গুরুতর আহত অন্তত ৫/৬ জন, এছাড়াও আহত ৫০/৬০ জন ছাত্র-যুব কর্মী। প্রায় ১০০ জন কর্মীকে সল্টলেকের ৩ টি থানায় দীর্ঘ সময় আটকে রাখে সরকারের পুলিশ।
SSC দূর্নীতির প্রতিবাদে বাম ছাত্রযুব বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা
২০১১ সালের পর থেকে সব নিয়োগে অবাধ দুর্নীতি। কমিশন, পর্ষদ, সরকারের কেষ্টবিষ্টুরা মিলেমিশে চালাচ্ছে বে-আইনি কারবার। মেধা, শ্রমের মূল্য নেই। ব্যাক ডোর দিয়ে টাকা খরচ করে চাকরি পেতে হবে এবং অবশ্যই শাসকদল তৃণমূলের সংস্পর্শে থাকতে হবে। বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে অর্থের লোভে, হীন স্বার্থে এস.এস.সি-র নিয়োগে অন্তহীন দুর্নীতির প্রতিবাদে আজ SFI/DYFI -র বিক্ষোভে যথারীতি পুলিশ মারমুখি।
গুরুতর আহত অন্তত ৫/৬ জন, এছাড়াও আহত ৫০/৬০ জন ছাত্র-যুব কর্মী। প্রায় ১০০ জন কর্মীকে সল্টলেকের ৩ টি থানায় দীর্ঘ সময় আটকে রাখে সরকারের পুলিশ।
ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স থানায় যেভাবে চোর, ডাকাতদের রাখে সেইভাবে চাকরিতে দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে যাওয়া ছাত্র-যুব কর্মীদের রাখা হয়। গায়ে হাত দেওয়া হয়, যা করা যায় না। পুরু
ষ পুলিশের হাতে আক্রান্ত হন ছাত্রীরাও। কিছু সিভিক বা উর্দিধারীরা অশালীন মন্তব্য, অভব্য আচরণ করে।
সুজন চক্রবর্তী, আভাস রায় চৌধুরী সহ গণ আন্দোলনের নেতারা গেলে থানায় পুলিশের সঙ্গে বচসা, ধস্তাধস্তিও হয়। শেষে উর্ধতন অফিসাররা আলোচনায় বসতে বাধ্য হন। ব্যক্তিগত জামিনে থানা থেকে বেরোতে সাহসী ছাত্র-যুব কর্মীরা রাজী হননি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসন সকলকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হন।
We hate spam as much as you do