আমি অনেক গবেষণার সঙ্গেই যুক্ত। প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে অনেক আবিষ্কার করছি। এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিনের এই সম্মান আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।'
ইতিহাসের পাতায় সর্বভারতীয় হোলি উৎসবের উৎসগত উপাদান দুটি পাওয়া যায়। যথা একটি হল ভাগবত তথা স্কন্ধ পুরানের কাহিনী আর অপরটি হল শ্রীরাধাকৃষ্ণের অনন্ত প্রেমের কাহিনী । অন্যদিকে আমাদের বাঙালির দোলযাত্রারও দুটি পৃথক উৎসগত উপাদান পাওয়া যায়। যা হোলির উপাদানের থেকে আলাদা। যথা একটি হল শ্রীরাধা কৃষ্ণের প্রেমের বৈষ্ণবীয় উপাখ্যান ও অপরটি হল মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের আবির্ভাব সংক্রান্ত কাহিনী।
ভারতে দোল উৎসব বা হোলি র ইতিহাসে দেখা যায় পূর্বাঞ্চলের কোন জাতির কাছ থেকে এই উৎসবের আবির্ভাব। বিভিন্ন পুরাণে , প্রাচীন মন্দিরের গায়ে , চিত্রকর্মে হোলি খেলার উপাখ্যানও উল্লিখিত আছে । মধ্যযুগে রাধাকৃষ্ণের দোললীলাকে কেন্দ্র করে শ্রীচৈতন্য অনুগামীরা ফাল্গুনী পূর্ণিমায় একত্রে দোল খেলতে শুরু করে ন। কারণ মহাপ্রভুর জন্ম তিথি ও ঐ ফাল্গুনী পূর্ণিমা।
সাহিত্যের নিজস্ব জগৎ রয়েছে আর সেখানে একটা নিয়ম আছে তবে তার অর্থ এই নয় যে এই জগতের স্রষ্টারা সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্বহীন এবং অবাধ ও যথেচ্ছচারী হবেন । সে কারণে কবিকে তার কবিতা নিয়ে ভাবতে হবে, ভাবতে হবে বিষয় নির্বাচন নিয়ে, রূপ নিয়ে। বিষয় ঠিক হয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গে রূপটা মোটামুটি দাঁড়িয়ে যায়, তার পর টেক্সট ও সাব-টেক্সটগুলোকে সাজিয়ে বুদ্ধিদীপ্ত কল্পনায় তাকে রূপ-কাঠামোয় অঙ্গিভূত করতে হয় । পরে আসে সম্পদনা, মোহমুক্ত হয়ে সে কাজটি কবিকেই করতে হয় বিমাতার মতো, কারণ টেক্সটগুলোতে এমন কিছু শব্দ আছে যা এমন কিছু চিত্রকল্প তৈরী করেছে, যার প্রতি কবির বিশেষ মোহ রয়েছে।
কৃষ্ণচূড়ার রঙে লাল পথ- ঘাট- মাঠ, বাড়ির টবে ফুটেছে অজস্র " ব্লিডিংহার্ট "
ছাত্ররা, যারা নাটক এবং থিয়েটারে তাদের মাস্টার্সের অনুসরণ করছে, তারাও দাবি করেছে যে নাটকটির পিছনে তাদের কোনও বিদ্বেষমূলক উদ্দেশ্য ছিল না। তারা বলেছিল যে তারা তাদের শৈল্পিক স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের অনুশীলন করছে।
প্রতিভাবান এই অভিনেত্রী বাংলা সিনেমাতেই শুধু থেমে থাকেননি, বরং টলিপাড়ার গন্ডি পেরিয়ে হিন্দি ছবিতেও নামকরা তারকাদের সঙ্গে কাজ করেছেন শ্রীলা মজুমদার৷ বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ঘাত- প্রতিঘাতের ছবি তাঁর অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বারবার ফুটে উঠেছে৷ শুধু অভিনয় দিয়ে নয়, বরং তার গলার স্বর তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে দর্শকমনে৷
মহম্মদ সেলিম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, “জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নীতীশ কুমার রাজনীতির আকাশে উত্থাপন। জ্যোতি বসুর সঙ্গে নীতীশের সখ্যতাইও ছিল। তাই এই রকম একটা কর্মসূচিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।”
পায়ে পায়ে হেঁটে আলোর পথ কেটে ব্রিগেডে সূর্য সেনা, চেতনায় রণসাজ ব্রিগেডে মিলিত আজ সব মুখ কতনা চেনা।
বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ভিআইপি কার্ডের বিনিময়ে মোটা টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সরাসরি এই অভিযোগ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অনুপম হাজরা। সামাজিক মাধ্যমে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানের একটি ভিআইপি কার্ডের ছবি দিয়ে তিনি লিখেছেন, লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ— এখান থেকেও দুর্নীতি, টাকা উপার্জন?
সবাই যখন রোদ থাকতে চাল ছায় সে তখন গনগনে রোদে পথ কেটে যায়, সবাই যখন শীতে লেপের তলায় থাকে সে তখন আগুন জ্বেলে হাত পা স্যাঁকে।
১৯০৫ সালে ব্রিটিশের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের বিরোধিতা করে প্রতিবাদ হিসেবে রবি ঠাকুর এই গানটি লিখেছিলেন। সেটার ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এটিকে রাজ্য সঙ্গীতের তকমা দেওয়া হয়। তবে এদিন ‘বাঙালির পণ বাঙালির আশা, বাঙালির প্রাণ বাঙালির ভাষা’ জায়গাটিতে ‘বাঙালি’র জায়গায় ‘বাংলা’ গাওয়া হয়। এভাবে রবি গানকে বিকৃত করায় অনেকেই বিরক্ত হয়েছেন। তাঁরা এভাবে লিরিক্স বদলানোয় আপত্তি জানিয়ে বলেন সেটাকে অবিকৃত রাখার কথা।
ক্ষুদিরামের বয়স তখন তের-চৌদ্দ বছর হবে। একদিন হেমচন্দ্র কানুনগো মেদিনীপুরের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ক্ষুদিরাম তাকে দেখে দৌড়ে এসে তার বাইক আটকালেন; বললেন, “আমাকে একটা রিভলবার দিতে হবে।” হেমচন্দ্র অচেনা অজানা একটা ছোকরার থেকে এই ধরনের আবদার শুনে স্বাভাবিকভাবেই বিরক্ত হলেন। জিজ্ঞেস করলেন, “তুই রিভলবার দিয়ে কি করবি?” ক্ষুদিরাম জবাব দিলেন, “সাহেব মারবো।” এরপর তিনি ইংরেজদের অত্যাচার-নির্যাতনের কাহিনি বলে কেন সাহেব মারবেন সেসব যুক্তি দিতে শুরু করলেন। হেমচন্দ্র সেদিন তাকে ধমক দিয়ে পাঠিয়ে দিলেও তার প্রেরণা দেখে অভিভূত হয়েছিলেন।
যে মানুষ কবিতা পড়ে না বসন্তের পলাশরাঙা সকালে, তার দু'চোখে দেয়না ধরা দিন বদলের স্বপ্ন।
যে গান মানুষকে জাগিয়ে তোলেন, মানুষের প্রেরণা, সেই গানকে আমরা ভুলতে পারি না। সেখানে রহমান সাহেব কেন এটা করলেন আমরা জানি না। ওটা করার আগে ওনার আরও ভাবা দরকার ছিল। অন্ততপক্ষে কাজী নজরুল ইসলামকে সেটা নিয়ে জানা দরকার ছিল। উনি শুধু বাংলার কবি নন, গোটা ভারতের কবি। যে গানের হাত ধরে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছে সেই গানের সুর আমরা কী করে ভেঙে দেব, নষ্ট করে দেব
এথিক্স কমিটির রিপোর্ট বুধবার সংবাদমাধ্যমে ‘ফাঁস’ হয়ে যাওয়ার পরে মহুয়া বলেছিলেন, ‘‘এটা তো প্রথম থেকেই জানা ছিল। যা হবে, দেখা যাবে। ওরা যত বেশি এ সব করবে, আমরা তত বেশি ওদের বিরুদ্ধে লড়ব।’’ বৃহস্পতিবারও একই কথা বলেছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ। কৌতূহল, শুক্রবার এই বিতর্ক, এক্স হ্যান্ডেলে নিশিকান্তের সঙ্গে মহুয়ার বাগ্যুদ্ধ কোন দিকে মোড় নেয়!
অপরাধ বলতে কলকাতায় শহিদ মিনারে সংগ্রামী যৌথমঞ্চের ধর্না মঞ্চের সামনে নাটক করেছিল চাকদহ নাট্যজন। তারপরই কল্যাণী পুরসভার সরকারি প্রেক্ষাগৃহ বুকিং বাতিল করা হয়েছে। এমনটাই অভিযোগ তুলেছে সংশ্লিষ্ট নাট্যজন নাট্য সংস্থা। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠান বিরোধী নাটক করার জন্য তাদের সরকারের রোষে পড়তে হল। তবে কল্যাণী পুরসভা একেবারেই এই অভিযোগ মানতে চায়নি। তবে নাট্যপ্রেমীদের একাংশের দাবি, প্রতিষ্ঠান বিরোধীতার কণ্ঠস্বরকে রোধ করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।
জিওফ্রে চসারের একটি লেখা থেকে হাংরি শব্দটিকে বেছে নিয়েছিলেন মলয় রায়চৌধুরী। তিনি ছাড়াও সমীর রায়চৌধুরী, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, হারাধন ধাড়া (দেবী রায়) এবং পরবর্তী সময়ে বিনয় মজুমদার, সন্দীপন চক্রবর্তী, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও যুক্ত হয়েছিল ওই আন্দোলনের সঙ্গে। সেই প্রজন্ম পরিচিত হতে থাকে 'হাংরি প্রজন্ম' নামে।
‘মাটি-পৃথিবীর টানে মানব-জন্মের ঘরে কখন এসেছি, না এলেই ভালো হত অনুভব করে; এসে যে গভীরতর লাভ হলো সে সব বুঝেছি শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে; দেখেছি যা হলো হবে মানুষের যা হবার নয়— শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলই অনন্ত সূর্যোদয়।’
কদিন আগেই ডার্বি ম্যাচের সেই উত্তেজনা দেখে মনে হচ্ছিল বাঙালি আছে বাঙালিতেই। ডার্বি হোক, বাঙাল-ঘটি হোক, কিংবা ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের রেষারেষি, চিংড়ি-ইলিশের বাহারের এই লড়াই কিন্তু চিরন্তন। খাবার হোক কিংবা নিয়ম রীতি, হরেকরকম নতুনত্বে ও দুর্গাপুজো কিন্তু সবার কাছেই আনন্দের রেশ! পেটপুজো থেকে সাজগোজ কারও কোনও কিছুতেই এক্কেবারে খামতি নেই।
তোমার দূর্গা আসবে বলে দিচ্ছ অনুদান আমার দূর্গার জীবন বিপন্ন ভীষণ অভিমান। তোমার দূর্গা পরিপাটি সাজে শাড়ি আর গয়নায় আমার দূর্গা ধর্ষিতা আজ দুচোখে অশ্রু বয়।
মহালয়ার দিন এলেই মনে পড়ে রেডিয়োর কথা। আর তাই বছরের এই একটি দিন যেন তাকে ছাড়া চলে না প্রবীণ বাঙালির। তাই বাড়ির আর পাঁচটা অকেজো জিনিসের সঙ্গে এককোনায় পড়ে থাকা রেডিয়ো-র ধুলো মুছতে মুছতেই অনেকে হাজির হচ্ছেন পাড়ার টিভি, রেডিয়ো সারাইয়ের দোকানে। কারণ, সামনেই যে মহালয়া। বাড়িতে টিভি থাকলেও ভোররাতে রেডিয়োয় বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে সংস্কৃত স্তোত্রপাঠ ও দেবীর আগমনী বার্তা না শুনলে যেন মনেই হয় না দুর্গাপুজো আসছে।
ক্ষুধা তৃষ্ণা জাগায় তীব্র বিতৃষ্ণা; তাই আজ চাই বৈষম্য হোক শেষ। হোক সবাই রাজা থাকবেনা প্রজা; সারা পৃথিবীটা হোক মজুরের দেশ।
লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্য কর্মের মূল্যায়ন করেছেন এভাবে, — “সত্যেন দত্ত ও নজরুলের মাঝখানে এসেছিলেন সুকুমার রায়, বাংলা কবিতার আলোচনায় তাঁর নাম আসে না। তাঁকে সরিয়ে রাখা হয়েছে শিশু সাহিত্যের এলাকায়। ——শব্দ ব্যবহারে দারুণ দক্ষতা, আর কিছুদিন সময় পেলে বড়দের রচনায় প্রবেশ করলে হয়তো অন্য কীর্তি স্থাপন করতে পারতেন। তিনি যা লিখে গেছেন, তারও মাঝে মাঝে রয়েছে আধুনিক, পরিপূর্ণ মনস্কতার ইঙ্গিত।
বাঁচাও ! বাঁচাও! বাঁচাও - হাঁকে কাতর কন্ঠস্বর পুলিশ -প্রশাসন-সভ্যতা নির্বাক প্রকাশ্য দিবালোকে আজকের দ্রৌপদীর উন্মুক্ত কলেবর দেখলো গোটা দুনিয়া, হে স্বাধীনতা কোন্ পথে নিয়েছ বাঁক ?
