দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের হুঁশিয়ারি, ‘‘দক্ষিণবঙ্গে বিজেপি নেই। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে বিজেপি বাজারে নেই বলে তারা চুপ করে বসে থাকবে, তা হলে তারা ভুল ভাবছে! মানুষ এ বার পাড়ায় পাড়ায় তৃণমূলের ছোট মস্তানদের বুঝে নেবেন, পুলিশ বা কমিশনের অপেক্ষা করবেন না!’’
"সুষ্ঠু ভোটের জন্য কমিশনকে কাজ করতে হবে " সিইওর কাছে সিপিএম নেতৃত্ব
৩১ মে ২০২৪
সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ভাবে হয় এবং কমিশন যাতে কার্যকর ভূমিকা নেয়, তার জন্য নির্বাচন কমিশনের উপরে চাপ বাড়াল বিরোধী দল সিপিএম । মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) কাছে অভিযোগ জানাতে গেলেও তিনি প্রথমে দেখা না করায় বৃহস্পতিবার তাঁর দফতরের বাইরে বেশ কিছু ক্ষণ অবস্থান করলেন সিপিএম নেতারা। সন্ধ্যায় অভিযোগপত্রের তালিকা নিয়ে গিয়ে ষষ্ঠ দফার ভোটের পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সে জন্য কমিশনকে সতর্ক করে এলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবীন দেব, শমীক লাহিড়ী, দলের রাজ্য কমিটির সদস্য সুখেন্দু পানিগ্রাহীরা এ দিন কমিশনে গিয়েছিলেন। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শমীকের অভিযোগ, ‘‘আমাদের কোনও অভিযোগের জবাব দিতে পারেননি সিইও। ফোন করলে ফোন ধরছেন না, মেসেজ করলে উত্তর দিচ্ছেন না। তৃণমূলের ইশারায় চলছে কমিশন!” পঞ্চায়েতের মতো এ বারেও গণনা-কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘ভোট লুট’ করার সুযোগ দিচ্ছে কমিশন, এমন অভিযোগও করেছেন শমীকেরা। নিষেধ সত্ত্বেও যাদবপুর কেন্দ্রের টালিগঞ্জ বিধানসভায় গণনার কাজে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের ‘প্রমাণ’-ও এ দিন সিইও-কে দিয়েছে সিপিএম। এ সবের প্রেক্ষিতে দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের হুঁশিয়ারি, ‘‘দক্ষিণবঙ্গে বিজেপি নেই। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে বিজেপি বাজারে নেই বলে তারা চুপ করে বসে থাকবে, তা হলে তারা ভুল ভাবছে! মানুষ এ বার পাড়ায় পাড়ায় তৃণমূলের ছোট মস্তানদের বুঝে নেবেন, পুলিশ বা কমিশনের অপেক্ষা করবেন না!’’
কালীঘাট, পাটুলি থানার ওসি-দের সরানোর দাবি জানানো হলেও, কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সে প্রশ্নও তুলেছে সিপিএম। এই সূত্রেই কালীঘাটে একাধিক বার দলীয় কর্মসূচিতে তাঁরা যে ‘বাধার’ মুখে পড়েছিলেন, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রবীনের অভিযোগ, “নির্বাচনে সবার সমান সুযোগ পাওয়ার কথা। কিন্তু এখানে পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে। দাবি সত্ত্বেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”
We hate spam as much as you do