কিন্তু কী এই 5G পরিষেবা? এতে কী সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারী? প্রথমত ইন্টারনেট স্পিডের বিচারে 5G এর ইন্টারনেট গতি 4G নেটওয়ার্কের তুলনায় 100 গুণ বেশি। এখনও পর্যন্ত চিন ও অস্ট্রেলিয়া–সহ কয়েকটি দেশে এই পরিষেবা চালু হয়েছে। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই এই পরিষেবা নেই। যা ভারতে আগামী বছর আসতে চলেছে।
5G পরিষেবায় 4G–এর ১০০ গুণ স্পিড! ব্যাবহারের গতি অনেক বাড়ছে
সাধারণত 4G পরিষেবায় ইন্টারনেটের গতি থাকে ১০০ মএমবিপিএস। 5G পরিষেবার গতি হবে এক ধাক্কায় হবে ১০ জিবিপিএস।
আজ, ষষ্ঠীর দিনই ৫জি প্রযুক্তির সাক্ষী হল দেশ ৷ ভারতে চালু হল ৫জি পরিষেবা ৷ দিল্লির প্রগতি ময়দানে ৫জি পরিষেবা চালু হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে৷ সেই সঙ্গে ভারতে মোবাইল ফোনে আরও উচ্চ গতির ইন্টারনেটের একটি নতুন যুগ শুরু হল। ইন্ডিয়ান মোবাইল কনফারেন্স বা আইএমসি-র ষষ্ঠ সংস্করণের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ৷
আইএমসি ইভেন্টের মূল উদ্দেশ্য হল দেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে নতুন প্রযুক্তির উপস্থাপনা ও আলোচনার পথ প্রশস্থ করা ৷ ৫জি পরিষেবা ভারতে যত দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে, দেশের অর্থনীতির উপরও তার দারুণ প্রভাব পড়বে ৷ ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতে অনুমান করা হচ্ছে সাড়ে চারশো বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত চলে যাবে ৫জি সম্পর্কিত ব্যবসা ৷ বলা বাহুল্য, ৫জি-র গতি অনেক বেশি ৷
কিন্তু কী এই 5G পরিষেবা? এতে কী সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারী? প্রথমত ইন্টারনেট স্পিডের বিচারে 5G এর ইন্টারনেট গতি 4G নেটওয়ার্কের তুলনায় 100 গুণ বেশি। এখনও পর্যন্ত চিন ও অস্ট্রেলিয়া–সহ কয়েকটি দেশে এই পরিষেবা চালু হয়েছে। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই এই পরিষেবা নেই। যা ভারতে আগামী বছর আসতে চলেছে।
সাধারণত 4G পরিষেবায় ইন্টারনেটের গতি থাকে ১০০ মএমবিপিএস। 5G পরিষেবার গতি হবে এক ধাক্কায় হবে ১০ জিবিপিএস। অর্থাৎ, একটি প্রমাণ মাপের সিনেমা ডাউনলোড করতে যেখানে 4G ইন্টারনেটের সময় লাগে ৬ মিনিট, সেখানে 5G প্রযুক্তির সেই সময় লাগবে মাত্র ২০ সেকেন্ড। যা এককথায় চোখের নিমেষে বলা চলে। এখনও পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। তার অর্ধেকের কম ব্যবহারকারী নিয়েও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।
We hate spam as much as you do