ওর স্বপ্ন মূলত দুটো। এক, বৈজ্ঞানিক হওয়া। বৈজ্ঞানিক হওয়া তো দুরস্ত। ক্লাসের পরীক্ষায় পাশ করাটাই ওর কাছে একটা বিভীষিকা। সারা বছর ভিডিও গেমস, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, টিকটকে বুঁদ হয়ে থেকে পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে পড়া শুরু করলে যা হয় আর কী। দু’নম্বর স্বপ্ন হচ্ছে বড় ফুটবলার হওয়া। কিন্তু স্কুলের সাব জুনিয়র ফুটবল স্কোয়াডেই সুযোগ পায় না ও। ফুটবলটা কিন্তু খারাপ খেলে না অসীম।
তোর ডুকরে ডুকরে কান্না আমাদের পাঁজরে হাতুড়ি মারছে তোর নগ্নতা দেখে কাঁদে রামমোহন কাঁদে বিদ্যাসাগর আর কাঁদে হতভাগা ভারতবাসী যারা ধর্ম নয় শুধু মানবতায় বিশ্বাসী।
এদিকে যাদের হাড়ি চড়েনি গতকাল তারা বুঝেছে কত ধানে কত চাল ভোট অকেশনাল। অভাব পার্মানেন্ট ।
ওয়ানইন্ডিয়া বাংলার তরফে বইটির লেখক, প্রাক্তন আমলা তথা প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক দীপক ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি স্পষ্ট করে দেন, বইটির বিষয়বস্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েই। বইয়ের নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রয়েছে সামগ্রিক বিষয়ে।
নজরুল ইসলামিক ভক্তি সঙ্গীতের পাশাপাশি ৫০০ টিরও বেশি আগমনী, ভজন, শ্যামা সঙ্গীত এবং কীর্তন গান লিখেছেন| তিনি ভগবান শিব, দেবী লক্ষ্মী ও সরস্বতী এবং রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের জন্য আমন্ত্রণের অনেক গানও রচনা করেছিলেন। নজরুলের কবিতা ও গান ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের দর্শনকে অন্বেষণ করেছে।
যার "দিয়েন ইয়েন ফু" আজো জেগে লাল পতাকা উড্ডিন, তার নাম হো চি মিন।
মায়ের মুখে আলোর হাসি, আব্দারী মন রাশিরাশি, এই ছিলো তোর ইচ্ছে তবে মনের দ্বারে! এ বীরপুরুষ, প্রাণের পাখি, যখন তখন ডাকাডাকি, মা কে রাখে সকলসময় ডাকাত হতে খুব পাহারায় তাঁরে।
প্রশ্নটা শুনে ভদ্রলোক বেশ গম্ভীর হয়ে গেলেন। খানিকটা সময় নিয়ে, একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললেন, ‘মনে হচ্ছে, সব ব্যর্থ হয়ে গেল। ক্ষুদিরাম, বিনয়, বাদল, দীনেশ, সূর্য, মাতঙ্গিনী, মহাত্মা, ভগৎদের বলিদান ব্যর্থ হয়ে গেল হে। আমার নাইট উপাধি ত্যাগ, তোমাদের স্বাধীনতার জন্যে কলম ধরা সব ব্যর্থ হয়ে গেল।
অবক্ষয়ের মাঝেও দেবতা হয়ে ওঠে কেউ তাঁকে পিছুটেনে দ্বিপদীরা করে ঘেউ ঘেউ সুযোগ বুঝে রক্ষক যে, হয়ে ওঠে ভক্ষক সেও।
এই বছরের থিম হল- “Invest In Our Planet।” পৃথিবীতে সবার সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার জন্য কী করা প্রয়োজন। এটিই হবে বিশ্ব পৃথিবী দিবসের ৫৩ তম অনুষ্ঠান।
এখানে যাযাবরী ডাক শুনতে ভালো লাগে, কারণ-- সন্ধ্যা গাঢ় হলে। জোনাক ঝাঁক অন্ধকারে ঝি-ঝি, ডাক ক্রমাগত লাফিয়ে চলা ব্যাঙ, শান্ত মোহনায় কদাচিৎ নৌকো পারাপার।
নাটকের বিষয়বস্তু ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’, তাই শাসকদলের চক্ষুশূল নাট্যকর্মী? রেহাই পেলেন না তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মাও। রানাঘাটে নাট্য পরিচালক-অভিনেতা নিরুপম ভট্টাচার্যকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত গুণ্ডাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
লোয়ার সার্কুলার রোডের ভাড়া নেওয়া এই দপ্তরটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে তিনটি কারণে। ১.ভারতবর্ষের সংসদীয় রাজনীতির বীজ যখন রোপিত হচ্ছে, সেই রোপিত বীজের ভিতরে গণতান্ত্রিক পরিসরে বাংলার শ্রেণী রাজনীতির স্বর কে ত্বরান্বিত করার মুখ্য কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে এই দপ্তরটি থেকে। ২.পঞ্চাশের দশকের প্রথমাব্দে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত রাষ্ট্রব্যবস্থায় খাদ্যের সংকট,জীবিকার সংকট,উদ্বাস্তু মানুষের জীবনের সংকট তথা যে সমস্ত সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল তারই প্রেক্ষিতে কমিউনিস্ট পার্টিকে ঐতিহাসিক দায়িত্ব বহন করতে হয়েছে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে,সেই আন্দোলন সংগ্রামের রূপরেখা নির্ধারণের প্রাণকেন্দ্র হয়ে ওঠে এই দপ্তর। ৬৪ এ লোয়ার সার্কুলার রোডের এই অফিস কে পার্টির ইতিহাসের একটা যুগের শেষে সূচনা বলা যেতে পারে।
শোভাকে’ কবিতায় দেখা যায় স্ত্রী তাঁর কাছে শুধুমাত্র প্রেমিকা নন, তিনি এক নিরন্তর, নিরবচ্ছিন্ন প্রেরণা। শোভা সেন কখনই উৎপলের কাছে শুধু স্বপ্নে ভাসা প্রেমিকা ছিলেন না। তাই একটি কবিতার উপসংহারে তিনি লিখেছেন, ‘‘তাই অনাগতের কুয়াশাঢাকা ভোরে আমি চোখ মেলে দিয়ে দেখি ব্যারিকেডে দাঁড়িয়ে তুমি আর আমি লড়ে যাচ্ছি দুই কমরেড।’’
কোভিদ-১৯ এর দু'দুটো বছর ভোঁতা করে দিয়েছে মানুষের ইন্দ্রিয়গুলোকে, সংকীর্ণ করে দিয়েছে মানুষের জীবনযাপনকে, ভেঙে দিয়েছে সব সম্পর্ককে এবং আমাদের টেনে নামিয়ে সে এক অদ্ভুত অবাসযোগ্য গ্রাউন্ড জিরোতে। কী ধরনের বীজ বপন করতে হবে বা পুনঃবপন করতে হবে এই বছরগুলোতে? আর অতি উৎপাদনশীল ধ্বংসাত্মক প্রজাতির বা জীবাণুর সম্পূর্ণ বিনাশ ঘটাবোই বা কিভাবে? এত বেশি মানুষ আজ ধ্বংসের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে! এত বেশি হিংসা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ছে যুক্তিহীনভাবে, অপ্রত্যাশিতভাবে! চেনাজানা ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে এখন অত অবাধ নির্মমতা বাসা বেধেছে!
আকাশের নীল কেমন ঢেকে গেছে উত্তুঙ্গ ইঁটের জঙ্গলে মানুষ নেই আর ; জন্তুরা ঘুরে বেড়ায় পোশাক পরে! মানুষেরই বোধহয় হাড়মাংস চিবোয় দামী রেস্তোরাঁয় সত্যিই কি আমি কিছু ভুল দেখছি!
