জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয় এই খেলরত্ন পুরষ্কার যখন খেলোয়াড়ের নামে করা হল তখন নরেন্দ্র মোদী আর অরুন জেটলির নামে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করা উচিত। কংগ্রেস মুখপাত্র রনদীপ সুরজওয়ালা বলেন আসলে এইসব করে দেশের মধ্যে কৃষিবিল, পেগাসাস, পেট্রপণ্যের মুল্যবৃদ্ধির জ্বলন্ত ইস্যুগুলো থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতে চাইছে।
রাজীব গাঁধী খেলরত্ন অ্যাওয়ার্ডের নাম বদলে মেজর ধ্যানচাঁদের নামে ঘোষনা মোদীর,
রাজীব গাঁধী খেলরত্ন অ্যাওয়ার্ডের নাম বদলে গেল। সেই অ্যাওয়ার্ডের নামকরণ করা হল মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন অ্যাওয়ার্ড। নিজের ট্যুইটারে সেই ঘোষণা করলেন প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খেলার দুনিয়ায় দেশের নামকড়া ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের তাঁদের সাফল্যের নিরিখে খেলরত্ন পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে। এতদিন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রাজীব গাঁধীর নামে এই পুরস্কারের নামকরণ ছিল। কিন্তু এবার সেই পুরস্কারের নাম থেকে প্রয়াত প্রধামন্ত্রীর নাম বাতিল হয়ে গেল। এবার থেকে সেই পুরস্কারের নাম হল মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন অ্যাওয়ার্ড। অলিম্পিক্সে ভারতীয় পুরুষ হকি দলের ব্রোঞ্জ পদক জয়ের পরের দিনই মোদির এই সিদ্ধান্ত প্রশংসা কুড়িয়েছে দেশব্যাপী বলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে খবরে প্রকাশ।
ট্য়ুইটে প্রধামন্ত্রী লেখেন, 'দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর সাধারণ মানুষের চিঠি পেয়েছিলাম। খেলরত্ন পুরস্কার মেজর ধ্যানচাঁদের নামে উৎসর্গ করার জন্য। তাঁদের আবেগের সম্মান দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এখন থেকে এই পুরস্কারের নামকরণ করা হল মেজর ধ্যাচাঁদ খেলরত্ন অ্যাওয়ার্ড নামে। জয় হিন্দ।'
জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয় এই খেলরত্ন পুরষ্কার যখন খেলোয়াড়ের নামে করা হল তখন নরেন্দ্র মোদী আর অরুন জেটলির নামে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করা উচিত। কংগ্রেস মুখপাত্র রনদীপ সুরজওয়ালা বলেন আসলে এইসব করে দেশের মধ্যে কৃষিবিল, পেগাসাস, পেট্রপণ্যের মুল্যবৃদ্ধির জ্বলন্ত ইস্যুগুলো থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। রাজীব গান্ধী দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন আর ধ্যানচাঁদ দেশের সম্মান এনেছেন।
হকির জাদুকর বলা হয় ধ্যানচাঁদকে। ইতিমধ্যেই তাঁর জন্মদিন ২৯ অগাস্ট সারা দেশব্যাপী জাতীয় ক্রীড়া দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই দিনটিতেই অর্জুন ও দ্রোণাচার্য পুরস্কারও দেওয়া হয়। নিজের কেরিয়ারে অসামান্য পারফর্মার ছিলেন ধ্যানচাঁদ। ১৯২৮, ১৯৩২ ও ১৯৩৬ টানা তিনটে অলিম্পিক্সে ভারতকে হকিতে সোনা এনে দিয়েছিলেন ধ্যানচাঁদ। এমনকী নিজের শেষ অলিম্পিক্সে মোট ১৩টি গোল করেছিলেন ধ্যানচাঁদ।
এদিকে কংগ্রেসের সাংসদ প্রাক্তন অলিম্পিয়ান কৃষ্ণ পুনিয়া সমালোচনা করে বলেন মেজর ধ্যানচাঁদের নামে অনেক পুরষ্কার আছে, কেন্দ্রীয় সরকার এইসব করে খেলাধুলার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসতে চাইছে।
কারোর নাম সরিয়ে সেখানে আর একজন প্রয়াত বিখ্যাত মানুষের নাম দেওয়া হলে উভয় মানুষকেই অপমানিত করা হয়। এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে শিবসেনা।
কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং দাবী করেন এখুনি সর্দার প্যাটেলের নামের স্টেডিয়াম বদলে মোদী নামে হয়েছে। সেটাও যেন বদলে দেওয়া হয়।
We hate spam as much as you do