চন্দ্রযান-৩ এর প্রস্তুতি শুরু- এই বিষয়ে ইসরো কর্তা এস সোমনাথ সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, চন্দ্রযান-৩ এর প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার আরও বেশি অত্যাধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর হবে বলে জানিয়েছেন এস সোমনাথ। শুধু তাই নয়, অত্যাধুনিক চন্দ্র রোভারকে নিয়ে এবার চাঁদের উদ্দেশ্যে উড়ে যাবে চন্দ্রযান-৩।
২০২৩-এ ঐতিহাসিক চন্দ্রযান-৩! মহাকাশে আর এক বিপ্লব ঘটাতে চলেছে ISRO
Sat, Oct 22,
ফের মহাকাশে আরও এক বিপ্লব ঘটাতে চলেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকেই ফের চন্দ্রাভিজান করতে মিশনে নামতে চলেছে। আর তা নিয়ে কাজও শুরু করে দিয়েছে ইসরো। চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছানোর পাশাপাশি খোঁজ চালাবে মহাকাশ সংস্থা। ফলে সবদিক থেকে ইসরো'র এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ।
জানা যাচ্ছে, মহাকাশ সংস্থা দেশের প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান 'গগনযান'-এর জন্য 'এবর্ট মিশন'-এর প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে।
চন্দ্রযান-৩ এর প্রস্তুতি শুরু- এই বিষয়ে ইসরো কর্তা এস সোমনাথ সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, চন্দ্রযান-৩ এর প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার আরও বেশি অত্যাধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর হবে বলে জানিয়েছেন এস সোমনাথ। শুধু তাই নয়, অত্যাধুনিক চন্দ্র রোভারকে নিয়ে এবার চাঁদের উদ্দেশ্যে উড়ে যাবে চন্দ্রযান-৩। GSLV Mk-III জুন মাসে লঞ্চ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী ২০২৪ সালে মহাকাশচারীদের কক্ষপথে পাঠানোর জন্যে ইসরো কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন ইসরো। এছাড়াও গগনযান মিশনেও কীভাবে ইসরো কাজ করছে সেই সংক্রান্ত তথ্যও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন ইসরো কর্তা।
গত বছর অসফল হয়েছিল মিশন
বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৯ সালে মিশন চন্দ্রযান-২ সফল হয়নি। ল্যান্ডার 'বিক্রম' চন্দ্রপৃষ্ঠে ভেঙে পড়ে। ফলে প্রথম যান চাঁদে নামাতে পারিনি তাঁরা। আর এরপরেই ইসরোর তরফে মিশন ব্যর্থ বলে জানানো হয়েছিল। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেন, তৈরি করা সি-৩ কখনই সি-২ এর মতো নয়। এই যানের সমস্ত বিষয় আলাদা বলে জানান তিনি। নয়া সি-৩-কে খুবই আধুনিক ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এমনকি মজবুত বলেও জানানো হয়েছে। সোমনাথ জানাচ্ছে, নয়া এই যানে যদি একটা কোনও অংশ খারাপ হয়ে যায় সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি কাজ শুরু করে দেবে। ফলে চন্দ্রযান-৩ সফল হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রথমের থেকে অনেক বেশি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন গবেষকরা। এস সোমনাথ জানিয়েছেন, রোভারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। রয়েছে আধুনিক সফটওয়্যার। হঠাত কোথাও বিপদ ধরা পড়লে তা রোভারকে সাবধান করে দিতে সক্ষম। এমনকি উচ্চতা সহ অন্যান্য বিষয়গুলিও সহজেই ধরে ফেলতে পারবে বলেও দাবি ইসরোর। গগনায়ন নিয়ে আরও বিস্তারিত জানাতে গিয়ে এস সোমনাথ বলেন, মানুষকে কক্ষপথে নিয়ে যাওয়ার আগে একাধিকবার অবশ্য পরীক্ষা করা হবে।
একসঙ্গে ৩৬টি ওয়ানওয়েব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, বাণিজ্যিক অভিযানে নজিরের অপেক্ষায় ইসরো। ভারতের প্রথম মঙ্গলযানের যাত্রা শেষ! এক দশকের পথ চলা থেমে গেল নিঃশব্দেই
We hate spam as much as you do