বিজ্ঞানীদের দাবি, রাতের আকাশে সাধারণত গ্রহর অবস্থান দূরে বলে মনে হয়। কিন্তু শুক্রবার বহু বছর পর দু'টি গ্রহকে কাছাকাছি আসতে দেখা গিয়েছে। এদিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখা গিয়েছে এই মহাজাগতিক দৃশ্য। বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হন কলকাতা-সহ রাজ্যবাসী। অনেকেই মহাজাগতিক দৃশ্য লেন্সবন্দি করেন।
এই বছর একটি অস্কার নয়, বরং ভারতের ঝুলিতে এসেছে জোড়া অস্কার। বেস্ট অরিজিনাল সংয়ের পাশাপাশি বেস্ট ডকুমেন্টারি শর্ট ফিল্ম পুরস্কারও এদেশেই এসেছে। বিদেশের সকল ছবিকে টেক্কা দিয়ে ভারতের ‘দ্য এলিফ্যান্ট হুইসপারারস’ (The Elephant Whisperers) সেরা তথ্যচিত্রের (শর্ট ফিল্ম) পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যেক ভারতবাসীর কাছে আজকের দিনটি অত্যন্ত গর্বের।
আকাশ ছুঁতে চাওয়া যুবতীকে দেখেছো কোথাও? আমি জানি হাজার জনতার মাঝে আছে সে----অদূরে। অসহ্য বেয়াড়া-বেয়াদবদের পালা সাঙ্গ করে,অচিরে সে-যুবতী আকাশ রাঙিয়ে দেবে সুমহান রোদ্দুরে।
হোলি উৎসবের মূলে রাধা ও কৃষ্ণের যে চিরন্তন প্রেম, সেই প্রেমের আবেদন হিন্দু ধর্মের সীমা ছাড়িয়ে হয়ে উঠেছিল সার্বজনীন। ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত মুঘল বাদশারা মহা উৎসাহে মেতে উঠতেন হোলি খেলায়। মুঘল বাদশাদের হোলি খেলার একাধিক ছবি তার সাক্ষী। জাগাঙ্গীরের আমলে লাল কেল্লায় বসতো রঙ খেলার আসর। তার নাম ছিল আব-এ-পাশি। কখনো কখনো একে বলা হত ইদ্-এ-গুলাবি। হোলি উপলক্ষ্যে গোটা দিল্লি শহর জুড়ে বসত একাধিক মেহফিল।
বাংলাতে দোলযাত্রার আগের দিন হয় 'ন্যাড়াপোড়া ' বা বুড়ির ঘর পোড়ানো। হোলিকা বুড়ির ঘর পোড়ানো হয় এবং তাকে ঘিরে সমবেত ভক্তরা বলে ওঠে 'আজ আমাদের ন্যাড়া পোড়া কাল আমাদের দোল ' । ভারতের কিছু অংশে হোলিকা দহন উৎসবকে 'ছোটি হোলি' ও বলা হয়।
চলো-রে চলো-রে সব ছড়াই আবির রাঙিয়ে রাঙিয়ে পথ, রাঙাই শরীর গুলালে হারলো মন বসন্ত উতলা জীবন্ত যৌবন ভাঙে স্তব্ধতার তালা পথ ঘাট বনে রঙ, রঙ তনু মনে সকলে এসেছি কাছে হৃদয়ের টানে।
তুমি রোজ কত রেওয়াজ কর রাগ মূর্ছনায় পাখিও হার মানে মোহিত হয়ে যায় বিগলিত স্রোত কই তুমি তো কান্না গাইলে না?
বাবলু, বাচ্চু , বিলু, ভোম্বল, বিচ্চু এবং পঞ্চু এইসব চরিত্ররা বাঙালির কাছে চিরকালের আবেগ ও শৈশবের স্বাদ। এই পঞ্চপাণ্ডব জটিল রহস্যের সমাধান করেছে বইয়ের পাতায়। দুর্গম পাহাড় থেকে, বুদ্ধির ভেলকি, সব জায়গাতেই মাত দিয়েছে তারা। কিশোরদের এই রহস্য উন্মোচনের নেশাই বাঙালিকে পাণ্ডব গোয়েন্দার প্রেমে পড়তে বাধ্য করেছে বারংবার। ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের লেখনিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছিল প্রতিটি চরিত্র।
জানা যায়, 'পথের পাঁচালি' এবং 'চারুলতা'-র মতো ছবিগুলি নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে। ‘পাঁচালী’-র ইংরেজি বানান দেখিয়ে এক জন বলেছেন, ছবিতে ‘পাঞ্চালী’ অর্থাৎ দ্রৌপদীর সমালোচনা করা হয়েছে। এমটাই জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
-আপনি আমাকে তো ভুলে যাবেন। এক মিস্টি টানে কথাগুলো আজও কানে ভাসছে। ওর চোখে ঘুম নেই, লাবন্য কি আমাকে মনে রেখেছে? আদীভাকে লাবন্য বলে সম্বোধন করেছিল ফেরার আগে। সেইসময় প্রথম প্রথম প্রথম ঘন ঘন দুরভাসে কথা হতো। তারপর সপ্তাহে একবার, পরের মাসে কয়েকবার কথা হতে হতে দুমাসের মধ্যে একেবারে বন্ধ হয়ে গেলো যোগাযোগ । চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারে নি কুশল। ইমরান, দুলালদের সঙ্গে মুখবইয়ে মোবাইলে কথা হলেও আদীভার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি, কেউ কোনো সংবাদ দিতে পারে নি। কি হলো মেয়েটার পৃথিবীটা তো আজকের দিনে ছোটো হয়ে গেছে!
চলতি মাসের শুরু থেকেই চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন টেলিভিশনের দর্শকরা। খেলা থেকে বিনোদন, যাবতীয় চ্যানেল সার্চ করলেই দেখা যাচ্ছে একটা বার্তা, চ্যানেল বাবদ ট্রাইয়ের নির্দেশিকার সঙ্গে কেবল অপারেটররা সহমত না হওয়ায় আপাতত এই চ্যানেলগুলির অ্য়াক্সেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই বার্তার অর্থ কী, তাও অনেকেই জানেন না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই যাবতীয় ক্ষোভ উগরে দেওয়া হচ্ছে কেবল অপারেটরদের উপরেই
মোদের গরব আশা খোদাই করা কাপের মধ্যে মানাচ্ছিল খাসা । কাটছে সময় ফাঁস অন্ধকারের বন্ধকারায় সাত সাতটা লাশ।
তারপর আদরের স্নানে আতর মাখিয়ে নিঙোনো উঠোনে হলুদ রোদ্দুরের ঝিকিমিকি এঁকে দিচ্ছিল, আমার স্বামী প্রতিদিন যখন মাঠ থেকে ফিরত তখন সন্ধ্যা তারা তাকিয়ে থাকত তার দিকে সেদিন ও ছিল---- আকাশের দিকে আঙ্গুল তুলে বলতো দেখো দেখো---- চাঁদের হাসির কেমন বাঁধ ভেঙেছে
আজকে কলকাতার এই ৪৬তম বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্পেনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মহানির্দেশক মারিয়া খোসে গালবেজ সালভাদর এবং কলকাতার প্রখ্যাত সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। আরও ছিলেন ভারতে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত হোসে মারিয়া বিদাও ডমিনিকা। ছিলেন আয়োজক সংস্থা পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে এবং সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায়সহ কলকাতার বিশিষ্টজনেরা।
আজকে কলকাতার এই ৪৬তম বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্পেনের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মহানির্দেশক মারিয়া খোসে গালবেজ সালভাদর এবং কলকাতার প্রখ্যাত সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। আরও ছিলেন ভারতে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত হোসে মারিয়া বিদাও ডমিনিকা। ছিলেন আয়োজক সংস্থা পাবলিসার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশু শেখর দে এবং সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায়সহ কলকাতার বিশিষ্টজনেরা।
উত্তরপাড়া শহরকে ভালোবাসা ও আলিঙ্গন জানাই। চে'র ছবি শুধু জামার উপর ছাপিয়ে দিলে হবে না তাঁর আদর্শকে মেনে চলতে হবে। চে'র জীবনাদর্শ নিজের জীবনে পালন করাটাই বড় কথা। এই আদর্শ ভালো এটা শুধু কল্পনার মধ্যে রাখলে চলবে না। পৃথিবীটাকে আরও ভালো করতে হবে। চে'র বিশ্বদীক্ষা নিজের জীবনে পালন করতে হবে। রাষ্ট্রের একটা শক্তি আছে কিন্তু জনগণের শক্তি তার থেকেও বেশি। ধর্মীয় বিভাজন ঐক্যের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পারস্পরিক সম্পর্কে আমি আমার সংস্কৃতিকে শিশুর মধ্যে রোপন করতে পারি। আমাদের আরও কাজ করতে হবে মানুষের জন্য।
আলেইদা গুয়েভারার কলকাতা সফর:আগামী ২০ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে নামবেন আলেইদা গুয়েভারা ও এস্তেফানিয়া গুয়েভারা ৷ সেখানে তাঁদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকবেন অল ইন্ডিয়া পিস অ্যান্ড সলিডারিটি অর্গানাইজেশন এবং বাম ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা ৷ ওই দিনই দুপুর ১টা নাগাদ ব্যারাকপুরের ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিকটিক্যাল ইনস্টিটিউটে যাবেন তাঁরা ৷ সেখান থেকে বিকেল ৩টে ৩০ মিনিটের মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ৷ কলকাতায় রাত কাটিয়ে পরের দিন, অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি সকালে রওনা দেবেন চন্দননগর ৷ সেখানে ওই দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছনোর কথা রয়েছে আলেইদা ও এস্তেফানিয়ার ৷
ঢেঁকিতে চাল গুঁড়ো করার আমেজ এখনো কিছু কিছু জায়গায় লক্ষ্য করা যায়। পাটিসাপটা, নারকেলের পিঠা, দুধপুলি, ভাজা-পুলি, সরভাজা, ভেজানো দুধপুলি, ঘন দুধে ভেজানো দুধপুলি, ক্ষীরপুলি, নারকেল কোরা, চিনির পুর দেওয়া মুগ ডালের পিঠা, বিভিন্ন ধরনের পিঠা এই উৎসবকে মুখরিত করে তোলে।
আরআরআর ছবিটি আদতে প্রাক স্বাধীনতা সময়ের এক সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে। এটি ৮০ তম গোল্ডেন গ্লোবস পুরস্কারের জন্য সেরা অ-ইংরেজি ছবি বিভাগে মনোনীত হয়েছিল। এই ছবিরই গান ‘নাটু নাটু’ টেলর সুইফটের ‘ক্যারোলিনা’, টপ গান: ম্যাভেরিক ছবি থেকে লেডি গাগার গাওয়া ‘হোল্ড মাই হ্যান্ড’, রিহানার গাওয়া ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরএভারের ‘লিফট মি আপ’, ইত্যাদি গানগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছিল।
