একে প্রচন্ড রোদ, দুপুর ১২ টার প্রখর তাপ, দাবদাহ অন্যদিকে টানা অনশন। পুলিশ এম্বুলেন্স নিয়ে গেলো হাসপাতালে। জানলাম এস এস সি ধর্ণা মঞ্চের পেসেন্ট দের হাসপাতালে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকার তো ওদের তুলে দিতে পারলে বাঁচে। পুলিশ দিয়ে গত ৪/৫ বছরে কতবার হবু শিক্ষকদের লক আপে আটকে রেখেছে, জামিন অযোগ্য ধারায় কেস দিয়েছে। দেয়নি নিয়োগ পত্র।
শারীরশিক্ষা, কর্মশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীদের অনসনে আজ আবার একজন অসুস্থ
১১ দিন ধরে শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের শারীরশিক্ষা, কর্মশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীরা।
অসম্ভব দাবদাহে রাস্তা, চাতাল আগুনের মতো গরম। আপনি দু'মিনিট খালি পায়ে দাঁড়াতে পারবেন না। ওদের হাতে পায়ে বড় বড় ফোসকা পড়েছে। প্রতিদিন ৪/৫ জন অসুস্থ হচ্ছে। গতকাল ৪ জন পরীক্ষার্থী কালিঘাটে গিয়েছিল যদি মূখ্যমন্ত্রী ওদের সঙ্গে কথা বলেন। এরাও তো বাংলার ছেলেমেয়ে, তাই আশা ছিল বাংলার যে মেয়ে মুখ্যমন্ত্রী তিনি নিশ্চয়ই বাংলার অন্য ছেলেমেয়েদের কথা শুনবেন এবং ওদের বঞ্চনা দূর করবেন। কিন্তু কথা তো হলোই না বরং বাংলার ছেলেমেয়েদের ধরে নিয়ে যায় পুলিশ কালিঘাট হয়ে লাল বাজার। তারপরেও ওরা অনশন চালিয়ে যাচ্ছে। গতকাল ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় ধর্মতলায়। কেউ রাস্তায় বসে পড়ে, কেউ রাস্তায় শুয়ে পড়ে এখনো ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে ধরে বসে রয়েছেন তাঁরা। দীর্ঘক্ষন রোদে থাকার কারণে তিনজন চাকরিপ্রার্থী ইতিমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
আজ সোমবার আরো একজন অসুস্থ হয়ে পড়েছে চোখের সামনে- স্বদেশ মন্ডল।
একে প্রচন্ড রোদ, দুপুর ১২ টার প্রখর তাপ, দাবদাহ অন্যদিকে টানা অনশন। পুলিশ এম্বুলেন্স নিয়ে গেলো হাসপাতালে। জানলাম এস এস সি ধর্ণা মঞ্চের পেসেন্ট দের হাসপাতালে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকার তো ওদের তুলে দিতে পারলে বাঁচে। পুলিশ দিয়ে গত ৪/৫ বছরে কতবার হবু শিক্ষকদের লক আপে আটকে রেখেছে, জামিন অযোগ্য ধারায় কেস দিয়েছে। দেয়নি নিয়োগ পত্র।
তাই সব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই মহামান্য আদালতের অনুমতি নিয়ে ওরা ধর্ণায় বসেছে। চারজনের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছেন তাঁরা।
এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে কারণে গতকাল ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় ধর্মতলায়। কেউ রাস্তায় বসে পড়ে, কেউ রাস্তায় শুয়ে পড়ে ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে ধরে বসে রয়েছেন তাঁরা। দীর্ঘক্ষন রোদে থাকার কারণে তিনজন চাকরিপ্রার্থী ইতিমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। যাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে।
অভিযোগ উঠেছে, মুখ্যমন্ত্রী তিন-তিনবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু এরপরেও তাঁরা চাকরি পাননি। তাই কলকাতার রাজপথে বসেছেন হবু শিক্ষকেরা। অনশনের কারণে একের পর এক চাকুরিপ্রার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। যাদের নিয়ে যাচ্ছে এসএসকেএম হাসপাতালে। কবে চাকরি পাবেন? এই প্রশ্ন এখন সকলের মুখে।
এখন মাতঙ্গিনী হাজরা মূর্তির পাদদেশে বসে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। অভিযোগ, মেধা তালিকাভুক্ত হবার পরেও তাঁরা বঞ্চিত। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁরা চাকরি পাননি। মুখ্যমন্ত্রী তিনবার আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু এরপরও চাকরি পাননি। এ কারণেই রাজপথে বসে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা।
গতকাল অসুস্থ এক চাকুরীপ্রার্থী অভিযোগ করেছেন, অযোগ্য হয়ে অনেকেই টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। এরা শিশুদের কী শেখাবেন? কিন্তু তাঁরা যোগ্য প্রার্থী হয়ে, প্যানেলভুক্ত হয়েও বঞ্চিত। অপর এক অসুস্থ চাকুরী প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, তাঁদের বার্তা যাতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাতে না পারে, সেজন্য পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা অনেক বাধা দেবার চেষ্টা করছেন। শরীরের জল শুকিয়ে গেছে, রক্ত শুকিয়ে যাচ্ছে, বাঁচার আর্জি জানাচ্ছেন তিনি।
We hate spam as much as you do