রবিবার আর শেষরক্ষা হল না। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। রাত ১১.২৫ নাগাদ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর।
হলুদ বসন্ত, মাধুকরীর স্রষ্টা বুদ্ধদেব গুহ চলে গেলেন।
গত এপ্রিলে ৩৩ দিন হাসপাতালে।ঋনাত্বক করোনা হয়ে বাড়ি ফিরে তিনি জানিয়েছিলেন 'এখনই ফুরব না'। কিন্তু হলুদ বসন্তের স্রষ্টা চলে গেলেন।
রবিবার রাত ১১ টা ২৫ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ।
১৯৩৬ সালের ২৯ শে জুন কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন বুদ্ধদেববাবুর। তাঁর মৃত্যুতে সাহিত্য মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। বহু কালজয়ী উপন্যাসের স্রষ্টা তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য বইগুলি হল 'বাবলি', 'মাধুকরী', 'কোজাগর', 'হলুদ বসন্ত', 'একটু উষ্ণতার জন্য','কুমুদিনী', খেলা যখন, ঋজুদা , জঙ্গলমহল, চানঘরে গান প্রভৃতি । হলুদ বসন্ত উপন্যাসের জন্য ১৯৭৬ সালে পান আনন্দ পুরস্কার।
তিনি পড়াশোনা করেন সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। পেশায় ছিলেন চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। পশ্চিমবঙ্গের আয়কর বিভাগের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য, আকাশবাণী কলকাতার অডিশন বোর্ডের সদস্যের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ জঙ্গলমহল।
ছাত্রাবস্থায় বুদ্ধদেব গুহ ভালো ক্রিকেট খেলতেন।
গত এপ্রিল মাসেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু আশঙ্কা কাটিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছিলেন বাড়িতে। রবিবার আর শেষরক্ষা হল না। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। রাত ১১.২৫ নাগাদ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বুদ্ধদেব গুহ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল তাঁর। এছাড়াও মাল্টি অর্গান ফেলিওরও হ্রাস করেছিল তাঁকে। মূত্রথলীতেও দেখা দিয়েছিল সংক্রমণ।
We hate spam as much as you do