অন্তরে যাদের লোভের ফল্গুধারা বাইরে তারা ত্যাগীর বেশে মেশে; লোভের পাঁকে যারা নিমজ্জিত ঝৱলে নক্ষত্র তাদের যায় কী আসে।
২৮ ডিসেম্বর প্রতিবাদী সভায় গিয়েও মুখ খুলেছেন অনেকে। অনির্বাণ সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করলেন সমাজমাধ্যমেই। ‘বল্লভপুরের রূপকথা’-র পরিচালক লিখেছেন, “আমি প্রতিবাদ করছি, আরও অনেকের সঙ্গে, এটা জেনেই, যে এই প্রতিবাদ ব্যর্থ হবে। যার গায়ে হাত উঠেছে, তার গায়ে আবার হাত উঠতে পারে শীঘ্রই, এবং যিনি হাত তুলেছেন, তিনি তার সাহসে বলীয়ান হয়ে বাংলা মায়ের সুযোগ্য সন্তানের অনেকগুলো সার্টিফিকেট ঘরে বাঁধিয়ে রাখবেন।”
শীত কে যেমন রোদ দেখালে আরাম লাগে সমুদ্রের ঠান্ডা হাওয়াও এক করে দেয় ছড়িয়ে থাকা বন্ধুদের।
পাখিটা অতটা দূর্বল ছিল না শুধু এক অজানা আতঙ্কে ভয় পেত আর নতুন করে সাহস সঞ্চয় করত অসংখ্য ব্যর্থতার সিঁড়ি বেয়ে ***
নদী ঘাটে কবিতা কখনও ‘থা ‘পেতে ‘থ’ হয়ে বসে নেই এ কবির প্রতিটি শব্দই এক একটা নদী পরম্পরা বীজের উপর ভর করেই দাঁড়িয়ে ছিল, আছে , থাকবে ।
উদ্বাস্তু জীবনের কষ্ট, দারিদ্র্য নিয়ে তিনি ১৯৬১ ও ১৯৬২ সালে ‘কোমল গান্ধার’ এবং ‘সুবর্ণরেখা’ নির্মাণ করেন। দুটি ছবিই মানুষের জীবন যন্ত্রণা ও দারিদ্র্যের কষাঘাতকে সার্থকভাবে তুলে ধরে। কিন্তু জীবনঘনিষ্ঠ এই ছবি দুটি ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়নি।
গলাগলি ভাব হয় অহি আর নকুলে সকালটা চেটে খেল শিউলি না বকুলে। পাতচাটা বদনাম ঝেড়ে ফেলে দুপুরে সোনামুখে লাঞ্চ সারে , সাথে ঢুকু ঢুকু রে।
সকাল সকাল তিনি যাদবপুরের শ্রমজীবী ক্যান্টিনে চলে যান। সেখানেই তিনি ভাইফোঁটা নেন। আগে থেকেই যাদবপুরের শ্রমজীবী ক্যান্টিন প্রস্তুত ছিলেন। ছোট থেকে বড় সবাই বামফ্রন্ট নেতা বিমান বসুকে ভাইফোঁটা দেন। ঊলুধ্বনিতে ভরে ওঠে যাদবপুরের শ্রমজীবী ক্যান্টিন।
সারা ভারত সাক্ষী থাকল সূর্যগ্রহণের দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা সারা ভারতের। একের পর এক ছবিতে ভরে গেল সোশ্যাল মিডিয়া।
সামনে ধূসর প্রান্তর । তারপর হয়তো আধপেটা খাবার। আশ্রয় শিবিরে। জীবন-মৃত্যুতে চলে টানাটানি। ইতিহাস মনে রাখে দ্বিচারিতা ; প্রাচূর্যের মাঝে মন্বন্তর এখন জনশূন্য প্রান্তরে মুখোমুখি সে আর শকুনি ।
টেট উত্তীর্ণদের ধরনায় পুলিশি আগ্রাসন, প্রতিবাদে সরব অপর্ণা -শ্রীলেখা -ঋদ্ধিরা
আমার কোন সূর্য নেই, চাঁদ নেই,নেই কোন তারামেঘ ,উষালগ্ন , গোধূলিও নেই। দিন ও রাত্রিও নেই। একটা দীর্ঘ প্রসারিত অন্ধকার বিস্তার করেছে যেন, ছায়াপথগুলির মধ্যে সীমাহীন অদৃশ্য শূন্যতা।
যদি আসে মশালের পরোয়ানা জ্বালাবো মিথ্যে শাসকের জেলখানা। কাটব তেজের উষ্ণ দিয়ে; ভন্ডামির ওই ভক্তি। তবেই প্রাণের পাঁজর ভেঙে ক্ষোভ পাবে তার মুক্তি সত্যি সত্যি সত্যি।
নবমী নিশি থেকেই মন খারাপ হতে শুরু করে বাঙালির। চারদিন চোখের পলকে যেন শেষ হয়ে যায়। সকলকে কাঁদিয়ে এবার কৈলাসে ফিরে যাবেন উমা। ঘর খালি হয়ে যাবে। সেকারণে নবমীর দিন রাস্তায় ভড় থাকে একটু বেশি। প্রবাসে তার আঁচ পড়েছে। সুদূর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় বাঙালিদের পুজোর ধুম খুব বেশি। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় বঙ্গীয় পরিষদের পুজোতেও সেই আনন্দ দেখতে পাওয়া যায়।
বর্ষীয়ান শিল্পী জানান, '' দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার পাওয়া আমার কাছে বিশাল সম্মানের। আমার ৮০ তম জন্মদিনের ঠিক একদিন আগে এই সম্মান পেলাম, আরও ভাল লাগছে।''
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, গত প্রায় দেড় মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন রাজু। পরিবার থেকে শুরু করে অন্যান্য তারকা ও ফ্যানেরা, তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা করেছেন নিয়মিত। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রেখে না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন তিনি।
অভিনন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিতে চন্দন সেন ছাড়াও দেখা গিয়েছিল ব্রাত্য বসু, দেবেশ চৌধুরীদের। সম্পর্কের গল্প বলেছিল ২০২১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি। সেই ছবিতেই অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা পুরুষ অভিনেতা হিসাবে পুরস্কৃত হলেন চন্দন সেন।
স্টুডিওর ঝাঁ চকচকে গল্প বলার বাইরে ‘নিউ ওয়েভ’ সিনেমা দেখিয়েছিল সমাজের আসল চিত্র। তবে শুধুই সমাজ নয়, গদারের ছবি মানে এক মনস্তত্ত্বও। গোটা বিশ্বের অসংখ্য চলচ্চিত্র পরিচালকের অনুপ্রেরণা এই ফরাসি কিংবদন্তি। ১৯৩০ সালে প্যারিসে জন্ম হয় জঁ-লুক গদারের। পরিচালক হিসেবে তাঁর শুরুর সময়টা সবথেকে বেশি আলোচিত।
বেয়াব্রু শাসকের দু'গালে কালিমা দিগ্বিদিকে রব ওঠে "চোর চোর চোর" --- বেনামী সম্পদ তাদের গোপন ডেরায় দু'হাতে শুধু লুট আর বিদেশে পাচার সোনা পাচার আর শিক্ষাকে নরকে পাচার নেতা-মন্ত্রী সারবেঁধে জেলের টিকিট কাটে জনগণ চটি হাতে থাকে অভ্যর্থনায়।
জীবনের পাশে চড়াম চড়াম ভোট দিলেই পাবি দড়াম দড়াম, নকুল দানা সব পাচ্ছিস ফ্রী সন্মান টন্মান কর বিক্রি।
উত্তর ও কমিটিগুলি নানা থিমের সুসজ্জিত রেপ্লিকা প্রতিমা নিয়ে এসেছেন। নানা রং, বৈচিত্রের দেখা মিলছে এই মিছিলে। কোথাও রঙিন মুখোষ, কোথাও ফানুশ, কোথাও আবার লাল পাড় সাদা শাড়িতে শঙ্খ হাতে মহিলাদের ঢল। সব মিলিয়ে উৎসবের নানা রঙে মেতে উঠেছে শহর কলকাতা। রাজপথে দেখা যাচ্ছে মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিদের। ঢাকের তালে তালে দলের সদস্যদের বল জাগলিং করতে দেখা যাচ্ছে।
১৯৫৫-র আগের উত্তমের সঙ্গে পরবর্তী উত্তমকে প্রায় মেলানোই যায় না। আবার ১৯৬০-উত্তর উত্তম যেন আরও এক বিস্ময়। ১৯৬৫ পরবর্তী সময়ে উত্তম যেন প্রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। ততদিনে তাঁর চেহারা, অনাবিল হাসি, অকৃত্রিম চাহনির সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছে গভীর রোম্যান্টিক কণ্ঠস্বরে অপূর্ব ডায়ালগ-থ্রোয়িং, অসামান্য ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন এবং চরিত্র ও পরিপার্শ্ব মিলিয়ে সহজ কিন্তু নিটোল অভিব্যক্তি।
সেরা বাংলা ছবির শিরোপা পেল পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র পরিচালিত ‘অভিযাত্রিক’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপরাজিত উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি এই ছবি। অভিযাত্রিক ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্জুন চক্রবর্তী ও দিতিপ্রিয়া রায়।
যেতে চাই সুরের উৎসমুখে তোমারই কাছে পৌঁছাব কীভাবে, কতদিনে--- অজানা সে সব অনন্তের স্বপ্ন দু'চোখে মেখেছি, পড়ে থাক বাসা, সুরের ঝর্ণাধারায় ভেসে, ফেলে যাব সব কাঁদা-হাসা।
এখানে উল্লেখ্য, অ্যানথরাক্স একটি ব্যাকটেরিয়ামের মাধ্যমে ছড়ায়। মূলত পশুরাই আক্রান্ত হয়। তবে আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে এলে মানুষও আক্রান্ত হতে পারে।
ছায়া হয়ে ছেয়ে রয়েছি তুমি পথিক হয়ে এসো, ভিষন রোদে আগুন গরমে তুমি ছাতা হয়ে থেকো। ফল হয়ে ফলেছি তুমি আশা হয়ে এসো,
যেদিন পুড়বে শহর ছুটবে মানুষ রক্তচোখে মিছিল থেকে মিছিল হবে রাজপথে ফের জুড়বে মানুষ ধ্বংস হবে মিথ্যে ফানুস, মানুষ এসে পথ দেখাবে
নিরাপত্তা কর্মী ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে জানিয়েছেন, “যত মানুষ বসতে পারে তার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ সেদিন ঢুকে পড়ে। পাঁচিল টপকে, গেটের দরজা ভেঙে ঢোকেন অনেকে। সিটগুলির পিছনদিকে কাঠের পাটাতন বা তক্তার মতো রাখা হয়েছিল মানুষ দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেগুলিতেও এত মানুষ দাঁড়ায় যে ভেঙে যায় সেটি।
কেকে ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম বহুমুখী গায়ক। তিনি হিন্দি, তামিল, তেলেগু, কন্নড় এবং বাংলা-সহ বেশ কয়েকটি ভাষায় গান রেকর্ড করেছেন। গায়ক কেকে কলকাতার নজরুল মঞ্চে তাঁর কনসার্টের ছবি পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কাউকে বুঝতে না দিয়েই তিনি এদিন চলে গেলেন। গান গাইতেই গাইতেই চলে গেলেন
