বামফ্রন্ট- ৯৯ /১৪০ বিজেপি -০/১৪০ , ইউডিএফ - ৪১/১৪০
কেরলে লাল দূর্গ আরও শক্তিশালী ,এবার করোনা মোকাবিলায় মনোনিবেশ
বামফ্রন্ট- ৯৯ /১৪০ বিজেপি -০/১৪০ , ইউডিএফ - ৪১/১৪০
কেরলের জন্য উপযুক্ত নয় বিজেপি’, নির্বাচনে জয়ের পরই সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের বক্তব্য। বিজেপি শূন্য হলেও বিজয়নের আক্রমণ সবচেয়ে বেশি বিজেপির বিরুদ্ধে ।
ইউডিএফের পরাজয় নিয়ে বিজয়ন বলেন, "রাহুল গান্ধী জাতীয় স্তরের নেতা হতে পারেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের বামের বিকল্প হিসাবে তাঁকে দেখতে চান না। অনেকগুলিই বিজেপি শাসিত রাজ্য রয়েছে, ওনার উচিত সেখানে গিয়ে প্রচার চালানো। তার বদলে উনি কেবল কেরলেই মনোনিবেশ করলেন "
৪০ বছরে ইতিহাস তৈরি করলেন তিনি। প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে সরকার বদলের নীতি আটকে দিয়ে টানা দ্বিতীয়বাারের জন্য কেরলের মসনদে বসতে চলেছেন পিনারাই বিজয়ন। জয় ঘোষণার পরই তবে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউডিএফ নয়ং, বরং কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিরই সমালোচনা করলেন তিনি।
২০১৬ সালে ৯১টি আসনে জয়ী হয়েছিল এলডিএফ, এ বার বেড়েছে আসন সংখ্যাও। ১৪০টি আসনের মধ্যে ৯৯টি আসনে জয়ী হয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে ইউডিএফ ৪১ টি আসন পেল। বিজেপি শূন্য ।
বিজেপির প্রধান তুরুপের তাস মেট্রো ম্যান ই শ্রীধরন, যাকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করেছিল বিজেপি, তিনিও ভোটে হেরে যান। বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে সুরেন্দ্রনও জয়ের মুখ দেখতে পাননি। অন্যদিকে, রাহুল গান্ধীর লাগাতার প্রচারের পরও ইউডিএফের পরাজয় নিয়ে বিজয়ন বলেন, “রাহুল গান্ধী জাতীয় স্তরের নেতা হতে পারেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের বামের বিকল্প হিসাবে তাঁকে দেখতে চান না।
জয়ের কারণ হিসাবে তিনি জানান, বিগত পাঁচ বছরে এলডিএফ সরকারের কাজে খুশি সাধারণ মানুষ। তাদের উন্নয়নে একাধিক কাজ করা হয়েছে।
নির্বাচন মিটতেই এ বার করোনা সংক্রমণ রোখার পদ্ধতিতে মন দিতে চান, এমনটাই জানিয়েছেন পিনারাই। তিনি বলেন, “লকডাউনের মতোই কড়া বিধি নিষেধ আরোপ করা হবে। উৎপাদন ও নির্মাণকার্যকে বাদ দিয়ে কীভাবে বাকি জায়গায় বিধি নিষেধ আরোপ করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।”
কেরালারবামফ্রন্টের জয়োল্লাস - ছবি দেশাভিমানির সৌজন্যে
We hate spam as much as you do