কানে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করলেন যে পায়েল, তাঁরই অনুদান বন্ধ করে দিয়েছিলেন এফটিআই কর্তৃপক্ষ! পায়েলের হাত ধরে ৩০ বছর পর কোনও ভারতীয় ছবি কান উৎসবে প্রথম সারির মনোনয়ন পেল। কানের সর্বোচ্চ সম্মান পাম ডি’ওর অল্পের জন্য অধরা। বদলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান গ্রাঁ প্রি পুরস্কার জিতে নিল পায়েলের ছবি।
৩০ বছর পর! অনসূয়া ও পায়েল, কান চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার
২৭ মে ২০২৪
অনসূয়া সেনগুপ্ত, পায়েল কাপাডিয়া। কান চলচ্চিত্র উৎসব মঞ্চে দুই ভারতীয় কন্যা দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। ‘দ্য শেমলেস’ ছবির জন্য অনসূয়া ‘আন সার্টেন রিগার্ড’ বিভাগে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন। অনসূয়ার পর পরিচালক পায়েল তাঁর ‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ় লাইট’ সিনেমার জন্য গ্রাঁ প্রি পেলেন। দুই কন্যের কৃতিত্বে উচ্ছ্বাসে ভাসছে দেশ। অনসূয়াকে নিয়ে বাড়তি আবেগ কলকাতার। কারণ, তিনি এই শহরের মেয়ে। সাধারণ মানুষেরা তো বটেই, তারকারাও তাঁদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন। প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতা তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘‘আমরা যখন অন্যদের নিয়ে ব্যস্ত তখন ওঁরা নিঃশব্দে ইতিহাস তৈরি করলেন!’’
কানে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করলেন যে পায়েল, তাঁরই অনুদান বন্ধ করে দিয়েছিলেন এফটিআই কর্তৃপক্ষ!
পায়েলের হাত ধরে ৩০ বছর পর কোনও ভারতীয় ছবি কান উৎসবে প্রথম সারির মনোনয়ন পেল। কানের সর্বোচ্চ সম্মান পাম ডি’ওর অল্পের জন্য অধরা। বদলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান গ্রাঁ প্রি পুরস্কার জিতে নিল পায়েলের ছবি। এ কি কম গর্বের? পাশাপাশি, অনসূয়ার হাত ধরে এই প্রথম কানে কোনও ভারতীয় অভিনেত্রী এই বিভাগে পুরস্কৃত হলেন। নামঘোষণার পরে আনন্দে কেঁদে ফেলেছেন অভিনেত্রী। পরে সাংবাদিকদের পায়েল বলেছেন, ‘‘প্রতিযোগিতায় মনোনীত হওয়াই আমার কাছে স্বপ্নসম। কল্পনারও অতীত! সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’’
দুই স্বাধীন শিল্পী ধৈর্য নিয়ে নীরবে কাজ করে বিনোদন দুনিয়ার শিখর ছুঁয়ে ফেললেন! যাত্রাপথে কোথাও প্রচারের আলো ছিল না। অনেক যত্নে নিয়ে নিজেদের মতো কাজ করে চুপচাপ পৌঁছে গেলেন কান উৎসবের মঞ্চে। ভারতীয় সিনেমাকে সর্বাধিক সম্মান এনে দিলেন!
এই মুহূর্তে সমস্ত ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের মনের কথা। তাঁর মতো অনেকেই স্যোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তথাকথিত ‘গ্ল্যামারাস’ না হয়েও তাঁকে ঘিরে জৌলুসের বলয়। যা প্রমাণ করেছে, শুধু রূপ নয়, গুণটাও দরকার হয়।
We hate spam as much as you do