একটা সমকোণের 'ক' বিন্দুতে তুমি 'খ' বিন্দুতে লেখা আছে জেহাদ বিচ্ছিন্নতার বিপরীতে, অন্য বিন্দুতে তুমি নিশ্চিহ্ন।
আর দূরত্ব যেন না বাড়ে মন্দির-মসজিদে সব রঙ মিশে যেন মানবতার রঙে মাটিতে দাঁড়িয়ে যেন দেখতে পাই দিগন্তে উন্মুক্ত নীলাকাশ ;
এখন হাজার হাজার জালিয়ানওয়ালাবাগ আমার শহরে, দেশে,পাহাড়ে, বন্দরে। একটাও চিঠি লেখার লোক নেই, আটলান্টিস শহরে সবাই মাটির নীচ দিয়ে হাঁটছে
শোকের মেঘে ম্রিয়মান সোনাঝুরি সূর্যনিকেতন, এইভাবে বেলা যায় যদি চোরেরা নিয়ে যাবে স্বপ্ন ইচ্ছা সম্মান সব ,হে অপরাজিত পুরুষ আমরা চাই আপনাকে রোদ্দুরের দাওয়ায়, সহস্র মানুষের গানে হবে নবান্ন উৎসব।
ময়ূর হয়ে পেখম মেলিস্ নদীর ধারে ধারে কৃষ্ণচূড়ার তলে--- ভিজিয়ে দিবি শুকনো মাটি প্রাণ অফুরাণ ছড়িয়ে দিবি ঘাসে---
শব্দরা-মিথ্যে আর অগভীর ছায়া ছাড়া আর কী! চারপাশে জাগছে জীবন ... তোমার ভিতর- মৃত ক্লান্ত এই আমি বইয়ে দেব আমার ভিতরের সবটুকু শক্তি। যদিও বিশ্বের ঈর্ষণীয় ঈশ্বর বহু আগে থেকেই গভীর দৃষ্টিতে পরখ করে চলেছেন মানুষের অভ্যন্তরীণ আগুন এবং চিরদিন দরিদ্র মানব ঈশ্বরের বুকের জ্যোর্তিময় সাংঘর্ষিক শব্দে আহত; যেহেতু, আত্মার মধুর আলোকের প্রতি বন্য গতিতে নির্গত হয় আবেগ;
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রপরিচালক আদুর গোপালকৃষ্ণন তার বক্তব্য সত্যজিৎ রায়ের প্রতিভা তার শারীরিক দীর্ঘতার চেয়ে আরো অনেক বড় বলে অভিহিত করেন। গোপালকৃষ্ণ বলেন কিভাবে পথের পাঁচালী তাকে মুগ্ধ করেছিল তার দ্বিতীয় মুগ্ধ হবার জায়গা অপরাজিত। সিনেমার ডিটেইলিং সত্যজিৎ রায় কে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছিল
বড়ো মনে পড়ে- কিশোর,সুধা দিদি... পায়ের পাতা চিরে গেলে তোমাকে মনে পড়ে প্রেয়সী মাধব।
ডারউইন ইউরোপে মানুষের চেতনার জগতে বিপ্লবের প্লাবন আনেন। তাই নিশ্চিত ভাবেই উদ্ভিদের স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাপারে ভিক্টোরিয়ান যুগেই প্রথম শোনা যায়। এই গবেষণার পিছনে ছিলেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউটের এপ্লায়েড স্ট্যাটিসটিক্স বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক পবিত্র পালচৌধুরী, নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের বোটানি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শুভদীপ চক্রবর্তী ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গবেষক অন্তরা সেনগুপ্ত।
আয়োজক সংস্থা একটি প্রযোজনা পরিবেশন করে নাটক রক্তজবা। নাট্যরূপ পরিচালনায় ভাস্কর পাল। সব শেষে উপস্থিত সকলের মিষ্টিমুখের আয়োজন করেছিল একটি প্রযোজনা।নির্দেশক ভাস্কর পাল জানান, আগামীদিনে পাড়ায় পাড়ায় নিয়মিত নাট্যচর্চার প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে এই স্থানে প্রতিমাসে নিয়মিত নাট্য আয়োজনের উদ্দ্যোগ নিতে চলেছি।
ইঁদুর-রাজ হেঁকে বলে--- " ভয় কী তোদের আমি আছি না? বেজায় লম্বা হাত যে আমার। এই রাজ্যে আমি ছাড়া সবই তো ভাই খাম্বা।"
হতভম্ব শোকের মুখোমুখি এই যে অসংখ্যবার—আমাদের রোজ দেখা হয় মিছিলের শেষ মানুষটার কাছে রেখে আসি মৃত্যুভার খুলে যায় রেখে আসি রেখে আসি আজ নয়,কাল,কোনো একদিন
পূর্ণিমা নিশির চাঁদটাও রঙিন হব ভেবেও কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে গেল। মেঘেদের কাছে ডেকে প্রশ্ন করে "আজ কি বসন্ত?" মেঘেদের ছোট খন্ডটা, যার শৈশব কাটেনি এখনও হাই তুলে বলে "তুমি বুঝি থাকনা এ দেশে?
*বিদ্বেষের রাজনীতি বিরোধী জনমঞ্চ'র বিবৃতি* আমাদের রাজ্যে এক তীব্র ঘৃণা ও বিদ্বেষের পরিসর নির্মাণ করা হচ্ছে পরিকল্পিত ভাবে। বীরভূমের রামপুরহাটের বকটুই গ্রামের ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত। যেভাবে মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, তাতে- "এই রাজ্য একটা জতুগৃহ", এই কথা আর শুধুমাত্র রূপক নয়, ঘনঘোর বাস্তব, নৃশংস বাস্তব। এই অকল্পনীয় অরাজকতাকে ধিক্কার জানাবার ভাষা আমাদের জানা নেই। আমরা অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এই গণহত্যার যে রাজনৈতিক মাত্রার কথা গণমাধ্যমে উঠে আসছে সেই বিদ্বেষমূলক রাজনীতির আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা অবিলম্বে এই নরসংহারের রাজনীতির অবসান চাই।
বুধবার রাতে একটি চ্যানেলের শুটিংয়ে ছিলেন অভিনেতা। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ অবস্থাতেই ফিরে যান বাড়িতে। রাতে বাড়িতেই শুরু হয় চিকিৎসা। স্যালাইন দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হল না। রাত ১ টা নাগাদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়।
কতটুকু চাইবার আছে! কতটুকু বা পাওয়ার, স্বেদ বিন্দু ঝরে ঝরে, বৃষ্টি পাতায় জলের বন্ধুতা, চোখেও তো ঝরে জল, কেন তবে ধোঁওয়া চারিদিক, ফেলে যাওয়া পোশাকের সারি, ভাঙা গাড়ীর পাঁজর------
হোলির দিনে যখন দিকে দিকে উদ্দামতা , শান্তিনিকেতনে তখন সুশৃঙ্খল আনন্দগান ও নাচের অনুষ্ঠান। সকালে সবাই গাইছে , ‘‘ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল …।’’ ধর্মের ছুঁতমার্গ, সামাজিক বিধিনিষেধ বা লোকাচারের বাড়াবাড়ি— এর কিছুই আসতে পারেনি রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনে, শান্তিনিকেতনের বসন্তোৎসবে।
এখন বসন্ত সহবাস?এই প্রশ্নে পাশের দেবতাটি পরিশোধ যোগ্য।ঋতু নিরুপায়।আর রাত্রি নয়,এখন শিহরণ।খুব স্বাভাবিক দাঁড়ানো,মানে যেভাবে অতীত অদিতে টিলার ওপরে শব্দ নয় ছন্দ নয়।দূরে পূরবীর সাথে,দূরে মাধবীর সাথে- পাথরে,মৃত্তিকার দ্বিপ্রহর।জলরং উড়ে আসা শুকনো স্বরলিপি,বসে থাকা স্থানু।কি তোমার স্পর্শের যোগ্যতা?সজীব?মূর্ত?
নির্বোধ নদী মানে না বারণ কারো, জলোচ্ছাসের প্লাবনে ভাসাতে চায়, ভেঙে দেয় যত বাঁধ, ফাল্গুন ডাকে ঘন ঘন বৈশাখে; মেরুদণ্ডে বাকিরা বেঁধেছে লাঠি।বৃহন্নলারা ঘরে ঘরে মোতায়েন,
একসময় বলিউডের অন্যতম শক্তিশালী চার অভিনেতা এক ফ্রেমে। নাসিরউদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক, সুপ্রিয়া পাঠক এবং পঙ্কজ কাপুর।
এই দিগন্ত বিস্তৃত শিক্ষাঙ্গণ,অপূর্ব মনোরম বৃক্ষরাজি, শিক্ষক কূলের অদ্ভুত স্নেহময়তার সাথে কঠিন জ্যোতির্বিজ্ঞান এর শিক্ষা দান,কে চায় এই সব কিছু ছেড়ে রুক্ষ জীবন যাপনের দিকে পা বাড়াতে? কে চায় প্রাজ্ঞ অতীশ দীপঙ্কর এর বাহুডোর মুক্ত করে শুধু চাওয়া আর পাওয়ার হিসাব কষতে? তবু যেতে হবে।এই শিক্ষা তীর্থভূমির তেমনই নিয়ম।
মনের তমসা কাটে পাখপাখালির কলরবে, দোতলার ঝুলন্ত বারান্দার নিচে চোখে পড়ে শহর থেকে অদৃশ্য এক ঝাঁক পাখির মিলন-মেলা। শালিক অনেকগুলো--- জোড় না বিজোড় গুনিনি তখনো, কিন্তু একটা চড়াই---আশ্চর্য চমকে উঠেছি।চঞ্চল চোখ অনেক খুঁজেও পায়নি অপরটি। একটাই কাঠ-ঠোঁকরা লম্বা ঠোঁটে আমের গাছে ধরছিল পোকা।
সাত এবং আটের দশকে হিন্দি ছায়াছবির দুনিয়ায় জনপ্রিয় নাম ছিলেন বাপ্পি লাহিড়ী। ডিস্কো ডান্সার, চলতে চলতে, শরাবি-র মতো হিট হিন্দি ছবিতে গানে সুর দিয়েছেন তিনি। তেমনই বাংলায় অমর সঙ্গী, আমার তুমি, আশা ও ভালবাসা, অমর প্রেমের মতো হিট ছবির গানে সুর দিয়েছিলেন তিনি। বহু গান গেয়েছেন তিনি।
ক্লাসিক্যাল সঙ্গীতের পাশাপাশি ফিল্মি দুনিয়াতেও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া গানের সংখ্যা নেহাত কম নয়। এই পথ যদি না শেষ হয়, এ শুধু গানের দিন, এসো মা লক্ষ্মী বোসো ঘরে, চম্পা চামেলি গোলাপেরই বাগে, আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি.. তাঁর কণ্ঠে এহেন অজস্র গান শ্রোতাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রথমবার জলে নামার সময় তার বয়স ছিল মাত্র ৩ দিন। মাত্র ৯ মাসের মাথায় সে নিজেই সমুদ্রের জলে ভেসে থাকার পদ্ধতি আয়ত্ত করে ফেলেছিল। আর আড়াই বছর বয়সের মধ্যে সাঁতারও শিখে ফেলেছিল। বাবার সঙ্গে প্রথম স্কুবা ডাইভিং-এ নামা ৫ বছর বয়সে। অরবিন্দ চেয়েছিলেন তাঁর মেয়ে সমুদ্রকে ভালোবাসুক
আবগহনের ঋতু মনে পরে, ঘুম ভেঙে গেলে আরও একমূহুর্ত দেখি, স্বপ্ন! পায়ের পাতায় লেগে আছে ধুলো-বালি আর কাজলের টিপ!
