গুগল ডুডল লিখেছে "Kadambini Ganguly sought to uplift other women in India through both medical service and activism in India’s women’s rights movement.
১৬০তম জন্মদিনে প্রথম মহিলা চিকিৎসক কাদম্বিনী গাঙ্গুলীকে গুগলের সম্মাননা।
newscopes.in 18th july আন্তর্জাতিক স্তরের বৃহত্তম অন্তরজাল সার্চ ইঞ্জিন গুগল তাদের ডুডল তৈরি করে সম্মাননাজানাল অবিভক্ত বাংলার প্রথম মহিলা চিকিৎসক কাদম্বিনী গাঙ্গুলীর ১৬০তম জন্মদিনে।
কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ভারতীয় সমাজে মহিলাদের স্থান ছিল অন্দরমহল। ডাক্তার হওয়া তো দুর অস্ত সামান্য প্রাথমিক লেখাপড়ার সুযোগ ছিল না। সেখানে কি কঠোর আত্মবিশ্বাস আর লড়াই করে কাদম্বিনী ডাক্তার হয়েছিলেন তা ইযিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে।
গুগল ডুডল লিখেছে
"Kadambini Ganguly sought to uplift other women in India through both medical service and activism in India’s women’s rights movement. Among many other campaigns, Ganguly joined six others to form the first all-women delegation of the 1889 Indian National Congress,”
গুগলের এই ডুডল তৈরি করেছিলেন বেঙ্গালুরুর শিল্পী অদ্রিজা। তিনি বলেন, বাঙালিদের জন্য অত্যন্ত গর্বের দিন।
১৮৬১ সালে ১৮ জুলাই জন্ম হয় কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়ের। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ১৮৮৪ সালে ভর্তি হন তিনি। সেই সময় ডাক্তারি পড়ার চল ছিল শুধুমাত্র পুরুষদেরই। প্রথম মহিলা হিসেবে ডাক্তারি পড়ার সিদ্ধান্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলায় নতুন নজির সৃষ্টি করেছিল। ১৮৮৬ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি ডিগ্রি লাভ করেন কাদম্বিনী।
অসংখ্য অপ্রতিরোধ্য বাধা এসেছে কাদম্বিনীর পথে। সব বাধাকে পেরিয়ে নিজের লক্ষ্যে অটল থেকেছিলেন কাদম্বিনী। তিনি ছিলেন দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী। এইরকম উন্নত মানসিকতার স্বামী না থাকলে কাদম্বিনীর পক্ষে এগিয়ে যাওয়া কতটা সম্ভব হত তা ইতিহাসের বিবেচ্য। স্বামীর সাহায্যেই ডাক্তারি পড়া শেষ করে মহিলাদের রোগ নিয়ে ডাক্তারি শুরু করেছিলেন কাদম্বিনী। প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন ইউরোপিয়ান মেডিসিনে। জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে প্রথম মহিলা হিসেবেও উপস্থিত ছিলেন তিনি। ১৮৯২ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি গিয়েছিলেন ব্রিটেনে। উচ্চ শিক্ষা শেষে ফিরে আসেন কলকাতাতেই। বাংলার মহিলাদের চিকিৎসা শুরু করেন। মহিলা রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দেন লেডি ডাফরিন হাসপাতালে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওই হাসপাতালেই চিকিৎসক ছিলেন তিন। ১৯২৩ সালে ৩ অক্টোবর মৃত্যু হয় কাদম্বিনীর। কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় ভারতের চিকিৎসা পরিকাঠামোয় অনেক বড় অবদান রেখে গিয়েছেন। যা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ঐ একই বছর মু্ম্বাইএর আনন্দবাই গোপালরাও যোশী আমেরিকা থেকে ডাক্তারি ডিগ্রি অর্জন করেন।সেই হিসাবে ভারতে প্রথম মহিলা ডাক্তার হিসেবে কাদম্বিনীর পাশে আনন্দবাই এর নাম উচ্চারিত হয় । কিন্তু মাত্র ২১ বছর বয়সে আনন্দবাই এর ১৮৭১ সালে মৃত্যু হয়।
যেখানে কাদম্বিনী প্রায় ৬০ বছর পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করে দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে যান
We hate spam as much as you do