এএনআই সুত্রে খবর, এই প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন সুখবীর সিং। তাঁর অভিযোগ, ‘অকালি দলের সমর্থকদের ওপর লাঠি চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ। ভাঙচুর করা হয়েছে কর্মী-সমর্থকদের গাড়িতেও। শান্তিপূর্ণ একটা প্রতিবাদ মিছিল বন্ধ করে দেওয়া হল। আমরা এখানে জমায়েত করেছিলাম প্রধানমন্ত্রীকে বার্তা দিতে। আমরা বলতে চাই শুধু পাঞ্জাব নয়, গোটা দেশ কৃষি আইনের বিরুদ্ধে।‘
অকালি দলের কৃষি আইন-বিরোধী মিছিল দিল্লিতে আটক সুখবীর সিং
অকালি দল প্রধান-সহ প্রাক্তন মন্ত্রী
সংসদ ভবন পর্যন্ত শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছিল পাঞ্জাবের প্রাক্তন শাসক দল। সেই কর্মসূচি ঘিরেই উত্তেজনা ছড়ায়।
দিল্লির রাস্তায় প্ল্যাকার্ড হাতে অকালি দল সমর্থকরা। শিরোমণি অকালি দলের কৃষি আইন বিরোধী বিক্ষোভে উত্তেজনা দিল্লির সংসদ মার্গ এলাকায়। বিক্ষোভস্থল থেকে আটক করা হয়েছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী-সহ অকালি দলের প্রধানকে। জানা গিয়েছে, শিরোমণি অকালি দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদল-সহ হরসিমরত কৌর বাদলকে আটক করে সংসদ মার্গ থানায় রাখা হয়েছে। সংসদ ভবন পর্যন্ত শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছিল পাঞ্জাবের প্রাক্তন শাসক দল। সেই কর্মসূচি ঘিরেই উত্তেজনা ছড়ায়।
এএনআই সুত্রে খবর, এই প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন সুখবীর সিং। তাঁর অভিযোগ, ‘অকালি দলের সমর্থকদের ওপর লাঠি চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ। ভাঙচুর করা হয়েছে কর্মী-সমর্থকদের গাড়িতেও। শান্তিপূর্ণ একটা প্রতিবাদ মিছিল বন্ধ করে দেওয়া হল। আমরা এখানে জমায়েত করেছিলাম প্রধানমন্ত্রীকে বার্তা দিতে। আমরা বলতে চাই শুধু পাঞ্জাব নয়, গোটা দেশ কৃষি আইনের বিরুদ্ধে।‘
এদিকে, অকালি দলের এই বিক্ষোভের জন্য এদিন সকাল থেকেই পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে দিল্লিকে। রাকাব গাঞ্জিব সাহিব থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত কৃষি আইন-বিরোধী এই প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য কোন পুলিশি অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনটাই দিল্লি পুলিশ সুত্রে খবর। তাই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দিল্লিজুড়ে ১৪৪ ধারা কার্যকর।
অপরদিকে, এদিন সকালে ট্যুইট করে শিরোমণি অকালি দলের তরফে বলা হয়, ‘পঞ্জাব-দিল্লি সীমান্ত সিল করা হয়েছে। পঞ্জাব-দিল্লি মুখী গাড়ি আটকে দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে পাঞ্জাবিদের দিল্লি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমাদের শান্ত প্রতিবাদের ভাষায় ভয় পেয়েছে শাসক দল।
কৃষি বিল বিরোধী দল এবং বিজেপির মিত্র আকালি দল সংসদে কৃষি বিলের
বিরোধিতা করেছিল। এমন অবস্থাও আসে যে, হরসিমরত কৌর কেন্দ্রের মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। সেই সময়ে, উভয় দলের ২৪ বছরের পুরনো জোটও ভেঙে গেছে।
We hate spam as much as you do