রাজা চায় শুধু ছোটদের যুদ্ধ শেখানোর ইঙ্গিত। চোখের ভিতর চাকচিক্যময় অকাট্য সব ভিডিও ক্লিপ। যুদ্ধ আর যুদ্ধ। বুকপদ্মে বাকযুদ্ধের অস্ত্রের সংলাপ। মুখস্থ হয়েছে নির্জলা ঘৃণা। গান্ধীর চশমাকে রাজবেশ পরিয়ে পরিপাট্য মিছিলে নগরভ্রমন। সামনে দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ধূলাগড়,বসিরহাট। ঐখানে একটা নদী আছে। অসংখ্য চিৎকার আছে। লাশ আর ক্ষুধা।
তুমি ছিলে, তুমি আছো,হৃদয় স্পন্দিত বুকে জ্যোতি অনির্বার।
অন্ধকার থেকে ছায়াশূন্য আলোর-পথে যাত্রী আমরা প্রাত্যহিকের আলো নয়,আমরা চাই যুগান্তের দীপ্তি যে আলোয় থাকবে অন্ধকারের অবসান, ছায়াশূন্যতার বজ্রঘোষণা--- পাঁচশো বছরের বন্ধা-ব্যবসার সমাপ্তি টেনে উজ্জ্বল হবে মানুষ আর মনুষ্যত্বের জয়গান
অবশ্যি তাতে ভালোই হবে, এগারো জনের পুরো ফুটবল টীম, আপনি ক্যাপ্টেন, তারপর আবার খেলা হবে, টাকদুমা দুম খেলা হবে।
"মেয়েদের কথাই বেশি করে ভেবেছি। কারণ তাদের অসহায় অবস্থা চোখে পড়েছে বেশি... তাদের অবরোধ সমস্যাই আমাকে সবচেয়ে বেশি পীড়িত করতো। ছোটবেলা থেকে দেখছি তো সেই বন্ধনদশাগ্রস্ত অবস্থা। তাছাড়া মেয়েদের সর্ববিষয়েই তো ছিল অনধিকার।’’
তাই কপাটের ভিতর দেহলি আ-বুক জড়ানো রক্ত কার ? খুলে ছিঁড়ে দিস মহোৎসবে মেপে নিয়েছিস মাংস-হাড় ?
আমার দেশের মাটি, কেটে গেছে বত্রিশটি বছর। যখন স্বেচ্ছাচারী শাসকের কালো নখগুলি ওপরে তুলে ধরছিল ওর চাবুক, লাল পতাকা জাগ্রত করেছিল ভূমিদাসকে, হাতে যার টাঙ্গি,
মিত্রা তাতারকে আদর করতে করতে বলে নাম তার হরিনাথ নিরামিষ মক্কেল চাই তার ভরপেট মাংস ও কতবেল। বলেই হো হো করে হেসে ওঠে।বলে "একটু স্ল্যাং হয়ে গেল না?" তাপস এই সব কতবেল,হরিনাথ এর কিছুই বুঝতে না পেরে বোকার মত তাকিয়ে থাকে।বলে "অনেক হয়েছে এবার খেতে যাও।"
প্রয়োজন ফুরাবে টেলিভিশনের নিউজ চ্যানেল খুলে ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে আর গু খাবে না শুচিবায়ুগ্রস্ত সমাজ আস্তিন গুটিয়ে বিবেকের ভঙ্গিমায় তর্জনী নেড়ে কেউ বলবে না যে ওর খাতে বরাদ্দ নেই কোনো মাটি।
ভবঘুরে নিতাই ওলাইচন্ডী তলার দাওয়ায় বসে খ্যাঁক খ্যাঁক করে খানিকটা হেসে বলে "ঠাকুর যদি শালা সত্যিই খেতো কেউকি এত আয়োজন করে দিত?" "মর্কট" বলে চটি খুলে তেড়ে যায় বৃদ্ধ পন্চানন পুরুত।
তবে বক্সা বাঘবনের ভিতর ঠিক কোন জায়গায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবিটি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে তা অবশ্য ব্যাঘ্র প্রকল্পের পক্ষে জানানো হয়নি।
"৮/১২" ছবির মধ্যে দিয়ে যে সেই ঐতিহাসিক ঘটনাই পরিবেশিত হতে চলেছে দর্শকদের সামনে, ছবির ট্রেইলারে তা সুস্পষ্ট। ‘এগারো' ও 'হীরালাল’ খ্যাত পরিচালক অরুণ রায় পরিচালিত এই ছবিতে বিনয় বসু -র ভূমিকায় অভিনয় করেছে কিঞ্জল নন্দ, বাদল গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছে অর্ণ মুখোপাধ্যায় ও দীনেশ গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রেমো।
বলে ----তুর বড় বাড় বেড়িছে। ইখনও সময় আছে।রাজি হইয়ে যা। তুর মাথায় সিঁদূর দুঁব। তুকে আমার মনে ধর্যেছে।
বারবার অগ্নি পরীক্ষায় পরিশুদ্ধা তুমি অহল্যা-সুন্দরীর মত অসাধ্য সাধনায় ভেদ করলে অভিশাপের মেঘ। এখন বোধের পাদানিতে রেখেছ পা' কুয়াশার অলি-গলি, অচেনা অজানা বন্ধুর রাস্তা।
সে গিয়ে দেখে সম্রাট একটা দশাসই লোককে প্রায় কাবু করে ফেলে বুকে পা দিয়ে চেপে রেখেছে । ততক্ষণে সিপাইরা সেখানে পৌঁছে গেছে । সিপাইদের হাতে লোকটাকে ছেড়ে দিয়ে বলে “ সাবধান ! আমরা না ফেরা পর্যন্ত এটাকে বেঁধে রাখো । খতরনাগ লোক এটা । সুযোগ পেলেই পালাবে । “
সুন্দরের পাপবোধ থাকে না, শুধু নিষ্পাপ মৃত্যুর মত বিনিদ্র রাতে পুড়ে যায় মোমবাতী।
এক নিথর নিস্তব্ধতা নেমে আসছে রিসর্টে । খুব মৃদু স্বরে ভেসে আসছে সূর মূর্ছনা । অনিন্দ্য বুঝতে পারে এই রিসর্টেরই কোনও কোন থেকে ভেসে আসছে এই অপূর্ব শিল্পকলা । নিজের মনেই বলে “ অপূর্ব রাগ বাগেশ্রী “
চিকিৎসকদের মতে, জনি, কার্লোস এবং তাদের মতো গ্রামের অন্য অনেক শিশু এক বিরল জিনগত রোগে আক্রান্ত। রোগটির নাম ফাইভ আলফা রিডাকটেজ ডেফিসিয়েন্সি। ফাইভ আলফা রিডাকটেজ মানব শরীরের একটি উৎসেচক। এই উৎসেচকের ঘাটতি দেখা দিলেই এমন ঘটনা ঘটে।
শুধু শ্রমের আগুনে রান্না হয়েছে ভাত, আজ শেষপাতে শুধু পড়ে কয়েকটা দানা কৃষকের কাছে ঋণী থাকে প্রতি গ্রাস। তবু শোধের বদলে আগ্রাসী মালিকানা!
ছোট্ট কিশোরী হাসভি আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে বলে ' এ এক দুঃসাহসিক অভিযান, মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো এমন একটি পর্বতশৃঙ্গ যেখানে আপনি সমস্ত রকম আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুভব করতে পারেন। আমিও এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গেছি'
আজ যত জল ঝরছে সারাদিন, হাত পেতে মন ধরছে তোমাকেই। বাইরে তো চুপ থাকাই সমীচীন যাবার সময় পিছু ডাকতে নেই।
কদিন আগে আবার আমার শ্যামাপদ গড়াই আর কাফিল খানের মধ্যে গন্ডগোল হয়ে যাচ্ছে, এবার একটু ভয় পেয়ে গেলাম, এ্যালজাইমার নয়তো ?
আমার কখন ঘুম এসে যায় বাবার মুখ দেখে। আর তুমি ঘোড়া ছুটিয়ে একবার বাবার ঘুম থেকে ঢুকে পরো আমার ঘুমে, আমার ঘুম থেকে ভাইয়ের ঘুমে।ঢ
তবু জীবনের শুকনো ডালে আসে সবুজ কচি কচি পাতা, দক্ষিণের সুবাতাসে পৃথিবী সাজায় তাকে। ঝরে যাওয়া বকুলও সুগন্ধ ছড়ায় দিনে রাতে।
তলিয়ে দেখলে এর মধ্যে পুরুষ শাসিত সমাজের গুঢ় মনোভাব ও মানসিকতার আঁচটা খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। একটা 'মিথ', ভাইফোঁটার এই আবেগকে লালন করে আসছে পুরনো কাল থেকে আর তার গোড়ায় আছে পুরুষের কর্ত্তৃত্বে ও পরিচালনায় পুষ্ট সমাজ, যেখানে পুরুষের দীর্ঘ জীবন কামনা করা যতটা জরুরি, নারীদের জন্যে ততটা নয়। কারণ পুরুষ পরিবার প্রতিপালন করে, সমাজ পরিচালনা করে, দেশের প্রশাসন চালায়। মিথটা হলো, মৃত্যুর দেবতা যম তার বোন যমুনার হাতে ফোঁটা নিয়েছিলেন।
দৃপ্ত কন্ঠে বলল"মায়ের হাতটা ছাড় দিদি, আমি উকিল নিয়ে এসেছি, তোর এই বাড়িদখল করা আর হল না"।বাড়ির উইলটা মায়ের হাতে ফেরত দিল অপরাজিতা। মেয়ে অপরাজিতাকে জড়িয়ে ধরে "অপা আমি আজ তোর জন্য রত্নগর্ভা " বলে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনোরমা
জানা গিয়েছে প্রজাতিটি প্রায় ৫ লক্ষ বছর আগে মধ্য প্লেইস্টোসিন যুগে বাস করত। গবেষকরা জানান আধুনিক মানুষের সরাসরি পূর্বপুরুষের ছিল এই হোমো বোডায়েনসিস। এই নামটি ইথিওপিয়ার আওয়াশ নদীর উপত্যকায় পাওয়া একটি খুলি থেকে এসেছে।
মেটাভার্স, একটি শব্দ যা তিন দশক আগে একটি ডিস্টোপিয়ান উপন্যাসে প্রথম উদ্ভাবিত হয়েছিল। মেটাভার্স মানবজীবনে আরও বেশি করে প্রাসঙ্গিক হবে বলে বিশ্বাস জুকারবার্গের। সংস্থার নাম বদল সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে জুকারবার্গ বলেন, ‘গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে মেটাভার্সের প্রয়োজন হবে। যেমন কাউকে আপনার স্পেসে ঢোকা থেকে আপনি নিজেই তাঁকে ব্লক করতে পারবেন।
সুদূর দিগন্তে কে যেনো তবু হাতছানি দেয় প্রাণের আবেগ-তাড়িত চেতনা তারই দিকে ছোটে। G
আগামী ২৮ অক্টোবর ফেসবুকের কানেক্ট কনফারেন্স। সেই দিনই নাম পরিবর্তনের বিষয়ে ফেসবুকের প্রধান মার্ক জুকারবার্গ আলোচনা করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
সব হারানো সূর্যমুখী ছাই মানচিত্র জুড়ে ছেয়ে থাকে হাহুতাশ এবার আশ্বিনের কাশে পড়বে ঘাই চতুষ্কোণ মেপে নেয় বিরুদ্ধ বাতাস।
"স্নান সারা হল। সাথে ছিল একগাদা রাখি । হাতের কাছে ছেলে মেয়ে যারা ছিল কেউ বাদ পরল না, সবাইকে পরানো হল। পাথুরেঘাটা দিয়ে আসছি, দেখি বীরু মল্লিকের আস্তাবলে কতোগুলো সহিস ঘোড়া মলছে। হঠাৎ রবিকাকা ধা করে বেকে গিয়ে ওদের হাতে রাখি পরিয়ে জড়িয়ে ধরলেন। ওরা সকলেই মুসলমান। ওরা তো হতবাক’।"
মহাষ্টমীর সকালে খাওয়া হবে খিচুড়ি, লাবড়া, মিষ্টিকুমড়ার ছক্কা, মুচমুচে কুমুড়ি, চাটনি, দই। রাতে লুচি, বেগুন ভাজা, আলুর দম, রাবড়ি, রসগোল্লা এসব।
শ্রীভূমির এবারের আকর্ষণ এই বুর্জ খলিফার আদলে মণ্ডপ এবং মণ্ডপ থেকে ছিটকে পড়া লেজার রশ্মি। যা উপর থেকে দেখলে আলো ঝলমলে লাগে। কিন্তু তাতেই গোলমাল। দমদম বিমানবন্দরে ওঠা-নামা করা বিমানগুলির পাইলটের বেজায় সমস্যা হচ্ছে এই ১৪০ ফুট উঁচু মণ্ডপের লেজার রশ্মির ফলে।
পুজো মানেই ডায়েট ভুলে খাওয়া। রাস্তার খাবারের বিরুদ্ধে যতই চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিষেধ থাকুক, পূজোর কদিন কে নিয়ম মানছে? শুধু খাওয়া আর খাওয়া। দেখা যাক বাঙালীর ভিড়ে, লাইন লেগে যাবে কোন কোন খাবারের স্টলের সামনে।
আগুন - জলে মাখামাখি কান্ডারী, তুমি কী চোখে দেখবে আমায় আমি কেবল ভাবের ভান্ডারী ।
রায়গঞ্জের কসবার বাসিন্দা অনীক মন্ডল , আর অশোক নগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল নবম শ্রেণীর ছাত্র তুহিন কুন্ডু
বন্ধ দরজার দিকে অবিকল আমি। খোলা দরজার দিকে আমারই মতোন কোনো লাশ!
