বিশ্বজিৎ দাস এসেছেন, তন্ময় ঘোষ এসেছেন, সৌমেন রায় এসেছেন। এবার বঙ্গ বিজেপিকে ভালো রকম ঝটকা দিয়ে শনিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন দু-বারের সাংসদ ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বড়াল।
বিজেপি তৃণমূলের ঘর ওয়াপসি চলছে, মুকুল থেকে বাবুল,আরও কি কি নাম আছে?
অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূলে যুক্ত হলেন। মুকুল থেকে শুরু। এখানেই শেষ নয়। আরো অনেক সাংসদ বিধায়ক নাকি অপেক্ষা করছেন। বিজেপি ছেড়ে মমতা ব্যানার্জীর হাত ধরবেন বলে
বিশ্বজিৎ দাস এসেছেন, তন্ময় ঘোষ এসেছেন, সৌমেন রায় এসেছেন। এবার বঙ্গ বিজেপিকে ভালো রকম ঝটকা দিয়ে শনিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন দু-বারের সাংসদ ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বড়াল।
এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে লাইনে আর কে কে আছে? তৃণমূলের দাবি বাবুলের পরে আরও অন্তত ২৫জন বিধায়ক আর ৭জন সাংসদ আছেন লাইনে যারা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন।
নেটদুনিয়ায় বেশ কিছু সাংসদদের নাম দলবদলের তালিকায় ঘোরাঘুরি করেছে। দেখে নিন কারা তাঁরা।
জল্পনায় সবার ওপরের নামটা বিষুপরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের। স্ত্রী সুজাতা খাঁ এখন তৃণমূলে। বঙ্গ বিজেপির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার ফেসবুকে পোস্ট করে আবার পিছিয়ে গেছেন। তবে বৌয়ের অঞ্চল ধরে পুরোনো দলে ফেরার সম্ভাবনা তাঁরই নাকি সবচেয়ে বেশি বলে জল্পনা চলছে।
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বানালেও সিএএ নিয়ে শান্তনু ঠাকুরকে নিরাশ করেছে বিজেপি। মতুয়াদের সমর্থন নাকি তাঁর ওপর থেকে কমতেই থাকছে। এদিকে তাঁর সম্বন্ধে তৃণমূলের সঙ্গে যোগ রাখার জল্পনাও বেড়ে চলেছে। তাই তিনি যে দলবদল করতে খুব একটা অনিচ্ছুক নন, একথা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
লকেট চট্টোপাধ্যায় একটা সময়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের স্নেহধন্যা ছিলেন। রাজ্য মহিলা কমিশিনের দায়িত্বে ছিলেন ২০১২ নাগাদ। ২০১৪তে টিকিট না পেয়েই নাকি বিজেপিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে যোগ রেখে চলছেন, এরকম প্রায়ই শোনা গেছে। বিধানসভা ভোটে হেরে তাঁর জৌলুস নাকি অনেকটাই কমেছে। পাননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বও। তাই, তাঁকে ঘিরেও জল্পনা শুরু হয়েছে।
সুরিন্দরজিৎ সিংহ আলুওয়ালিয়া দু-বারের সাংসদ। দার্জিলিংয়ের পর এবার জিতেছেন বর্ধমান-দুর্গাপুর থেকে। কিন্তু তাঁকে নাকি পাত্তা দেয়া হয় না বলে তিনি রীতিমত ক্ষুব্ধ, এরকমই চাউর হয়েছে নেটমহলে। সুতরাং দলবদলের জল্পনা থেকে তিনিও বাদ নেই।
খগেন মুর্মু ছিলেন মার্ক্সবাদী কম্যুউনিস্ট পার্টির বিধায়ক। ২০১৯শে দলবদল করে বিজেপির টিকিটে লোকসভা ভোটে জেতেন মালদা উত্তর থেকে। বাম মানসিকতা নিয়ে বিজেপিতে তিনি নাকি একঘরে হয়ে থাকছেন বলে জোর গুজব। তাই তার বিজেপি ছাড়া নিয়ে জল্পনাকেও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
We hate spam as much as you do