প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের শিষ্য রঞ্জিত সিং খুন হয়। অভিযোগ, রঞ্জিত সিং গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের কৃতকর্ম সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন। এরপর তিনি আশ্রম ছেড়ে চলে যান। এই ঘটনার পর ১০ জুলাই ২০০২ সালে রঞ্জিত খুন হন। ২০০৩ সালের ৩ ডিসেম্বর রঞ্জিত সিংহ হত্যা মামলায় এফআইআর দায়ের করা হয়
রঞ্জিত সিং খুনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাবা রাম রহিম সহ চারজনের
ম্যানেজার খুনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হল গুরমীত রাম রহিম সিংসহ চারজন। রাম রহিমের সঙ্গে অভিযুক্ত চারজন হলেন কৃষ্ণান লাল, জসবীর সিং, অবতার সিং, সবদিল । দু’দশক ধরে এই মামলা চলছিল আদালতে। অবশেষে সেই মামলারই সাজা ঘোষণা করল আদালত। শুধুমাত্র যাবজ্জীবন কারাদন্ডেই নয় মামলার মূল অভিযুক্ত রাম রহিমকে ৩১ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযুক্ত সবদিলকে দেড় লক্ষ টাকা। কৃষ্ণান এবং জশবীর প্রত্যেককে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা এবং অবতারকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। যার মধ্যে জরিমানার ৫০ শতাংশই দেওয়া হবে রঞ্জিত সিংয়ের পরিবারকে। ডেরা মালিক রঞ্জিত সিংকে ম্যনেজার খুনের পাশাপাশি সাংবাদিক রাম চন্দ্র ছত্রপতি খুনের জন্য রাম রহিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তার দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের দায়ে ২০১৭ সাল থেকে ২০ বছরের কারাদণ্ড কাটাচ্ছেন রাম রহিম।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং জরিমানা করা হয়েছে। যদিও এই রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা-ব্যবস্থায় আরও জোর দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। ঘটনার সাজা ঘোষনায় প্রতিহিংশা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই সতর্ক করা হয়েছে প্রশাসনকে।
প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের শিষ্য রঞ্জিত সিং খুন হয়। অভিযোগ, রঞ্জিত সিং গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের কৃতকর্ম সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন। এরপর তিনি আশ্রম ছেড়ে চলে যান। এই ঘটনার পর ১০ জুলাই ২০০২ সালে রঞ্জিত খুন হন। ২০০৩ সালের ৩ ডিসেম্বর রঞ্জিত সিংহ হত্যা মামলায় এফআইআর দায়ের করা হয়। রঞ্জিত সিংয়ের ছেলে জগসীর সিং এই পিটিশন দায়ের করেন।রঞ্জিত সিংয়ের ছেলে জগসীর সিং এই মামলা পাঞ্জাবের অন্য আদালতে স্থানান্তরিত করার আবেদন করেন। এই মামলা স্থানান্তর করার আগেই মামলার রায় দেয় আদালত। রায় অনুযায়ী, গুরমিত রাম রহিম সিং- সহ ৫ অভিযুক্তকে আইপিসির ৩০২ ধারার (হত্যার) অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।
We hate spam as much as you do