Tranding

08:36 PM - 04 Feb 2026

Home / Entertainment / সঙ্গীত শিল্পী "কেকে" নেই!নজরুল মঞ্চে গান গাইতে গাইতে চলে গেলেন

সঙ্গীত শিল্পী "কেকে" নেই!নজরুল মঞ্চে গান গাইতে গাইতে চলে গেলেন

কেকে ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম বহুমুখী গায়ক। তিনি হিন্দি, তামিল, তেলেগু, কন্নড় এবং বাংলা-সহ বেশ কয়েকটি ভাষায় গান রেকর্ড করেছেন। গায়ক কেকে কলকাতার নজরুল মঞ্চে তাঁর কনসার্টের ছবি পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কাউকে বুঝতে না দিয়েই তিনি এদিন চলে গেলেন। গান গাইতেই গাইতেই চলে গেলেন

সঙ্গীত শিল্পী "কেকে" নেই!নজরুল মঞ্চে গান গাইতে গাইতে চলে গেলেন

সঙ্গীত শিল্পী "কেকে" নেই!নজরুল মঞ্চে গান গাইতে গাইতে চলে গেলেন

 

বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী কেকে-র জীবনাবসান হল নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন। মঙ্গলবার কলকাতায় তাঁর কনসার্ট ছিল। নজরুল মঞ্চে শো চলছিল। শো চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। হোটেলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর পুরো নাম কৃষ্ণকুমার কুন্নথ। শোক মুহ্যমান সঙ্গীত দুনিয়া।

 

প্রখ্যাত গায়ক কেকে ওরফে কৃষ্ণকুমার কুন্নথের এদিনের শো নিয়ে কলকাতায় উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। সেখানে ভক্তদের গান শোনাতে শোনাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন গায়ক। অসু্স্থতা বোধ করায় তিনি স্পট লাইট বন্ধ করে দিতে পর্যন্ত বলেছিলেন। তবু গানের মঞ্চ ছেড়ে যাননি তিনি। তিনি শেষ গান গাইলেন। গান গাইতেউ গাইতেই চলে গেলেন সুরলোকে।

.
.

সঙ্গীতশিল্পী কেকে-র এই আকস্মিক প্রয়াণে সঙ্গীত দুনিয়া শোকবিহ্বল। এদিন কলকাতার গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছিলেন তিনি। কনসার্টের পরে প্লেব্যাক গায়ক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তিনি ফিরে যান হোটেলে। তারপর হোটেলে আরও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে কলকাতার সিএমআরআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১০টা নাগাদ কলকাতায় সিএমআরআই হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

কেকে ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম বহুমুখী গায়ক। তিনি হিন্দি, তামিল, তেলেগু, কন্নড় এবং বাংলা-সহ বেশ কয়েকটি ভাষায় গান রেকর্ড করেছেন। গায়ক কেকে কলকাতার নজরুল মঞ্চে তাঁর কনসার্টের ছবি পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কাউকে বুঝতে না দিয়েই তিনি এদিন চলে গেলেন। গান গাইতেই গাইতেই চলে গেলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান বর্তমান।

ভারতীয় চলচ্চিত্রে তিনি জনপ্রিয় বহু গান উপহার দিয়েছেন। হিন্দিতে প্রায় ৫০০ গান গেয়েছেন। অন্যান্য ভাষাতেও তিনি ২০০-র বেশি গান গেয়েছেন। বাংলাতেও গেয়েছেন একাধিক গান। হাম রহে ইয়া না রহে কাল, ইয়াদ আয়েঙ্গে ইয়া পাল - তাঁর জীবনের শেষ গান হয়ে রয়ে গেল। এই গানকে সার্থক করে সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে তিনি চলে গেলেন অজানার দেশে।

বুধবার তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হবে। তারপর দেহ ছাড়া হবে হাসপাতাল থেকে। কী কারণে তাঁর মৃত্যু তা জানতেই ময়নাতদন্ত করা হবে। স্টেজ মাতিয়ে দেওয়ার পর তিনি কেন অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আগে থেকেই তাঁর কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কি না, তাও জানার চেষ্টা চলছে। সোমবারও তিনি কলকাতার ওই মঞ্চে গান গেয়েছিলেন। তারপর এদিন গান গাইতে আসেন একই মঞ্চে। পরপর দুদিন শো করেন তিনি। তবে আয়োজকরা কেউ বুঝতে পারেননি কোনও অসুস্থতা ছিল কি না। অটোগ্রাফও দিয়ে যান তিনি। তাহলে কী এমন হল, তিনি চলে গেলেন অগণিত ভক্তদের ছেড়ে।

Your Opinion

We hate spam as much as you do