‘আমায় ডেকেছো বাছা?’ বাইরে বেরিয়ে এসে পাদ্য অর্ঘ্য দেন রাণী দ্রৌপদী, ‘আসুন ঋষিশ্রেষ্ঠ। আপনার বিরচিত ‘জয়’ কাব্যটি এসময়ে শোকের ওষধি, রোজ পাঠ করি আমি । কিন্তু মহাত্মন, দ্যূতক্রীড়া পর্বটি একেবারে নয় যথাযথ কেন সেটা বুঝতে পারিনি।
শীর্ষেন্দু তাঁর সৃষ্টির জন্য এর আগেও একাধিক পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ১৯৮৯ সালে ‘মানবজমিন’ উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। তাঁর ইতিমধ্যে প্রাপ্ত সম্মান বিদ্যাসাগর পুরস্কার (১৯৮৫), আনন্দ পুরস্কার (১৯৭৩ ও ১৯৯০)। ২০১২ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে বঙ্গবিভূষণ সম্মান পান প্রবীণ সাহিত্যিক।
মানুষ একটা কী সব লিখছে --বলছে কি সব পথে-- হেঁটে যায় একা নিজের খেয়ালে..নেই খুব তাড়াহুড়ো.. কেমন মিশছে মানুষের ভিড়ে চড়কতলার রথে ..
তিনি বর্তমানে বলিউড ইন্ডাস্ট্রির অবস্থার সাথে হিটলারি জমানায় জার্মানির তুলনা করেছেন। বলেছেন, সেই সময়ও বিশ্বমানের পরিচালকদের নাৎসি আদর্শ নির্ভর ছবি তৈরি করতে বলা হত।
মৃত্যুদুত হানা দেয় অবৈধ শ্বাদন্ত নিয়ে, ভুলে যায় সমস্ত দেয়ানেয়া, হানে কাপুরুষত্বের কৃতঘ্ন আঘাত।
থিওডোরাকিসের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা মাতৃভূমিকে নাৎসী দখলদারি থেকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে গড়ে ওঠা ফ্যাসিবিরোধী কমিউনিস্ট যুব প্রতিরোধ বাহিনীতে যোগ দিয়ে। তারপর গ্রীসের কমিউনিস্ট বনাম রাজতন্ত্রীদের গৃহযুদ্ধ
ব্রত কথা না বাড়িয়ে পঞ্চাশ টাকা বার করে দিলো। বৃদ্ধার আর একটু হলে ভালো হয়।ব্রত কিছুটা বিরক্তি নিয়ে আরো তিরিশ টাকা দিলো। বৃদ্ধা চলে গেলো বটে, তবে খুব একটা বোধহয় খুশি হয় নি।ব্রত আর কতই বা দেবে।আর দু'একজনের কাছে দেখুক।
মহা-সভাস্থলে উচ্ছৃঙ্খল দুঃশাসন মহা-কান্তার আব্রু ধরে টানাটানি করে, প্রতিবাদ প্রতিরোধ স্তব্ধ করে দিতে দুর্যোধন ছড়ায় বিদ্বেষ আর বিভেদের বিষ, প্রহরীর চাবুকে বিক্ষত ন্যায়ের পতাকা।
রবিবার আর শেষরক্ষা হল না। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। রাত ১১.২৫ নাগাদ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর।
এক ছাত্র রৌশন কুমার বলছেন," এই চারাগাছের জন্যই আমি মুম্বাইয়ে আয়কর বিভাগে চাকরি পেয়েছি, না হলে আমাকে বেঁচে থাকার জন্য বাবার মতোই রাস্তার ধারে বসে মশলাপাতি বিক্রি করতে হতো।" তীব্র আর্থিক দুরবস্থা রৌশন কুমারের জীবনের সব আশার আলো নিভিয়ে দিয়েছিল কিন্তু এই কোচিং প্রতিষ্ঠান তাকে নতুন জীবনের স্বাদ দিল।
রাজার নীতি আজ ভ্রষ্টতা বিবেক চেনায় মৃত্যু, মুখোশ পরা জগৎ নিরব প্রত্যেকে যেন শত্রু।
বয়স্কা বৃদ্ধা কুন্তী তার অঘোষিত বীর সন্তানকে শেষ অনুরোধ করতে যুদ্ধক্ষেত্রে। তাই ঠান্ডা লাগা গলায় বেশ মানাবে। আমরা সবাই হেসে উঠলাম। তারপর মঞ্চস্থ শ্রুতি কবিতা। সে তো ইতিহাস হয়ে রইল।
জানা গিয়েছে, করোনা ভ্যাকসিনের দু'টি ডোজই নিয়েছিলেন তবলা মায়েস্ত্রো। কিন্তু, করোনা সংক্রমণ ততদিনে তাঁর ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে দিয়েছিল।
বাঃ কাল তো রাখি । রাখি পরব না? ও! তোর বোন আছে ? আর ঘুড়ি উড়বে। এখন যাই বৃষ্টি আসছে।
একদিন রাতের ট্রেনে অজ্ঞান অবস্থায় এই রেসিডেনশিয়াল কমপ্লেক্স ওনার্স অ্যাসোশিয়েশনের চেয়ারম্যান ডাক্তারবাবুর চোখে পড়েছিল। তিনিই দয়াপরবশ হয়ে কমপ্লেক্স এর কমিউনিটি সেন্টারে রিক্রিয়েশন ক্লাবরুমে ওকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। দিনরাত সবার ফাইফরমাস খাটে।বদলে কমপ্লেক্সের বাইরের পাইস হোটেলে চারবেলা খেতে পায়।
"যুদ্ধ কই ভাই?ওই দ্যাখ,আকাশ জুড়ে ওই পাখি উড়ে যায়,ফিরে আসে কতো.....!"আবার কপালে চুমু খায়,বলে "আমার ভাইয়ের মুখে যুদ্ধের ছায়া যেনো না পড়ে কক্ষনো !"
আজ সকালে ওরা দুজন একটা গাড়ি করে বনগাঁ যাচ্ছে বেড়াতে। স্বাধীন কোনোদিন বর্ডার দেখেনি, দুর্গা দেখেছে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে।
যদি ‘ছবি লেখেন’ অবন ঠাকুর তবে ‘কবিতা আঁকেন’ রবি ঠাকুর এই কথা বললে অত্যুক্তি হবে না । তিনি একইসঙ্গে কবিতাকার ও ছবিতাকার। কবিতাকার- ছবিকার মিলমিশ তৈরি করেন ছবিতা । এই শব্দটি এক বন্ধুর সাথে কথোপকথনের সময় মুখোমুখি কুড়িয়ে পাওয়া । ভালো লেগে গেল আর বসিয়ে দিলাম সঙ্গে সঙ্গে ।
"অসত্য হইতে আমাকে সত্যে লইয়া যাও, অন্ধকার হইতে আমাকে জ্যোতিতে লইয়া যাও, মৃত্যু হইতে আমাকে অমৃতে লইয়া যাও। হে স্বপ্রকাশ, আমার নিকটে প্রকাশিত হও। রুদ্র, তোমার যে প্রসন্ন মুখ, তাহার দ্বারা আমাকে সর্বদাই রক্ষা করো। রবীন্দ্রনাথ ভাববাদী - একথা চট করে মেনে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হই। প্রকৃতপ্রস্তাবে এই ধারণাকে নস্যাৎ করার ক্ষেত্রেও সেই দ্বন্দ্বমূলক বস্তবাদের কাছেই আমাদের ফিরতে হয়।
লালমাটির রাস্তায় পড়েছে কালো পিচের আস্তরণ। মাটির সাথে সাথে ঢেকে দিয়েছে আবেগ। ধীরে ধীরে খোয়াই যাচ্ছে খোয়া। এখন সে নালা। দিন গুনছে ইতিহাস হওয়ার অপেক্ষায়।
মানুষ মরলে সেই শোক - গল্প- কড়চা বাউলের গানে মানবজমিন থেকে মানবজমিন শুধু নীরব ভাষার ব্যথায় বা হাহাকারে হয়ে ওঠে পৃথিবীর অশ্রু বারবার!
Forging An Audacious City - A Participatory Perspective" বইতে লেখক গৌতম দেব লিখেছেন তার অনবদ্য বর্ননায়। নগরায়ন উন্নয়নের প্রথম শর্ত। পরিকাঠামো থেকে বাসস্থান উন্নত করা রাজ্যের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
ইউনেস্কোর গ্লোবাল রাইটিং কম্পিটিশনে’ ১৪-১৫ বছর বয়সী গ্রুপের মধ্যে তন্নিষ্ঠা রূপো জিতেছে। বর্তমানে কলকাতার ইন্ডাস ভ্যালি ওয়ার্ল্ড স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ে তন্নিষ্ঠা
বলো তো ছেলেরা বলো তো মেয়েরা, এ গল্প লেখা কার ? এ বছর যাঁর দ্বিশত বছর এ গল্প লেখা তাঁর। তাঁর নাম হলো ঈশ্বর আর পদবী বিদ্যাসাগর, শুনে ছোটদের সকলের চোখ বিস্ময়ে হলো ডাগর
অর্থনীতি ছন্নছাড়া চায়ের দামও লাগামহীন, বাউলগানে বসন্ত যায় হাওয়ায় হাওয়ায় বাজে বীণ
বাবা মিহির এই কথা বললে কী হবে, মা মিতা কোনোমতেই এই কথায় সন্তুষ্ট নয়। ভিলেনের এরকম বদমাইশি দেখতে দেখতে ঠিক বদমাইশিই শিখবে।“
ঈদ-অল-আদাহ,এটা একটা আরবিক ভাষা। আদাহর অর্থ কোরবানি মানে উৎসর্গ করা। রমজান মাস শেষ হবার মোটামুটি ৭০ দিন পরে ও ইসলামিক ক্যালেন্ডার জিরহজ মাসের ১০ তারিখে কোরবানির ঈদ বা বকরি-ঈদ পালন করা হয়
গুগল ডুডল লিখেছে "Kadambini Ganguly sought to uplift other women in India through both medical service and activism in India’s women’s rights movement.
