মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, সরকারের তরফে ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন আইন পরিবর্তনের খসড়া তৈরির কাজও শুরু করা হয়েছে। যদিও বিরোধী দলগুলির তরফে এই নিয়ে কড়া বিরোধিতা আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই তৈরি হয়েই আসরে নামছে কেন্দ্র। যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সরকার এই বিল পাস করাতে কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সংসদে সংশোধনী পাস হলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির বেসরকারীকরণে কোনও বাধা থাকবে না। এরপরেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
কেন্দ্র দুই ব্যাঙ্ক বেসরকারীকরণের লক্ষ্যে নতুন আইন আনছে
দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্ককে বেসরকারিকরণ করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর জন্য ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন আইনে প্রয়োজনীয় বদলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, লোকসভার আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সরকার এই সংক্রান্ত বিলটি আনতে চলেছে। গত বছরই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এ সংক্রান্ত ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্ককে বেসরকারীকরণ করতে চায় কেন্দ্র। তবে তালিকায় কোন কোন ব্যাঙ্ক আছে তা খোলসা করেননি তিনি। এই লক্ষ্যেই ব্যাঙ্ক জাতীয়করণ আইন ১৯৭০ এবং ১৯৮০ এবং ব্যাঙ্ক কন্ট্রোল আইন ১৯৪৯ সংশোধন করা উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার।
মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, সরকারের তরফে ব্যাঙ্কিং রেগুলেশন আইন পরিবর্তনের খসড়া তৈরির কাজও শুরু করা হয়েছে। যদিও বিরোধী দলগুলির তরফে এই নিয়ে কড়া বিরোধিতা আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই তৈরি হয়েই আসরে নামছে কেন্দ্র। যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সরকার এই বিল পাস করাতে কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সংসদে সংশোধনী পাস হলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির বেসরকারীকরণে কোনও বাধা থাকবে না। এরপরেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
প্রাথমিকভাবে, দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে বেসরকারী বিনিয়োগের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যদিও কোন দুটি ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণ করা হবে তা এখনও ঘোষণা করেনি কেন্দ্র।
সূত্রের খবর, মোদি সরকার প্রাথমিকভাবে চারটি মাঝারি মানের ব্যাঙ্ককে বেসরকারিকরণের জন্য বেছে নিয়েছে। প্রাথমিক তালিকায় থাকা ওই চারটি ব্যাঙ্ক হল, ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক এবং সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। পরবর্তীকালে, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক এবং সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বেশিরভাগ শেয়ার বিক্রি করার প্রস্তাব দেয় নীতি আয়োগও। কেন্দ্রীয় সরকার নীতি আয়োগের এই প্রস্তাবে কোনও আপত্তি জানাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে এই দুটি ব্যাঙ্কের বেসরকারীকরণ কার্যত নিশ্চিত।
We hate spam as much as you do