Tranding

08:43 PM - 04 Feb 2026

Home / National / সংসদ ভবনে ধর্না, অনশন করা যাবে না ! গনতন্ত্র আক্রান্ত 'ফরমান' ঘিরে বিতর্কে'র ঝড়

সংসদ ভবনে ধর্না, অনশন করা যাবে না ! গনতন্ত্র আক্রান্ত 'ফরমান' ঘিরে বিতর্কে'র ঝড়

শুধু কংগ্রেসই নয়, বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলই এই নির্দেশিকা তীব্র বিরোধীতা জানিয়েছে। মোদী সরকার আরও একবার বিরোধীদের গলা টিপে ধরার চেষ্টা করছে বলেও দাবি রাজনৈতিক দলগুলির। যদিও এই বিষয়ে বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংসদ ভবনে ধর্না, অনশন করা যাবে না ! গনতন্ত্র আক্রান্ত  'ফরমান' ঘিরে বিতর্কে'র ঝড়

সংসদ ভবনে ধর্না, অনশন করা যাবে না ! গনতন্ত্র আক্রান্ত  'ফরমান' ঘিরে বিতর্কে'র ঝড়

15th july 2022

অসংসদীয় শব্দের নতুন অভিধান নিয়ে তোলপাড় দেশ। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যে মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছএড বিরোধীরা। কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা বলেও সুর চড়িয়েছেন কংগ্রেস, তৃণমূল সহ সমস্ত বিরোধী দলগুলিই। আর এই বিতর্কের মধ্যেই জারি হল নয়া 'ফরমান'।

ফরমান ঘিরে বিতর্কের ঝড় 
আগামী সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে বাদল অধিবেশন। আর এর আগেই নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে লোকসভার সচিবালয়। আর তা ঘিরে নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।


সংসদ চত্বরে কোনও ধরণের ধর্না করা যাবে না। এই সংক্রান্ত কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না। অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নয়া এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে বিক্ষোভ কিংবা অনশন কর্মসূচি করার ক্ষেত্রে কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না। এবার বাদল অধিবেশন একাধিক ইস্যুতে উত্তাল হতে পারে। বিরোধীদের হাতে মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব, অগ্নিপথ যোজনার মতো একাধিক টাটকা ইস্যু রয়েছে। আর তার আগে এই নির্দেশিকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


তীব্র বিরোধীতা কংগ্রেসের তরফে
রাজ্যসভার মহাসচিব পিসি মোদী একটি নয়া নির্দেশিকা জারি করেছেন। যেখানে বলা হয়েছে সংসদ সদস্য কোনও ধরণের ধর্না কিংবা বিরোধ দেখাতে পারবেন না সংসদ চত্বরে। আর এই বিষয়টি সমস্ত সংসদের সদস্যকে মেনে চলার কথাও জানানো হয়েছে। আর এই নির্দেশিকা সামনে আসার পরেই তীব্র বিরোধীতা করা হয়েছে কংগ্রেসের তরফে। এই নির্দেশিকা সামনে আসার পরেই সোশ্যাল মিডিয়াতে নির্দেশিকাটি আপলোড করে টুইট করেছেন। পাশাপাশি তীব্র বিরোধীতাও করেছেন। 


শুধু কংগ্রেসই নয়, বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলই এই নির্দেশিকা তীব্র বিরোধীতা জানিয়েছে। মোদী সরকার আরও একবার বিরোধীদের গলা টিপে ধরার চেষ্টা করছে বলেও দাবি রাজনৈতিক দলগুলির। যদিও এই বিষয়ে বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


সম্প্রতি সংসদের দুই সভায় আলোচনার সময় যদি নৈরাজ্যবাদী, শকুনি, স্বৈরাচারী, তানাশাহ, তানাশাহী, বিনাশ পুরুষ, খালিস্তানি, খুন সে খেতি ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা বাদ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। তালিকায় আরও বেশ কিছু শব্দ আছে। যা নিয়ে রাজনৈতিকমহলে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। এই অবস্থায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়েছেন, কোনও শব্দকে আটকানো হয়নি। আর এই বিতর্কের মধ্যেই নয়া ফরমান ঘিরে আরও উত্তেজনা।

Your Opinion

We hate spam as much as you do