Tranding

09:36 PM - 22 Mar 2026

Home / National / বিজেপি সাংসদের কুৎসিত ভাষনের বিরুদ্ধে অধীর চৌধুরীর তীব্র কটাক্ষ

বিজেপি সাংসদের কুৎসিত ভাষনের বিরুদ্ধে অধীর চৌধুরীর তীব্র কটাক্ষ

লোকসভার বিশেষ অধিবেশনের শেষ দিনে বিএসপি সাংসদের বিরুদ্ধে চরম অশালীন মন্তব্য করতে শোনা যায় বিজেপি সাংসদ বিধুরীকে ৷ যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী সাংসদরা ৷ একই সঙ্গে, বিধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠিও দিয়েছেন বিরোধী সাংসদরা ৷

বিজেপি সাংসদের কুৎসিত ভাষনের বিরুদ্ধে অধীর চৌধুরীর তীব্র কটাক্ষ

বিজেপি সাংসদের কুৎসিত ভাষনের বিরুদ্ধে অধীর চৌধুরীর তীব্র কটাক্ষ

 Sep 24, 2023

 সংসদের বিশেষ অধিবেশনের শেষ দিনে বিএসপি সাংসদ দানিশ আলির বিরুদ্ধে বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরীর করা মন্তব্যের বিরুদ্ধে নিন্দায় সরব লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী। শনিবার শিলিগুড়ির এক বেসরকারি হোটেলে কংগ্রেসের তরফে আইনজীবীদের নিয়ে একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরী প্রসঙ্গ টেনে বিজেপিকে একহাত নেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।


লোকসভার বিশেষ অধিবেশনের শেষ দিনে বিএসপি সাংসদের বিরুদ্ধে চরম অশালীন মন্তব্য করতে শোনা যায় বিজেপি সাংসদ বিধুরীকে ৷ যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী সাংসদরা ৷ একই সঙ্গে, বিধুরীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠিও দিয়েছেন বিরোধী সাংসদরা ৷
চন্দ্রযান ৩ এর সাফল্য নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন বিজেপির দক্ষিণ দিল্লির সাংসদ রমেশ বিধুরী। তাঁর বক্তব্যের মাঝেই বিএসপি সংসাদ দানিশ আলি কিছু বলতে থাকেন। শুনেই মেজাজ হারালেন বিজেপি সাংসদ। হারিয়ে ফেললেন তালজ্ঞানও। আঙুল তুলে বলতে শুরু করলেন, 'ইয়ে উগরাওয়াদি (জঙ্গি), ইয়ে আতঙ্কওয়াদি হ্যায় (সন্ত্রাসী), উগরাওয়াদি হ্যায়, ইয়ে আতঙ্কওয়াদি হ্যায়,।' এখানেই শেষ নয় তিনি আলিকে, 'মোল্লা আতঙ্কওয়াদি, কাটোয়া' বলেতেও দ্বিধা করেননি। যখন তিনি এই সব কুকথা বলছেন, সেই সময় সরাসরি চলছে সংসদের টিভির সম্প্রচার। দেশ দেখছে তাঁর এই 'ঘৃণা ভাষণ'।


বিধুরীর বক্তব্যের সময় স্পিকারের চেয়ারে ছিলেন কংগ্রেস নেতা কোডিকুনাল সুরেশ। তিনি সবাইকে বসতে বলছেন। বিধুরীকে থামতে বলছেন। থামছেন না বিধুরী। চিৎকার করে বলেই চেলেছেন, 'বাহার ফেকো ইস মোল্লাকো'। পরে সুরেশ সংসদের কার্যবিধি থেকে এই ভাষণ বাদ দিতে নির্দেশ দেন।

 এদিন অধীর চৌধুরী বলেন, "লোকসভায় যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, আর বিজেপির বাকি সাংসদরা যে বাহবা দিয়েছে, তাতে স্পষ্ট হয়ে যায় বিজেপি কতটা নিচু স্তরের রাজনীতি করে। তাদের আসল চেহারা আর উদ্দেশ্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বিজেপি আক্রমণের রাজনীতি করে।"পাশাপাশি এদিন আইন সংশোধনের নামে কেন্দ্রীয় সরকার আইনি ব্যবস্থাকে ভেঙে দিতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অধীর চৌধুরী বলেন, "যে আইন আমাদের ন্যায়, অধিকারকে সুরক্ষা করে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার খুব পরিকল্পিতভাবে সেগুলোকে লঘু করার চেষ্টা করছে। আইপিসি, সিআরপিসি-সহ অন্যান্য আইনকে নষ্ট করা হচ্ছে। আগামীতে দেশের আইন সরকার যেভাবে খুশি নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে তার একটা বাতাবরণ তৈরি করা হচ্ছে। অদ্ভুত সব নিয়ম আনা হচ্ছে সেসব আইনে। নতুন ভারতের নামে নতুন আইন আসবে সেটার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।"


এরপরই অধীর চৌধুরী নিজের দলীয় আইনজীবীদের ওই বিষয়ে জনমত গড়ে তোলার পাশাপাশি ভারতের সংবিধান ও আইন নিয়ে আগামীতে গবেষণা করারও আবেদন জানান। যাতে আগামীতে আইনি লড়াই ও লোকসভায় ওই বিষয়ে লড়াই করতে সক্ষম হওয়া যায়।

Your Opinion

We hate spam as much as you do