ব্রিগেডেই মিটিং হবে…’ বলে ময়দান পরিদর্শনে মীনাক্ষী। যুবনেত্রীর কানে মোবাইল-ঘন ঘন সাংগঠনিক বার্তা পাঠাচ্ছেন জেলায় জেলায়। পিঠে ব্যাগ ঝুলছে। যুব সংগঠন DYFI রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জিকে (Minakshi Mukherjee) পৌষের মিঠে রোদে এমনইভাবে দেখা গেল ব্রিগেডে।
৭ তারিখেই ব্রিগেডে মীনাক্ষীদের 'ইনসাফ সভা'র অনুমতি ! ব্যাপক ভিড়ের সম্ভাবনা
Jan 4, 2024
বহু টালবাহানার পর ব্রিগেড গ্রাউন্ডে 'ইনসাফ সভা' করার অনুমতি পেয়েছে বাম ছাত্র ও যুব সংগঠন । মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানিয়ে দিলেন ডিওয়াইএফআই নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় । ওই দিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাম ছাত্র-যুব তো বটেই, চাকরির দাবিতে, ন্যায্য মজুরির দাবিতে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষও সভায় শামিল হবেন বলে দাবি করেছেন বাম নেত্রী ।
গতকাল মহঃ সেলিম সহ মীনাক্ষীরা ব্রিগেডের মাঠ পরিদর্শন করতে আসেন।
ব্রিগেডেই মিটিং হবে…’ বলে ময়দান পরিদর্শনে মীনাক্ষী। যুবনেত্রীর কানে মোবাইল-ঘন ঘন সাংগঠনিক বার্তা পাঠাচ্ছেন জেলায় জেলায়। পিঠে ব্যাগ ঝুলছে। যুব সংগঠন DYFI রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জিকে (Minakshi Mukherjee) পৌষের মিঠে রোদে এমনইভাবে দেখা গেল ব্রিগেডে। সেনাবাহিনীর তরফে অনুমতি আসার পরেই ব্রিগেডে জনসভা করার প্রস্তুতি দেখতে মাঠে নামলেন রাজ্য জুড়ে ইনসাফ যাত্রায় হেঁটে আসা মীনাক্ষী মু়খার্জিসহ বাম যুব নেতারা।
৭ জানুয়ারি মূলত DYFI এর ডাকা ব্রিগেড সমাবেশ। তবে সমাবেশ সফল করতে ‘জনসুনামি’ আনতে মরিয়া বাম শিবির।
মঙ্গলবার মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, "৭ তারিখ ব্রিগেডে সমাবেশ । বেলা সাড়ে বারোটায় সমাবেশ । এই সময়কালে যাঁরা আক্রান্ত, যাঁরা শহিদ পরিবার, তাঁদের কাছে আমরা পৌঁছেছি । সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, চিকিৎসক - প্রতিদিন যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদেরও লড়াইয়ে পাশে পাওয়ার আবেদন করছি । সকলেই আসবেন ।"বিশেষ করে শহর ও শহরতলি লাগোয়া কলকাতা, হাওড়া ও দুই ২৪ পরগনার সাধারণ মানুষ এই ব্রিগেডে আসবেন বলে জানিয়েছেন মীনাক্ষী । শহরের মোট সাতটি জায়গা থেকে মিছিল করে ব্রিগেডের দিকে রওনা হবেন কর্মী ও সমর্থকরা ।
মীনাক্ষী বলেন, "৭ তারিখে ব্রিগেড সমাবেশে প্রকৃতিকেও বাঁচাতে হবে । প্রতিটি ইউনিট কমিটিকে অনুরোধ, আসুন ৭ তারিখ তবে পরিবেশকে বাঁচিয়ে । কলকাতার সবুজকে বাঁচানোর দায়িত্বও আমাদের ।"ওই দিন মোট ৭টা পয়েন্ট থেকে মিছিল আসবে । খিদিরপুর মাজার, হাজরা মোড়, সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার, পার্ক সার্কাস, মল্লিক বাজার, সেন্ট্রাল মেট্রো, হাওড়া স্টেশন ও শিয়ালদা স্টেশন ৷ মীনাক্ষীর আবেদন, "এটা দেশ বাঁচানোর, রাজ্য বাঁচানোর লড়াই । দেশদ্রোহিদের বিরুদ্ধে লড়াই । ভুল এজেন্ডার বিরুদ্ধে মূল এজেন্ডা নিয়ে লড়াই ৷ নকল যুদ্ধে নয় আসল যুদ্ধে আসুন ৷"
সে দিন সমস্ত বামপন্থী যুব ও অন্যান্য সংগঠনও আসবে বলে জানিয়েছেন ডিওয়াইএফআই নেত্রী । অনেক সিভিক পরিবার ও পরিযায়ী শ্রমিকরাও আসবেন বলে খবর । ভিন রাজ্যেও এই ইনসাফ সভা দেখানো হবে । মীনাক্ষীর কথায়, " রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকরাই জায়ান্ট স্ক্রিনের ব্যবস্থা করছেন । কেরলে ও বেঙ্গালুরুতে জায়েন্ট স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে । ওখান থেকে আর্থিক সাহায্যও পেয়েছি আমরা । তাঁরা অনেকেই আসবেন।
We hate spam as much as you do