রবিবার ঘড়িতে সময় বিকেল প্রায় ৪টে ৪০। আচমকাই প্রবলভাবে কেঁপে ওঠে বাংলা লাগোয়া অসমের ঢেকুয়াজুলি এলাকা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সেই কম্পন ছড়িয়ে পড়ে উত্তরবঙ্গেও। কাঁপতে থাকে দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। আতঙ্কে অনেকেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। ঘরের পাখা-সহ বিভিন্ন সামগ্রী দুলতে থাকে। মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে শহর কলকাতাতেও। বিকেলে পথচলতি মানুষজন সামান্য কাঁপুনি টের পেয়েছেন,
অসমে ভূমিকম্প, কাঁপল উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা, মৃদু কম্পন কলকাতাতেও
Sep 14, 2025
সেখান থেকে কম্পন ছড়িয়ে পড়ল উত্তরবঙ্গেও। মৃদু কম্পন অনুভূত হল কলকাতাতেও। রবিবার বিকেল নাগাদ দিকে দিকে ভূমিকম্প ঘিরে আতঙ্কের পরিবেশ। জানা গিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫.৯। ভূমিকম্পের উৎসস্থল অসমের ঢেকুয়াজুলি। এর প্রভাব পড়েছে ঢাকাতেও। ক্ষয়ক্ষতির এখনও তেমন কোনও খবর মেলেনি।
রবিবার ঘড়িতে সময় বিকেল প্রায় ৪টে ৪০। আচমকাই প্রবলভাবে কেঁপে ওঠে বাংলা লাগোয়া অসমের ঢেকুয়াজুলি এলাকা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সেই কম্পন ছড়িয়ে পড়ে উত্তরবঙ্গেও। কাঁপতে থাকে দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। আতঙ্কে অনেকেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। ঘরের পাখা-সহ বিভিন্ন সামগ্রী দুলতে থাকে। মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে শহর কলকাতাতেও। বিকেলে পথচলতি মানুষজন সামান্য কাঁপুনি টের পেয়েছেন, তবে তা খুব অল্প সময়ের জন্য। অন্যদিকে, ঢাকার আশপাশ এলাকাও কেঁপে ওঠে। অসম বা উত্তরবঙ্গে কোথাও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি এখনও। তবে অসমের ঢেকুয়াজুলি অর্থাৎ কম্পনের উৎসস্থলের আশপাশে ক্ষতি হয়েছে বলেই ধারণা।
২০১১ সালের বিশ্বকর্মা পুজোর সময় বড়সড় ভূমিকম্পের সাক্ষী হয়েছিল উত্তরবঙ্গ। সেবার সিকিম-সহ পাহাড়ি এলাকা ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয়। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ছয়ের কাছাকাছি। ১৪ বছর হয়ে গেলেও সেই আতঙ্ক এখনও পিছু ছাড়েনি উত্তরবঙ্গবাসীর। এবছরও একই সময়ে এই ঘটনা ঘটল।
We hate spam as much as you do