Tranding

10:19 AM - 04 Feb 2026

Home / Entertainment / জ্যোতি বসু স্মরণে রাজ্যে আসছেন নীতীশ কুমার, থাকবেন ইয়েচুরি- সেলিম-বিমান

জ্যোতি বসু স্মরণে রাজ্যে আসছেন নীতীশ কুমার, থাকবেন ইয়েচুরি- সেলিম-বিমান

মহম্মদ সেলিম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, “জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নীতীশ কুমার রাজনীতির আকাশে উত্থাপন। জ্যোতি বসুর সঙ্গে নীতীশের সখ্যতাইও ছিল। তাই এই রকম একটা কর্মসূচিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।”

জ্যোতি বসু স্মরণে রাজ্যে আসছেন নীতীশ কুমার, থাকবেন  ইয়েচুরি- সেলিম-বিমান

জ্যোতি বসু স্মরণে রাজ্যে আসছেন নীতীশ কুমার, থাকবেন  ইয়েচুরি- সেলিম-বিমান

 JANUARY 15, 2024, 


লোকসভা ভোটের আগে সিপিআইএমের ডাকে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সেখানেই সিপিআইএমের শীর্ষ নেতৃত্বেরর সঙ্গে তাঁকে দেখা যাবে একই মঞ্চে। আগামী ১৭ জানুয়ারি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর প্রয়াণ দিবস। সেদিন জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের পক্ষ থেকে এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে উপস্থিত থাকার কথা কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এবং রাজ্য বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর। সেই কর্মসূচিতেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের তরফেও সবুজ সংকেত মিলেছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

কেনও নীতীশ কুমার কেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে? দলের তরফে মহম্মদ সেলিম ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, “জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নীতীশ কুমার রাজনীতির আকাশে উত্থাপন। জ্যোতি বসুর সঙ্গে নীতীশের সখ্যতাইও ছিল। তাই এই রকম একটা কর্মসূচিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।” জ‍্যোতি বসু নামাঙ্কিত এই গবেষনা কেন্দ্র সিপিআইএম এর নিজস্ব বক্তব্যের জন‍্য নয়। সামগ্রিক দেশ ও পৃথিবীর ঘটনাবলির বিশ্লেষন থাকবে।


তাঁরা মনে করেন, বিজেপি বিরোধী ‘INDIA’ মঞ্চ গঠনে নীতীশ কুমারের বড় ভূমিকা ছিল ৷ সেই মঞ্চ নীতীশের জেডিইউ-এর সঙ্গে বামেরা রয়েছে সক্রিয় ভাবে।

আগামী লোকসভা নির্বাচনেও ইন্ডিয়া মঞ্চে বিশেষ এই সময়ে দেশের মধ‍্যে দুই গুরুত্বপূর্ণ ভাষ‍্যের লড়াই। এই সময় এই পরিস্থিতিতে নিজেদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে বার্তা দিতে চাইছে সিপিআইএম। আবার সেই মঞ্চে নীতীশ কুমার কী বার্তা দেন সে দিকেও তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।


উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জ্যোতি বসু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের জন্য রাজারহাটে পাঁচ একর জমি দিয়েছিল হিডকো ৷ কিন্তু ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর আটকে যায় জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া ৷ এনিয়ে সিপিআইএমের তরফে রাজ্য সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হয় ৷ বহু টালবাহানার পর জ্যোতি বসু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের জন্য রাজারহাটে বরাদ্দ পাঁচ একর জমি হস্তান্তর করে রাজ্য সরকার ৷ সিপিআইএম নেতা রবীন দেবের হাতে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে দেওয়া হয়। 

Your Opinion

We hate spam as much as you do