রায়গঞ্জের কসবার বাসিন্দা অনীক মন্ডল , আর অশোক নগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল নবম শ্রেণীর ছাত্র তুহিন কুন্ডু
১১বছরের ছোট্ট অনীক আর নয় ক্লাসের তুহিনের তৈরি দূর্গা প্রতিমা সকলকে তাক লাগিয়েছে
পূজো এসে গেছে। ইস্কুল বন্ধ সেই কবে থেকে। ঘরে বসে ভাল্লাগে না। তাই তুহিন, অনীকরা মা দূর্গার মুর্তি তৈরি করছে। অবশ্য ওরা সবাই শিল্পী।
মাসের শুরুতে খবর ছিল অশোক নগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল নবম শ্রেণীর ছাত্র তুহিন কুন্ডু। ছোট্ট দুর্গা মূর্তি তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে । তার বাবা তন্ময় কুন্ডু জানিয়েছিলেন , ছোট ছেলে তুহিন ছোটবেলা থেকেই রয়েছে ছবি আঁকতে ভালবাসে। তাতে বেশ মুন্সিয়ানার ছাপও মিলেছে। সঙ্গে আছে গান শেখার আগ্রহও। হঠাতই শখ হয় মূর্তি বানানোর। তারপর থেকেই এই চিন্তা ভাবনা নিয়ে শুরু । তারপর সে শিখে ফেলে মাটির কাজও।সেই থেকেই মূর্তি তৈরীর নেশা পেয়ে বসে তাকে।
এরপর আরও ক্ষুদে এক শিল্পীর কথা এল। ১১বছরের ছোট্ট শিল্পী অনীকের দূর্গা সকলের নজর কাড়ল। রায়গঞ্জের ক্লাস সিক্সের অনীক মন্ডল অসাধারণ দূর্গা প্রতিমা বানিয়ে ফেলল।
কয়েক বছর আগে বাবার সাথে পাড়ার পুজোমন্ডপে ঘুরতে গিয়ে প্রতিমা তৈরী করতে দেখেছিল মৃৎশিল্পীদের। অবাক বিষ্ময়ে অনীক দেখেছিল কীভাবে মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ী হয়ে উঠছেন দেবী।
বয়স মাত্র ১১ । এই কিশোর বয়সেই মাটির দূর্গাপ্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে রায়গঞ্জের কসবার বাসিন্দা অনীক মন্ডল । এই শিল্পসৃষ্টিতে তাকে যোগ্য সহযোগিতা করে চলেছেন তার ঠাকুমা সন্ধ্যা মন্ডল। আসন্ন দুর্গাপূজায় অনীকের তৈরী প্রতিমা ঠাঁই পাবে পাড়ার পুজোমন্ডপে। রায়গঞ্জের কৈলাশ চন্দ্র বিদ্যাপীঠের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অনীক। পড়াশোনার পাশাপাশি মাটির প্রতিমা তৈরী করাটা নেশা ছোটবেলা থেকেই।
অনীকের ঠাকুমা কানে খুব ভালো শুনতে পান না। কিন্তু নাতির ইশারা বুঝে ফেলেন চট জলদি। মূর্তি তৈরীর সরঞ্জাম কিনে দেওয়া থেকে শুরু করে সমস্ত কাজে নাতিকে সহযোগিতা করেন ঠাকুমা সন্ধ্যা মন্ডল। সবমিলিয়ে ক্ষুদে শিল্পীর তুলির টানে প্রাণ পাচ্ছে মা দূর্গার মূর্তি।
সুত্র - asianet, abp
We hate spam as much as you do