ওটা এখন প্রাত্যাহিক । করো দেশ বন্দনা। আমার মাতৃভূমি মহান । আমরা গণতান্ত্রিক ।
দিন কেটে যায়, মাস ঘোরে, নতুন বছর আসে। বুড়িমুখো কোটরকে এখন হাঁ-মুখ কোনও বৃদ্ধ রাক্ষসের মতো ঠেকে। অবসরে তাকে ঘিরে-থাকা দুই পাহারাদার আড়মোড়া ভাঙে, হাই তোলে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন নির্বিচারে অরণ্য নিধন করছি আমরা, আগ্রাসী মনোভাবে কৃষিক্ষেত্রের সম্প্রসারণ করছি আমরা, জমির ব্যবহারে পরিবর্তন ঘটিয়ে চলেছি, পশুপাখিদের বাস্তুতন্ত্র ভেঙে পড়ছে, বিলুপ্ত হচ্ছে প্রজাতি, ধ্বংস হচ্ছে জৈব বৈচিত্র, মানুষ এবং প্রাণীদের সংস্পর্শ বাড়ছে। বাড়ছে পশু পাখিদের শরীরে বাসা বেঁধে থাকে রোগজীবাণু বা ভাইরাসের মানুষকে সংক্রমিত করার হার।
১৯৭৮ সালে বলিউডে প্রথমবার পা রাখেন সুরেখা সিকরি। বলিউডে তাঁর প্রথম ছবি 'কিসসা কুর্সি কা'। তিনি তিনবার জাতীয় পুরস্কার পান সেরা পার্শ্বচরিত্রের অভিনেত্রীর জন্য। 'তমস', 'মাম্মো', 'বধাই হো' ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি এই পুরস্কার পান
অভিনেত্রী ও অন্য দু’জনের বিরুদ্ধে আইপিসি ২৯৫ ধারাতে (ইচ্ছাকৃত এবং দূষিত কাজ, যে কোনও শ্রেণির ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করে ধর্মীয় অনুভূতি ঘৃণা করার উদ্দেশ্যে) এর অধীনে মামলার আবেদন করেছেন।
জঙ্গলে যাও,দ্যাখো,আলো। এবং আলোর ভেতর রাত্রী জাগা অন্ধকার ও হাতকড়া আর ক্রুশের বুকে বৃদ্ধ পিতার
আচারওয়ালা এসে গেছে। আজ 'রঙ্গ'-এর গান বাজাচ্ছে। পাশ থেকে সুমন ফিসফিসিয়ে বললো, "ভাই, কাল রবিবার আমাদের পাড়ায় ভিডিও আসছে! তাতে 'রঙ্গ' আনছে! আসবি!" অসীম বললো, "আমি কদিন আগেই ভিডিওতে দেখলাম।" অমিত পেছন থেকে বললো, "এই, আজ 'ডিস্কো ড্যান্সার' দিয়েছে মেট্রো চ্যানেলে।" অসীম মনে মনে বললো: তার মানে আজ আর রিকশা পাবো না। ততক্ষনে সরল-আচার-রঙ্গ ছাড়িয়ে ওর মাথায় অন্য বুদ্ধি ঘুরছে, কিন্তু কিছুতেই দাঁড়াচ্ছে না বুদ্ধিটা।
আগামী ১৩ জুলাই, মঙ্গল ও শুক্র গ্রহ নিজেদের কক্ষপথ থেকে মাত্র ০.৫ ডিগ্রি ব্যবধানে অবস্থান করবে। অন্যদিকে চাঁদের কক্ষপথ থেকে মাত্র ৪ ডিগ্রি ব্যবধানে মঙ্গল ও শুক্র গ্রহ অবস্থান করবে। ১২ জুলাই এবং ১৩ জুলাই রাতে দুটি গ্রহ ও চাঁদকে সবচেয়ে কাছাকাছি দেখা যাবে।
ভারতীয় চলচ্চিত্র তার স্বর্ণ যুগের অন্যতম কিংবদন্তী দিলীপ কুমারকে মনে রাখবে তাঁর অভিনীত ‘দেবদাস’, ‘মুঘলে আজম’, ‘গঙ্গা যমুনা’, ‘রাম অউর শ্যাম’ থেকে শুরু করে ‘মধুমতী’, ‘ক্রান্তি’, ‘শক্তি’, ‘মাশাল’-এর মতো সিনেমার জন্য।
আজ তাকে নতুন ভূমিকায় নামতে হবে, অফিস জানিয়েছে। সেইমতো চোখের কোলে সুর্মা, থুতনিতে দাড়ি, মাথায় ফেজ-টুপি, গলায় কালো সুতোয় বাঁধা তাবিজ—সে অফিসে পৌঁছায়। মাঝারি নেতা দাড়িটা খুলে নেয়, বলে, বাকিটুকুই যথেষ্ট।
হাতে আছে ভালবাসার চাবি যে চাবিতে সব তালা খোলে তবুও প্রয়োজনে ভেঙে ফেলব শতাব্দীর তালা
১৯৬৭ সালে ২৫ জন বিজ্ঞানীর উদ্যোগে তৈরি হয় ইন্টারন্যাশানাল অ্যাকাডেমি অফ কোয়ান্টাম মলিকিউলার সায়েন্স। সেই থেকে প্রতি বছর কোয়ান্টাম গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসাবে একজন বিজ্ঞানীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। প্রাপকদের তালিকায় আছেন বহু নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীও। কিন্তু এই ৫৪ বছরের ইতিহাসে কোনো ভারতীয় বিজ্ঞানীর নাম উঠে আসেনি। দেবশ্রীর হাত ধরে এই ঐতিহ্যশালী পুরস্কার এবার আসতে চলেছে বাংলার মাটিতেই।
তাদের মধ্যে এক বৃদ্ধ বললেন,ওহে ছোকরা এখানে যখন এসে পড়েছ বেগুনি মুড়ি খাও। ভবিষ্যতে কখনো বেগুনি খাওয়ার সময় আমাদের কথা মনে পড়বে।
পান্তাভাত'থেকে শরীরের বহু উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়।পেটের সমস্যা সমাধান, কোষ্টবদ্ধতা দূর হয়।পাশাপাশি শরীর সতেজ,শরীরে তাপমাত্রার ভারসাম্য, রক্তচাপ স্বাভাবিক এবং হার্ট সুস্থ রাখতে 'পান্তাভাতের' জুড়ি নেই।
হঠাৎই মেয়েটির বাঁ হাতে নজর যায় ভদ্রলোকের। দু’টি ছোটো পাখি উড়ে যাচ্ছে; ফরসা হাতের উপর গাঢ় সবুজ রঙের উল্কি। খাবার ছেড়ে উঠে পড়েন তিনি।
দুনিয়া জুড়ে কত গান। গানের আবার দিন আছে নাকি? গান তো সুস্থ মানুষের নিত্য সঙ্গী।তবু আজ হয়ে গেল বিশ্ব সঙ্গীত দিবস।
বিজ্ঞানের যুক্তিতে বর্ষাকালে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ও শরীরে ঘাম থাকায় শরীরে স্পর্শ করা বস্তুর থেকে বাতাস বেরিয়ে ওই বস্তু আটকে যাচ্ছে শরীরে। কাটোয়ার বিজ্ঞান মঞ্চের জেলা সদস্য জয়ন্ত সরকার একথা জানিয়েছেন ।
এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, ‘মরা মাছ নুন হলুদ মাখিয়ে রোদে শুকিয়ে ট্রাই করলে লোকে নিতে পারে’। অর্থাৎ শুটকি মাছ ঠিক যেভাবে তৈরি করা হয়। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই কথার জন্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
নেকুপুষুমুনু আমার', খোঁচা দিলেন অভিনেত্রীসোনালিকে নিশানা করলেন শ্রীলেখা মিত্র খোঁচার স্ট্য়াটাসে হেসে কুটিপাটি নেটিজেনরাও ।
পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, তন্ময় ঘোষ, অনুপম রায়, পিয়া চক্রবর্তী, ঋদ্ধি সেন, সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋতব্রত মুখার্জীরা তৈরি করে ফেলেছেন ‘Citizen’s Response’। এঁদের সঙ্গে যুক্ত আছেন। আপাতত পাটুলির একটি ছোটো ঘরে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করা হচ্ছে । থাকছে অক্সিজেন-সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
৯৩তম অস্কার পুরস্কার অনুষ্ঠানে চোলে ঝাও দ্বিতীয় কোনো মহিলা পরিচালক তার ছবি Nomadland এর জন্য সেরা পরিচালক নির্বাচিত হলেন। এই ছবিটি সেরা ছবির শিরোপা পেয়েছে। এর আগে ক্যাথরিন বিগেলো তার The Hurt Locker ছবির জন্য পেয়েছেন।
ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। বই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো- বই পড়া, বই ছাপা, বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো
আফ্রিকা থেকে লাতিন আমেরিকা, এশিয়ার দূর্গা অরন্যভূমি থেকে ইউরোপের শ্রুতিবিলাসী বিনোদনভূমিতে কোনো কিছুই এক তরফা নয়। প্রতিরোধ আছে , প্রত্যাখ্যানও আছে "
যারা আমাদের দেশটাকে সুচতুরভাবে নিয়ে চলেছে ধ্বংসের দিকে..তাদের তৈরি করা অমানবিক, অগণতান্ত্রিক নিয়ম এর বিরুদ্ধে আমাদের এই গান- ‘নিজেদের মতে নিজেদের গান’ – আমাদের সুর ভাবনা ছড়িয়ে পড়ুক পথ থেকে পথে, বুক থেকে বুকে”।
"কোথায় ছিলে, শান্ত ছেলে/যখন দিলো নারদ ঘুষ/হঠাৎ করে, দল বদলে/ফিরবে বলছো তোমার হুঁশ।” এই গানটি গেয়েছেন রিয়া দে এবং নীলাব্জ নিয়োগী। এই গানের লিরিকও লিখেছেন রাহুল পাল।
তার বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান তিনি এখনও বামপন্থী আছেন। কিন্তু ......
মগজাস্ত্রের মালিক আদপে সকলেই, তা শুধু ব্যবহারের অপেক্ষা, সঠিক সময়ের অপেক্ষা। এখন মনে হয় সেইটে প্রতিষ্ঠা করতেই এই এত গল্প ফাঁদা হয়েছে - যাকে সৌমিত্রর নিজের বয়ান বলতে কোথাও দ্বিধা নেই। শ্রেনী, বর্ণ, রিফিউজির দেশ-কাল পেরিয়ে ইন্টেলেক্টের আধিপত্য যে কেবল একচেটিয়া ‘শিক্ষিত বড়লোকের’ সম্পত্তি নয়, সেইটে বলাই যেন মূল উদ্দ্যেশ্য।