ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মধ্যেই আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ছয়জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে এর বিনিময়ে ইসরায়েল ৬০২ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। এই বন্দি বিনিময়ের ঘটনাটি দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আজই ৬ ইসরায়েল বন্দীর বিনিময়ে ৬০২ ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তির হচ্ছে
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫,
যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় সপ্তম দফায় শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) আরও ৬ ইসরায়েল বন্দী মুক্তি হচ্ছে ফিলিস্তিনের হামাস। বিনিময়ে ৬০২ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিচ্ছে ইসরাইল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাসের প্রকাশিত তালিকায় রয়েছে এলিয়া কোহেন, ওমের শেম টভ, তাল শোহাম, ওমের ওয়েনকার্ট, হিশাম আল-সায়েদ এবং আভেরা মেঙ্গিস্টো। তাদের মধ্যে মেঙ্গিস্টো এবং আল-সায়েদ গাজায় এক দশক আগে প্রবেশ করেছিলেন এবং সেখানেই আটক ছিলেন।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মধ্যেই আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ছয়জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে এর বিনিময়ে ইসরায়েল ৬০২ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। এই বন্দি বিনিময়ের ঘটনাটি দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই বন্দি বিনিময় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ। গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়, যাতে ১,১৩৯ জন নিহত হন এবং ২০০-র বেশি মানুষ বন্দি হন। এর জবাবে ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও চলছে। এই বন্দি বিনিময়ের লক্ষ্য কিছু মানবিক সংকট লাঘব করা হলেও সামগ্রিকভাবে সংঘাত থামানোর কোনো নিশ্চয়তা নেই।
এদিকে, ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের জেনিন ও হেবরনে দুই ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে। নিহতদের বয়স মাত্র ১৩ বছর। ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ৪৮,৩১৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,১১,৭৪৯ জন আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি সরকারি গণমাধ্যম অফিস জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা বহু নিহতের এখনো উদ্ধার করা যায়নি, যা নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৬১,৭০৯ ছাড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেও বন্দি বিনিময়ের ঘটনা সংঘাত কমানোর সম্ভাবনা জাগালেও প্রকৃত শান্তির পথ কঠিন। দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছে, কিন্তু চূড়ান্ত সমাধান কবে আসবে, তা এখনও অনিশ্চিত।
এই সংকট কেবল ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও মানবাধিকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা।
We hate spam as much as you do