যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সুমন চক্রবর্তী ২০০২ সালে খড়গপুর আইআইটি-তে যোগদান করেছিলেন অধ্যাপক হিসেবে। বিগত দুই দশকে চিকিৎসা পরিষেবায় সাহায্য করে এমন বহু যন্ত্রের আবিষ্কার করেছেন তিনি। এই আবহে সুমনবাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আমি অনেক গবেষণার সঙ্গেই যুক্ত। প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে অনেক আবিষ্কার করছি। এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিনের এই সম্মান আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।'
এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলার ২ সহ ভারতের ১৭
13 Apr 2024
বিজ্ঞান ক্ষেত্রে অবদান রাখা এশিয়ার শীর্ষ ১০০ জনের তালিকায় স্থান করে নিলেন এই রাজ্যের ২ জন। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই দুর্দান্ত নজির গড়া দুই বিজ্ঞানীরা হলেন - খড়গপুর আইআইটির অধ্যাক এবং গবেষ সুমন চক্রবর্তী এবং কলকাতা ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর আর সঙ্ঘমিত্রা।
সম্প্রতি প্রাশ করা হয়েছে এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিন। ২০১৬ সাল থেকে শুরু হয়েছে এই ম্যাগাজিনের পথ চলা। প্রতিবারের মতো এই বছরও অষ্টম সংস্করণে মহাদেশের ১০০ জন শীর্ষ বিজ্ঞানীর নাম প্রকাশ করেছে তারা। আর তাতেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দু'জনের নাম। ভারতের মোট ১৭ জন আছেন সেই তালিকায়। খড়গপুর আইআইটির অধ্যাক এবং গবেষ সুমন চক্রবর্তী এবং কলকাতা ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর আর সঙ্ঘমিত্রা আছেন এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিন ২০২৪-এর সেরা ১০০-র তালিকায়। এছাড়া ভারতের আরও ১৫ জন বিজ্ঞানী স্থান করে নিয়েছেন এশিয়ার সেরা ১০০-র তালিকায়। সুমন চক্রবর্তী গত ২০২৩ সালেই উচ্চশিক্ষায় 'জাতীয় শিক্ষক' সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতির থেকে সেই সম্মান গ্রহণ করেছিলেন তিনি। এছাড়া 'ফ্লুইড মেকানিকস অ্যান্ড থার্মাল সায়েন্স' নিয়ে গবেষণার জন্যে দেশে বিজ্ঞানীদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান 'শান্তিস্বরূপ ভাটনগর সম্মান' পেয়েছিলেন। এছাড়া ২০২২ সালে তিনি পেয়েছিলেন ইনফোসিস পুরস্কার।
3/5 এদিকে সুমন চক্রবর্তী গত ২০২৩ সালেই উচ্চশিক্ষায় 'জাতীয় শিক্ষক' সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতির থেকে সেই সম্মান গ্রহণ করেছিলেন তিনি। এছাড়া 'ফ্লুইড মেকানিকস অ্যান্ড থার্মাল সায়েন্স' নিয়ে গবেষণার জন্যে দেশে বিজ্ঞানীদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান 'শান্তিস্বরূপ ভাটনগর সম্মান' পেয়েছিলেন। এছাড়া ২০২২ সালে তিনি পেয়েছিলেন ইনফোসিস পুরস্কার।
গুগল নিউজে আমাদের পড়ুন
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সুমন চক্রবর্তী ২০০২ সালে খড়গপুর আইআইটি-তে যোগদান করেছিলেন অধ্যাপক হিসেবে। বিগত দুই দশকে চিকিৎসা পরিষেবায় সাহায্য করে এমন বহু যন্ত্রের আবিষ্কার করেছেন তিনি। এই আবহে সুমনবাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আমি অনেক গবেষণার সঙ্গেই যুক্ত। প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে অনেক আবিষ্কার করছি। এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিনের এই সম্মান আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।'
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের থেকে এই সম্মান পাওয়া অপরজন সঙ্ঘমিত্রা ১৯৯৯ সালে আইএসআই-তে যোগ দিয়েছিলেন মেশিন ইন্টেলিজেন্স বিভাগে। সেখান থেকে ২০১৫ সালে তিনি সংস্থার ডিরেক্টর পদে উন্নীত হন। ২০২২ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এছাড়া দেশে-বিদেশে আরও অনেক পুরস্কার পেয়েছেন তিনিও।
We hate spam as much as you do