Tranding

07:08 AM - 22 Mar 2026

Home / Politics / কংগ্রেসের সভায় বাধা তৃণমূল অফিসে আগুন, রানিনগর থানায় ভাঙচুর,অধীরের কটাক্ষ

কংগ্রেসের সভায় বাধা তৃণমূল অফিসে আগুন, রানিনগর থানায় ভাঙচুর,অধীরের কটাক্ষ

গতকাল রাতে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে রানিনগর। কতিপয় ব‍্যাক্তির তাণ্ডবে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল থানাও। থানায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ । আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কার্যালয়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। এই তাণ্ডবে সম্পূর্ণ অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের দিকে।

কংগ্রেসের সভায় বাধা  তৃণমূল অফিসে আগুন, রানিনগর থানায় ভাঙচুর,অধীরের কটাক্ষ

কংগ্রেসের সভায় বাধা  তৃণমূল অফিসে আগুন, রানিনগর থানায় ভাঙচুর,অধীরের কটাক্ষ


  9 Sep 2023

গতকাল মুর্শিদাবাদের রানিনগরে অধীর চৌধুরীর জনসভা ছিল। সেই সভায় কংগ্রেস সমর্থকদের আসতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর সভা শেষ হতেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। প্রতিহিংসায় তৃণমূলের একটি পার্টি অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর। পরে দুষ্কৃতীরা থানায় ঢুকেও তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ।

গতকাল রাতে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে রানিনগর। কতিপয় ব‍্যাক্তির তাণ্ডবে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল থানাও। থানায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ । আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কার্যালয়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। এই তাণ্ডবে সম্পূর্ণ অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের দিকে। 

 

পঞ্চায়েত সমিতি জয়ের পর এদিন রানিগরে বাম-কংগ্রেসের বিজয় সমাবেশ। সেই সমাবেশে যোগ দিতে বাধা দেওয়ার পালটা এই হামলা বলে অভিযোগ। সমাবেশে যোগ দিতে আসা কংগ্রেস কর্মীরা বাধার মুখে পড়েন। ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ। তার জেরেই শুধু পার্টি অফিস নয়, তাণ্ডব চলল থানাতেও। লাঠি বাঁশ নিয়ে ভাঙচুরের সঙ্গে সঙ্গে থানায় ছোঁড়া হয় আধলা ইটও।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আশপাশের থানা থেকেও পুলিশ বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা হয় পরিস্থিতি। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। অন্য়দিকে, রানিনগরের ঘটনায় কংগ্রেস কর্মীরা জড়িত একথা স্বীকার করে নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনা কাক্ষিত নয়। কংগ্রেস কর্মীরা থানায় গিয়েছিল। সেখানে হড়ো হয়েছিল যারা পুলিশের হাতে মার খেয়েছে। পুলিশের অনুসন্ধান করে দেখা দরকার কেনো তারা উত্তেজিত হল। কেনই বা থানায় হামলা চালালো। আমি বলছি না কংগ্রেস কর্মীরা যা করেছে ঠিক করেছে। তবে পুলিশের উচিত কারণ খুঁজে দেখা।


ধূপগুড়িতে বাম কংগ্রেস জোটের পরাজয় নিয়েও সাফাই দিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সাফাই, 'ওই আসন নিয়ে আমরা কখনও আশাবাদী ছিলাম না।লোকসভা নির্বাচন দেশের নিরিখে হয়। বিধানসভা, নির্বাচন, পুরসভা বা পঞ্চায়েত নির্বাচন স্থানীয় নির্বাচনগুলি আলাদ আলাদা নিরিখে হয়। ধূপগুড়িতে আমরা কখনই শক্তিশালী ছিলাম না। তাই জেতারও লক্ষ্য আমাদের ছিল না। তবে লড়াই ছাড়া কোন আসন আমরা ছাড়তে রাজি নয়,তাই প্রার্থী দিয়েছিলাম।'


এছাড়াও রাজভবনে উপাচার্যদের ধর্না নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, 'এই রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কোন আলোচনা হয়না। ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের কোন পদক্ষেপ নেই। এক ধাক্কায় বিধায়কদের ভাতা বৃদ্ধি করা হল। আর এখন শুরু হয়েছে নতুন সার্কাস। রাজ্যপাল এক সার্কাস দলের জোকার আর মুখ্যমন্ত্রী আর এক সার্কাস দলের জোকার। রাজ্যপাল বিজেপি পার্টির মুখপাত্র হিসাবে বক্তব্য দিচ্ছেন। বাংলার মানুষ সেই সার্কাস দেখছেন।'

Your Opinion

We hate spam as much as you do