আজ সকালে গ্রামবাসীরাই প্রথম বোমাগুলি দেখতে পান। পুকুর পাড়ে বেওয়ারিশ দুটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় গ্রামবাসীদের। এরপর ব্যাগের মধ্যে উঁকি মারতেই একেবারে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের। দুই ব্যাগে ঠাসা তাজা বোমা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা খবর দেন তারাপীঠ থানায়। পুলিশকর্মীরাও তৎপরতার সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। বোমাভর্তি
বীরভূমে স্কুলের পাশেই উদ্ধার ব্যাগভর্তি বোমা ! গ্রেফতার তৃণমূল
Jul 14, 2023
ভোট মিটেছে। গণনাও মিটেছে। কিন্তু আতঙ্কের পরিবেশ যেন কাটছে না। নির্বাচন পরবর্তী অশান্তির পূর্ব অভিজ্ঞতা তো রয়েছেই বাংলায়। আর এসবের মধ্যেই বোমা উদ্ধার বীরভূমে। শুক্রবার সকালে তারাপীঠ থানার পরুন গ্রাম থেকে পাওয়া যায় তাজা বোমা। এলাকার একটি হাইস্কুলের পাশে পুকুর ধারে দুই ব্য়াগ ভর্তি তাজা বোমা পাওয়া যায়। ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম সাজের আলি। এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচিত সাজের।
আজ সকালে গ্রামবাসীরাই প্রথম বোমাগুলি দেখতে পান। পুকুর পাড়ে বেওয়ারিশ দুটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় গ্রামবাসীদের। এরপর ব্যাগের মধ্যে উঁকি মারতেই একেবারে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের। দুই ব্যাগে ঠাসা তাজা বোমা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা খবর দেন তারাপীঠ থানায়। পুলিশকর্মীরাও তৎপরতার সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। বোমাভর্তি ব্যাগগুলি যেখানে পড়ে ছিল, সেই জায়গাটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। খবর পাঠানো হয় বম্ব স্কোয়াডেও। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, দুটি ব্যাগ মিলিয়ে আনুমানিক ১২-১৫টি বোমা ছিল। যদিও বোমার সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।
এদিকে বোমা উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় ভূমিকা দেখা যায় তারাপীঠ থানার পুলিশকর্মীদের। দ্রুত তদন্ত শুরু করে। পুকুর পাড়ে বোমা রাখার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুপুরেই সাজের আলি নামে এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি কী উদ্দেশে এতগুলি বোমা স্কুলের ধারে মজুত করে রাখা হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তরও খুঁজছেন পুলিশকর্মীরা। এদিকে স্কুলের একেবারে পাশেই বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাবাসীদের মনে নতুন করে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তৃণমূল কর্মীর গ্রেফতারি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। বিজেপির জেলা সহসভাপতি দীপক দাসের বক্তব্য, পুলিশ চাপে পড়েই গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে। আগে থেকে কেন বোমাগুলি উদ্ধার করা যায়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন বিজেপি নেতার মনে। তাঁর দাবি, এতগুলি বোমা কীভাবে আসছে এলাকায়, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায়ের আবার বক্তব্য, পুলিশ কোনও রাজনৈতিক দল না দেখে নিরপেক্ষভাবে সঠিক পদক্ষেপ করছে।
We hate spam as much as you do