মানুষ একটা কী সব লিখছে --বলছে কি সব পথে-- হেঁটে যায় একা নিজের খেয়ালে..নেই খুব তাড়াহুড়ো.. কেমন মিশছে মানুষের ভিড়ে চড়কতলার রথে ..
পদ্মাগঙ্গা নদীটি আমার
সুনির্মল কুন্ডু
মনে রাখবার মতো নদী----
চিনতুম সেই নদীকে আমিও কতদিনরাত ধরে,
বলার মতই কথাই থাকত যদি
বলে ফেলতুম গলা ছেড়ে---নয় সোজা চিৎকার করে;
এ নদী আমার ছেলেবেলা দেখেছিল...এখন দেখছে বুড়ো
মানুষ একটা কী সব লিখছে --বলছে কি সব পথে--
হেঁটে যায় একা নিজের খেয়ালে..নেই খুব তাড়াহুড়ো..
কেমন মিশছে মানুষের ভিড়ে চড়কতলার রথে ..
কেমন থাকছে শীতের বাতাসে-বোশেখ রোদের দিনে
স্বাভাবিক এক জীবনযাপনে তৃণ বা গাছের মত ,
তৃণ বা গাছের কোথাও লেগেছে তার ঢেউ-দূরবীনে
হয়তোবা কেউ দেখে থাকবেও ঘটনা পুরোনো কত! আজ ভাঙ্গাগড়া বাইপাস হতে সে-নদীর ক্ষীণকায় দৈর্ঘ্যপ্রস্থ কে আর বুঝবে..কে আর বলবে-নদী,তুমি ইতিহাস ...
জন্মমৃত্যু অনেক জীবনে-জীবনের যে-কথায়
তোমার জলের স্রোতটি এখনো ক্ষয়িষ্ণু উচ্ছ্বাস!
পদ্ম ফোটানো নদীটি নামে পদ্মাগঙ্গা-নামে প্রিয়..প্রাণে বড়ো,
আমার গ্রামের বুক ছুঁয়ে তার জলে ছিল ভাসমান
মানুষের ছায়া - মানুষের বহু আশানিরাশায় জড়ো
হয়েছে নদীর ধ্বনিত গতির অনেক স্মৃতির গান।
We hate spam as much as you do