কী ভাবে জল ঢুকল খনিতে? দিমা হাসাওয়ের পুলিশ সুপার মায়াঙ্ক কুমার বলেন, ‘সোমবার খনি জলে ভেসে যায়। সম্ভবত শ্রমিকরা কয়লা তোলার সময়ে কোনও জল সরবরাহের চ্যানেলে কিছু দিয়ে আঘাত করে ফেলেন বলেই বিপত্তি বাধে।’ রাজ্যের খনিমন্ত্রী কৌশিক রাই বলেন, ‘খনিতে নামার গর্তটি প্রায় ১৫০ ফুট গভীর। তার মধ্যে প্রায় ১০০ ফুট অবধি জল।’
অসমের খনিতে উদ্ধার আরও ১ দেহ, আটকে ৮ শ্রমিকের প্রাণহানির আশঙ্কা
January 9, 2025,
অসমের দিমা হাসাও কয়লা খনি থেকে উদ্ধার আরও এক শ্রমিকের দেহ। বুধবার সকালে নৌবাহিনীর ডুবুরিরা সেই দেহ উদ্ধার করেন খনির উমরাংসোর ৩ কিলোমিটার গভীর কুয়ো থেকে।
গত সোমবার ওই কয়লা খনিতে আটকে পড়েন ১২ জন শ্রমিক। মঙ্গলবার তিন জনের দেহ ভাসতে দেখা যায়। বুধবার আরও এক জনের দেহ উদ্ধারের পর এখনও সেখানে আটকে রয়েছে আট জন। ইতিমধ্যেই খনিতে জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, ১০০ ফুটের বেশি জল জমে গিয়েছে খনির ভিতরে। ফলে বাকিদের বেঁচে থাকার আশা ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে। জোরকদমে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে স্থলসেনা, নৌসেনা, জাতীয় ও রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দল।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, ‘নৌসেনার ডুবুরিদের কাছে উদ্ধার কাজের জন্য সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। তাঁরা বিশাখাপত্তনম থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছেন।’
আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা সঞ্জিত সরকার। এ ছাড়াও, নেপালের শ্রমিক গঙ্গা বাহাদুর শেঠও আটকে রয়েছেন দিমা হাসাওয়ের খনিতে। আটকে থাকা বাকিরা হলেন হুসেন আলি, জাকির হুসেন, সর্পা বর্মন, মুস্তাফা শেখ, খুশি মোহন রাই, লিজন মগর এবং শরৎ গোয়ারি। তাঁরা অসমের বাসিন্দা।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দিমা হাসাওয়ের ওই খনিটি রাজ্য সরকারের এবং সেখানে বেআইনিভাবে কয়লা তোলা হচ্ছিল। অবৈধ খননের অভিযোগে ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কী ভাবে জল ঢুকল খনিতে? দিমা হাসাওয়ের পুলিশ সুপার মায়াঙ্ক কুমার বলেন, ‘সোমবার খনি জলে ভেসে যায়। সম্ভবত শ্রমিকরা কয়লা তোলার সময়ে কোনও জল সরবরাহের চ্যানেলে কিছু দিয়ে আঘাত করে ফেলেন বলেই বিপত্তি বাধে।’ রাজ্যের খনিমন্ত্রী কৌশিক রাই বলেন, ‘খনিতে নামার গর্তটি প্রায় ১৫০ ফুট গভীর। তার মধ্যে প্রায় ১০০ ফুট অবধি জল।’
We hate spam as much as you do