নিশ্চিতভাবেই তৃণমূল বিজেপির পারস্পরিক টানাটানির কারণেই বরানগরে উপনির্বাচন । না হলে কোন প্রয়োজন ছিল না। একথা তন্ময় তার প্রচারে বারে বারে বলছেন । তন্ময় ভট্টাচার্যের প্রচারে একটি নতুন সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে । দমদম লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে অবস্থিত এই বিধানসভা নিঃসন্দেহে এইবার বামেদের পক্ষে আসবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে । সাংবাদিকরা এবং ওয়াকিবহাল মহল বিভিন্ন এলাকার অংশ ঘুরে বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানা এবং চালু কল-কারখানায় শ্রমিক সংকট প্রত্যক্ষ করে এটা বোঝা যাচ্ছে বরানগর পরিবর্তন চাইছে।
বরানগরে প্রাক্তন ও বর্তমান তৃণমূল বনাম বামেদের তন্ময়কেই ভরসা করতে পারেন মানুষ
৩১মে ২০২৪
গণমাধ্যমে সিপিএমের পরিচিত মুখ তন্ময় ভট্টাচার্য বরানগরের বাসিন্দা শুধু নন। তিনি বিজেপি এবং তৃণমূলের প্রার্থীদের চেয়ে অনেক বেশি পরিচিত। প্রথমত বরানগরের পাশের কেন্দ্রে পাঁচ বছর বিধায়ক থাকার পর সিপিআইএমের মুখপাত্র হিসেবে টেলিভিশনে একটি পরিচিত মুখ তন্ময় ভট্টাচার্য। স্বাভাবিকভাবে অন্য প্রার্থীদের থেকে তিনি সবসময় ছিলেন প্রচারে এগিয়ে। বরানগরের মানুষের মত প্রকাশের ক্ষেত্রে তন্ময় ভট্টাচার্য বারে বারে ৭৭ সালের আগে জ্যোতি বসুর ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরছেন। সেই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বরানগরে বামফ্রন্টের প্রার্থী জয়লাভ করার কথাও উল্লেখ করেছেন।
বরানগরের মানুষ বেশ খানিকটা বিরক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের বহুদিনের পরিচিত বিধায়ক তাপস রায় যখন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাথে বিজেপির সম্পর্কের সমালোচনা করতে করতে নিজেই বিজেপি হয়ে গেলেন । ফলে একটা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এসে দাঁড়িয়েছে বরানগরে কে বিজেপি কে তৃণমূল বোঝা যাচ্ছে না । তৃণমূলের প্রার্থী তিনি রাজনীতিতে যথেষ্ট পরিচিত মুখ নন। বিজেপিকে এই কেন্দ্রে বেশ কয়েকদিন আগে তৃণমূল থেকে আসা পুরনো কর্মী সজল ঘোষকে প্রার্থী করতে হয়েছে। সজল আসলে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের প্রত্যাশী ছিলেন। প্রার্থী না হওয়ায় তাই সজল খানিকটা বিরক্ত ছিলেন ।এইসব বিতর্কের মাঝে বরানগরের উপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নিশ্চিতভাবেই তৃণমূল বিজেপির পারস্পরিক টানাটানির কারণেই বরানগরে উপনির্বাচন । না হলে কোন প্রয়োজন ছিল না। একথা তন্ময় তার প্রচারে বারে বারে বলছেন । তন্ময় ভট্টাচার্যের প্রচারে একটি নতুন সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে । দমদম লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে অবস্থিত এই বিধানসভা নিঃসন্দেহে এইবার বামেদের পক্ষে আসবার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে । সাংবাদিকরা এবং ওয়াকিবহাল মহল বিভিন্ন এলাকার অংশ ঘুরে বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানা এবং চালু কল-কারখানায় শ্রমিক সংকট প্রত্যক্ষ করে এটা বোঝা যাচ্ছে বরানগর পরিবর্তন চাইছে। তবে তা প্রাক্তন তৃণমূল এবং বর্তমান তৃণমূলের মধ্যে লড়াইতেই সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি লাল ঝাণ্ডার হাতে এলাকার দায়িত্ব তুলে দেবে মানুষ তা দেখা যাবে ফলাফল প্রকাশের পর।
উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়ে তন্ময় বলেছেন, বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বিমেরু রাজনীতিকে পরাস্ত করার লক্ষ্যেই তাঁদের লড়াই। আর সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সেলিমের বক্তব্য, ‘‘নির্বাচনী বন্ডের দুর্নীতি, দুষ্কৃতী-রাজের প্রতিবাদ, সংবিধান ও ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের স্লোগান— ‘হক-রুটি-রুজি, জনতাই পুঁজি’। বাম ও কংগ্রেস প্রার্থীদের সর্বত্র সমর্থন করার জন্য বাংলার মানুষকে আবেদন জানাচ্ছি।’’
We hate spam as much as you do