Tranding

06:57 PM - 04 Feb 2026

Home / National / ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সারাভারত সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের।

২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সারাভারত সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুসারে এরা বলেন শ্রমজীবী মানুষের যুক্ত সংগ্রামকে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে। মানুষের জীবন, জীবিকার অবনতি, ক্ষুধার্তের সংখ্যার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি যা অবশ্যই গনতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর, মানুষের ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে যা আমাদের প্রিয় দেশের পক্ষে বিপজ্জনক।

২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সারাভারত সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের।

 ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সারাভারত সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের। 

 

দশটি  কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের যৌথ ঘোষনা আগামী ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি সমস্ত জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে  দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই ধর্মঘটের  প্রচারের জন্য কনভেনসন, বিক্ষোভ প্রদর্শন এসব হবে। 


এবছরে প্রথমে CITU বেঙ্গালুরুতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। সোমবার ৬ই ভিসেম্বর ঘোষনা করা হল জনবিরোধী, শ্রমবিরোধী  নীতির বিরুদ্ধে ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সর্বভারতীয় ধর্মঘট । 
ধর্মঘটের স্লোগান "মানুষ বাঁচাও, দেশ বাঁচাও "


সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতৃত্বের সাথে যুক্ত জনসভা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব, মুলত সেই সব রাজ্য যেখানে ২০২২ এর শুরুতেই নির্বাচন আছে। মুলত কৃষকদের আহ্বান  "Mission UP" এবং "Mission Uttarakhand কে শক্তিশালী করাই উদ্দেশ্য।

 

কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন  ও ফেডারেশন  ও অ্যাসোসিয়েশন  গুলির যুক্ত মঞ্চ গত রবিবার এই সিদ্ধান্ত নেয়।


গত ১১ই নভেম্বর একটা জাতীয় শ্রমিক কনভেনসনে বলা হয় শ্রমিক সংগঠনগুলোর দুদিন ব্যাপী এই ধর্মঘটের কথা। 


কৃষকদের সংগ্রামের এই ঐতিহাসিক জয় নিঃসন্দেহে ভারতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।


এর বর্তমান পরিকল্পনা অনুসারে এরা বলেন শ্রমজীবী মানুষের যুক্ত সংগ্রামকে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে হবে। মানুষের জীবন, জীবিকার অবনতি, ক্ষুধার্তের সংখ্যার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি যা অবশ্যই গনতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর, মানুষের ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে যা আমাদের প্রিয় দেশের পক্ষে বিপজ্জনক।

 

সাম্প্রতিক কালে উপনির্বাচনে বিজেপির বিপর্যয়ের ফলে স্পষ্টত মানুষের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ। ট্রেড ইউনিয়নগুলির বক্তব্য এ সবই কৃষকদের একটানা বিক্ষোভ ও দেশজুড়ে গনঅন্দোলনের  ফলে তৈরি হওয়া বিক্ষুব্ধ জনতার চাপেই কেন্দ্রীয় সরকার বাধ্য হয়েছে কৃষিবিল প্রত্যাহার, পেট্রল ডিজেলের ওপর ট্যাক্স কমাতে বাধ্য হয়েছে।


যৌথ ট্রেড ইউনিয়নের বক্তব্য সরকারের এই কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের জীবনে এবং দেশের অর্থনীতিতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। একমাত্র যৌথ সংগ্রামই পারে কেন্দ্রের জনবিরোধী নীতিগুলির বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে নিয়ে যেতে। এই সংগ্রামই বাস্তবায়িত হবে এই সর্বব্যাপী ধর্মঘটে।


INTUC, AITUC, HMS, CITU, AIUTUC, TUCC, SEWA, AICCTU, LPF and UTUC দশটি ট্রেড ইউনিয়নের দাবীর মধ্যে শ্রমকোড বাতিলের দাবী যুক্ত হয়েছে, অত্যবশকীয় প্রতিরক্ষা আইন, সংযুক্ত কিষান মোর্চার ছয় দফা দাবী সহ সরকারি সংস্থা গুলো বেসরকারিকরণের জন্য ন্যাশানাল মানিটাইজেসন পাইপলাইন এর বিরুদ্ধে, যাদের ইনকাম ট্যাক্স নেই এমন দুঃস্থ নাগরিকদের পরিবার পিছু ৭৫০০ টাকা এবং খাদ্যশস্য দেওয়া MNREGA তে খরচ বাড়ানো এবং গ্রামীন এলাকায় Employment Guarantee Scheme এর দাবি থাকছে।


সমস্ত প্রকল্প কর্মীদের সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, ন্যুনতম বেতন, অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা এই দাবীর অন্ত্ভক্ত। আশা, মিড ডে মিল এবং অন্যান্য স্কীম কর্মীদের উপযুক্ত সুরক্ষা। এই মহামারী সময়ে যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের দেখতে হবে, যারা প্রত্যক্ষ জনগনের জন্য কাজ করেন তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। সরকারকে কৃষিতে, শিক্ষায়, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য জটিল গনব্যবস্থ্যায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এল জন্য ধনীদের কর বৃদ্ধি প্রয়োজন। 


 এছাড়া অস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধি, ঠিকা শ্রমিকদের স্থায়ীকরন, সমকাজে সমবেতন , নতুন পেনসন স্কীম বাতিল করণ এবং পুরোনো পেনসন ব্যবস্থা চালু করা এই দাবীপত্রের অন্তর্ভুক্ত।


এই সাধারন ধর্মঘটের জন্য সর্বত্র রাজ্যগুলোতে কনভেনসন, মানববন্ধন, মশাল মিছিল, গনসাক্ষর সংগ্রহ, গন প্রচার বিক্ষোভ সংগঠিত হবে। জনগনকে ধর্মঘটের দাবীগুলো নিয়ে সচেতন করার উদ্দেশ্যে এবং মোদী সরকারের শ্রমিক বিরোধী কৃষক বিরোধী জনবিরোধী ধ্বংসাত্বক  নীতিগুলির বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। 

Your Opinion

We hate spam as much as you do