এই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে সাধারন মানুষের নামে যারা কুম্ভমেলায় যাননি । শুধু তাই নয় ওই সংস্থা নাকি একটা কিট থেকে ৭০০ জনের করোনা পরীক্ষা করেছে । আবার নমুনা সংগ্রহের জন্য যারা কাজ করেছেন বলে বলা হচ্ছে তারা বেশিরভাগ সরকার স্বীকৃত স্বাস্থ্য কর্মী নন ।
১ লক্ষ ভুয়ো কোভিড টেস্ট, একই কিটে বহু মানুষের পরীক্ষা! কুম্ভমেলায় ভয়ঙ্কর দুর্নীতির অভিযোগ
অতিমারির সময় ১লা এপ্রিল থেকে ৩০শে এপ্রিল উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার , দেরাদুন , তেহরি জেলা জুড়ে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এসে পড়েন পুন্যের জন্য কুম্ভমেলায় স্নান করবেন বলে । রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয় । দুনিয়ার বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা কুম্ভমেলাকে সুপার স্প্রেডার ইভেন্ট বলে দেন । WHO নাম না করে এই জনসমাগমকে ভারতে করোনা দ্বিতীয় সুপার স্প্রেড এর জন্য দায়ী করে ।
তখন বলা হয়েছি্ল এখানে নাকি সব টেস্ট হয়েছে । সেখানেই এবার মারাত্বক বেনিয়মের অভিযোগ । সুত্র বলছে এক বেসরকারি সংস্থা এক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে । এই বিষয়ে অভিযোগ আশায় হরিদ্বার জেলা প্রশাসন তদন্ত শুরু করায় দেখা যাচ্ছে ওই বেসরকারি ল্যাব কুম্ভমেলায় অন্তত ১ লক্ষ মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে । এই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে সাধারন মানুষের নামে যারা কুম্ভমেলায় যাননি । শুধু তাই নয় ওই সংস্থা নাকি একটা কিট থেকে ৭০০ জনের করোনা পরীক্ষা করেছে । আবার নমুনা সংগ্রহের জন্য যারা কাজ করেছেন বলে বলা হচ্ছে তারা বেশিরভাগ সরকার স্বীকৃত স্বাস্থ্য কর্মী নন । তারা সব ডেটা এন্ত্রি অপারেটর অথবা কলেজ ছাত্র । অভিযোগ এসেছে ওই সংস্থা একই মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রায় ৫০ জন করে মানুষের নাম রেজিস্তার করেছে । পাঞ্জাবের এক ব্যাক্তির মোবাইলে করোনা নিয়ে মেসেজ আসে । তিনি বলেন তিনি কুম্ভমেলায় যাননি এবং তার নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রশ্ন নেই । তিনি কোথাও টেস্ট করতে দেননি । তিনি আইসিএমআর কে অভিযোগ করেন । তার বক্তব্য তার আধার এবং মোবাইল নম্বর নিয়ে কেউ ভুয়ো রিপোর্ট তৈরি করেছে ।
এই ভয়ঙ্কর দুর্নীতির খবরে সবাই হতবাক । উত্তরাখণ্ডের সরকার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে । কুম্ভমেলার সময় সরকারের পক্ষ থেকে ৫০০০০ করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। সেই উপলক্ষে মোট ১৪ টি সরকারি , ১০ টি বেসরকারি ল্যাবকে দায়িত্ব দেওয়া হয় । এই ১০ টি ল্যাবে ১ মাস ধরে আড়াই লক্ষেরও বেশি করোনা টেস্ট করা হ্য। এর মধ্যে যদি এত ভুয়া রিপোর্ট থাকে তাহলে তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ ।
We hate spam as much as you do