মঙ্গলবার সকালেই দলের প্রতি নিজের ক্ষোভের কারণ ব্যক্ত করে তৃণমূল ছাড়েন বিপ্লব। সংবাদ মাধ্যমে জানান, “আমি তৃণমূলের কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সংস্পর্শ ত্যাগ করছি। তার পিছনে কারণ রয়েছে। দলে এক বছর ধরে কোনও গুরুত্ব নেই। আমাকে কোনও মিটিং-মিছিলে ডাকা হয় না। মনে হচ্ছে দলে আমি বোঝা হয়ে গিয়েছে।”
সকালে তৃণমূল ত্যাগ বিকেলে বিজেপিতে কেষ্ট অনুগামী নেতা, জেলাপরিষদ সদস্যের
27 Dec 2022
আবার তৃণমূল -বিজেপি ঘরবদল। এবার গরুপাচারে অভিযুক্ত অনুব্রতর ঘনিষ্ঠ নেতি বিজেপি-তে যোগ দিলেন। তিনি বীরভূম তৃণমূলের প্রাক্তন সহ-সভাপতি বিপ্লব ওঝা। আজ নলহাটিতে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভায় যোগ দিলেন তিনি।
মঙ্গলবার সকালেই দলের প্রতি নিজের ক্ষোভের কারণ ব্যক্ত করে তৃণমূল ছাড়েন বিপ্লব। সংবাদ মাধ্যমে জানান, “আমি তৃণমূলের কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সংস্পর্শ ত্যাগ করছি। তার পিছনে কারণ রয়েছে। দলে এক বছর ধরে কোনও গুরুত্ব নেই। আমাকে কোনও মিটিং-মিছিলে ডাকা হয় না। মনে হচ্ছে দলে আমি বোঝা হয়ে গিয়েছে।” সেই সময় থেকেই জল্পনা বাড়ে তাহলে কি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন তিনি? যদিও, সকালে স্পষ্টভাবে কিছুই জানাননি তিনি। তবে আলোচনা চলছিল , আজই হয়ত শুভেন্দুর সভা থেকে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেবেন তৃণমূল নেতা।
তাই সত্যি হল বিকেলে। নলহাটিতে বিরোধী দলনেতার সভায় উপস্থিত হতে দেখা যায় তাঁকে। এ দিন বিরোধী দলনেতার পাশের চেয়ারে বসতে দেখা যায় বিপ্লব ওঝাকে। তাঁর হাতে ফুলের তোড়াও তুলে দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান শুভেন্দু। এরপরই স্পষ্ট হয়ে যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে তাঁর যোগদানের ছবিটি।
একসময় বীরভূম জেলা কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি ছিলেন বিপ্লব ওঝা। এরপর ২০০৭ সালে নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন তিনি। ২০০৯ বীরভূম লোকসভায় তৃণমূলের টিকিটে সাংসদ শতাব্দী রায় জেতার পরেই ওই সালে প্রথম সমস্ত কাউন্সিলর নিয়ে তৃণমূল যোগদান করেন বিপ্লব ওঝা। গোটা রাজ্যের মধ্যে সেই সময় একমাত্র নলহাটি পুরসভা তৃণমূলের প্রথম দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে তাঁকেই নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। এরপর নলহাটি বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী করা হয়েছিল বিপ্লববাবুকে। কিন্তু বামফ্রন্টের কাছে পরাজিত হন তিনি।
পরবর্তীকালে তৃণমূলের টিকিটে জেলা পরিষদের সদস্য হন। কিন্তু তাঁকে কোনও পদে রাখা হয়নি। এরপর বছরখানেক ধরে দলে ব্রাত্য করে রাখা হয় বলে আজ তৃণমূলের এই প্রাক্তন নেতা নিজেই জানান। সেই আক্ষেপ থেকেই দলত্যাগ করলেন বলে দাবি তাঁর।
We hate spam as much as you do