Tranding

09:18 PM - 04 Feb 2026

Home / Politics / গোষ্ঠীদ্বন্দ? কেন গুলি? হতাশ কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর রাজনীতি ছাড়তে চাইছেন

গোষ্ঠীদ্বন্দ? কেন গুলি? হতাশ কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর রাজনীতি ছাড়তে চাইছেন

কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। তিনি বলেন,' আজকে যে ঘটনা ঘটেছে, আমার পক্ষে খুব হতাশাজনক। আমি এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ছিলাম। ১২ বছর কাউন্সিলার ছিলাম। আমার নিজের ওয়ার্ডে, নিজের পাড়া, নিজের বাড়ির তলায় এই ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হতে হবে, আমি ভাবতে পারছি না। আমি খুব আঘাত পেয়েছি। যতটা না আতঙ্ক, তার চেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছি। আমি চাইব, কলকাতা যে মূল অভিযুক্ত, তাকে আমরা ধরে দিয়েছি, আগ্নেয়াস্ত্র-সহ। এতো আসলে মহোরা, আসল যে লোক তাকে নিশ্চিতভাবে ধরা যাবে'।

গোষ্ঠীদ্বন্দ? কেন গুলি? হতাশ কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর রাজনীতি ছাড়তে চাইছেন

গোষ্ঠীদ্বন্দ? কেন গুলি? হতাশ কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর রাজনীতি ছাড়তে চাইছেন

 

Fri, 15 Nov 2024


কসবায় 'আক্রান্ত' তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। বললেন, 'আমি হতাশ, আমি শকড। দলের কেউ এখনও যোগাযোগ করেনি। এরপর রাজনীতি তে থাকব কিনা ভাবব'। 


কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ।  তিনি বলেন,' আজকে যে ঘটনা ঘটেছে, আমার পক্ষে খুব হতাশাজনক।  আমি এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ছিলাম। ১২ বছর কাউন্সিলার ছিলাম। আমার নিজের ওয়ার্ডে, নিজের পাড়া, নিজের বাড়ির তলায় এই ধরনের ঘটনার মুখোমুখি হতে হবে, আমি ভাবতে পারছি না। আমি খুব আঘাত পেয়েছি। যতটা না আতঙ্ক, তার চেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছি। আমি চাইব, কলকাতা যে মূল অভিযুক্ত, তাকে আমরা ধরে দিয়েছি, আগ্নেয়াস্ত্র-সহ। এতো আসলে মহোরা, আসল যে লোক তাকে নিশ্চিতভাবে ধরা যাবে'।
কিন্তু মূল অভিযুক্ত কে? সে কি নিজের দলেরই কেউ ? নাকি অন্য কোথাও সেই প্রশ্নের উত্তর দেবে তদন্ত। কিন্তু আপাতত এক্ষেত্রে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ তৃণমূল কংগ্রেসে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। সেই কারণেই কাউন্সিলার নিজের হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যে।

এবার কিন্তু প্রথম নয়। হামলা হামলা হয়েছিল আর আগেও। সুশান্ত বলেন, 'আগের গুলি গায়ে মাখিনি। কিন্তু এটা আমাকে ব্যাথিত করেছে। আমার পরিবারও খুবই আতঙ্কিত'।


ঘটনাটি ঠিক কী? আজ, শুক্রবার সন্ধেয় কসবায় নিজের বাড়ির কাছে বসেছিলেন সুশান্ত। অভিযোগ, বাইকে করে সেখানে হাজির হয় ২ জন। তাদের মধ্যেই ১ জন বাইক থেকে নেমে তৃণমূল কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে বন্দুকের ট্রিগার চেপে দেয়। কিন্তু কোনও কারণে গুলি বেরোয়নি। এরপর ধাওয়া করে একজনকে ধরে ফেলেন কাউন্সিলরের অনুগামী। ওই নাবালককে আটক করেছে পুলিস। আর একজন পলাতক।


কাউন্সিলের বাড়ির সামনে লাগানো ছিল সিসি ক্য়ামেরা। তাতেই ধরা পড়েছে ঘটনাটি। দেখা যাচ্ছে, অভিযুক্ত তখন গুলি চালানোর চেষ্টা করছেন। বিপদ বুঝে প্রথম লাথি চালান কাউন্সিলর। তারপর তাঁকে ধরতে ছুটে যান নিজেই। সঙ্গে অনুগামীরাও। তবে  দু’জনের মাথাতেই হেলমেট থাকায় সিসিটিভি ফুটেজে কারও মুখের ছবিই ধরা পড়েনি। 

Your Opinion

We hate spam as much as you do