২০১৭ সালের তুলনায় ২০২২ সালে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি উত্তর প্রদেশে ভাল ফল করেছে। এবার তাদের রাজ্যসভায় আসনও বাড়বে। সেই পরিস্থিতিতে কপিল সিবালের অনুরোধ ফেলেনি তারা।সিবালকে সমর্থন করার পাশাপাশি এসপি জানায়, এব্যাপারে কপিল সিবালকে দলে না যোগ দিলেও হবে।
কংগ্রেস ছেড়ে অখিলেশের দলের হয়ে রাজ্যসভায় কপিল সিবাল
অভিষেক মনু সিংভি, পি চিদাম্বরম এবং কপিল সিবাল তৃণমূলের হয়ে কিংবা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হয়ে মামলা লড়েন। এঁদের মধ্যে অভিষেক মনু সিংভি তৃণমূলের সমর্থনে রাজ্যসভায় দিয়েছেন। কপিল সিবাল খানিকটা তেমনি চেয়েছিলেন, এমনটাই খবর সূত্রের। কিন্তু তাতে বাদ সাধেন মমতা-অভিষেক উভয়েই। ফলে শেষ পর্যন্ত সমাজবাদী পার্টির হয়েই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেন কপিল সিবাল।
এদিন উত্তর প্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন দাখিল করেছেন কপিল সিবাল। সমাজবাদী পার্টি তাঁকে সমর্থন করছে। তবে তার আগে কপিল সিবাল কংগ্রেসের সদস্যপদে ইস্তফা দিয়েছেন। এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ারপরে তিনি জানান ১৬ মে তিনি কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেছেন। এদিন তিনি এসপি প্রধান অখিলেশ যাদব এবং সাংসদ রামগোপাল যাদবকে পাশে বসিয়ে মনোনয়ন জমা দেন।
২০১৭ সালের তুলনায় ২০২২ সালে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি উত্তর প্রদেশে ভাল ফল করেছে। এবার তাদের রাজ্যসভায় আসনও বাড়বে। সেই পরিস্থিতিতে কপিল সিবালের অনুরোধ ফেলেনি তারা।সিবালকে সমর্থন করার পাশাপাশি এসপি জানায়, এব্যাপারে কপিল সিবালকে দলে না যোগ দিলেও হবে।
জানা গিয়েছে, কপিল সিবালই প্রথম তৃণমূলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছিলেন। তিনি রাজ্যসভায় তৃণমূলের এক সাংসদকে বলেছিলেন, কংগ্রেসের সাংসদ হিসেবে মেয়াজ ফুরোচ্ছে। কিন্তু
তিনি আর কংগ্রেস সদস্য হিসেবে রাজ্যসভায় যেতে চান না। তৃণমূল কি তাঁকে সমর্থন করবে, এই প্রশ্নের উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল বলেছিল প্রাথমিকভাবে আপত্তি নেই। তারা মনে
করেছিল সিবাল তৃণমূলে যোগ দিয়ে তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভায় প্রার্থী হবেন। সেই সময় কপিল সিবাল জানিয়ে দেন, তিনি সরাসরি দলে যোগ না দিয়ে নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান।
যা খারিজ করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
We hate spam as much as you do