পিতৃতন্ত্রবাদ-ব্রাক্ষণ্যবাদ থেকে আসে এই বস্তাপচা মানসিকতা', মমতার প্রতি কুৎসিত ভাষা প্র্য়োগে , দিলীপের তীব্র প্রতিবাদ বালির বাম প্রার্থী দীপ্সিতা ধর।
মমতার প্রতি দিলীপের কুকথায় দীপ্সীতার প্রতিবাদ।
পিতৃতন্ত্রবাদ-ব্রাক্ষণ্যবাদ থেকে আসে এই বস্তাপচা মানসিকতা', মমতার প্রতি কুৎসিত ভাষা প্র্য়োগে , দিলীপের তীব্র প্রতিবাদ বালির বাম প্রার্থী দীপ্সিতা ধর।
রাজনীতিকে কেউ শত্রু নন। বিরোধী দল প্রতিপক্ষ। এটাই গনতন্ত্রের সৌন্দর্য । হবে যুক্তির লড়াই। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ভোটের আগে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ যেন প্রতিদিন অভ্যেস হয়ে দাঁড়িয়েছে । তৃণমূল, বিজেপি উভয়েরই ছোট বড় নেতারা আকথা কুকথা বলেই যাচ্ছেন। বিপরীতে বামপন্থীদের এক ঝাঁক তরুণ প্রার্থী । তাদের কাছ থেকে শালীনতার সীমা অতিক্রমের খবর নেই। বরং তারা শিখিয়ে দিতে পারেন কি রকম ভাষা শব্দ ব্যবহার করে কথা বলতে হয়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'অশালীন' ভাষায় আক্রমণ করেছেন দিলীপ ঘোষ। ২৩ মার্চ জনসভায় দিলীপের মন্তব্যে বিতর্ক হয়। প্রতিবাদে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। 'এই বিকৃতমনস্ক হনুমানরা বাংলা জয়ের কথা ভাবছে?' পাল্টা তৃণমূল। দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, "প্লাস্টার কাটা হয়ে গেল। ক্রেপ ব্যান্ডেজ বাঁধা হয়ে গেছে। আর পা তুলে তুলে সবাইকে দেখাচ্ছেন। শাড়ি পরে আছেন অথচ একটা পা ঢাকা, আর একটা পা খোলা। এরকম শাড়ি পরতে দেখিনি। যদি পা টা বার করেই রাখেন শাড়ি কেন বারমুডা পরতে পারেন। তাহলে পরিষ্কার দেখা যায়। কত নাটক দেখব আর?"
এই নিয়ে বালির সিপিএম প্রার্থী জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেত্রী দীপ্সিতা ধর বলেন, "এই বস্তাপচা মানসিকতা পিতৃতন্ত্রবাদ, ব্রাক্ষণ্যবাদ থেকে আসে। এই ধরনের লোকজনই বিশ্বাস করেন মহিলাদের জন্ম হয় শুধু বিয়ে দিয়ে তাদের অন্যের বাড়িতে পাঠানোর জন্য। মহিলাদের জন্ম হয় যাতে তারা পুরুষ মানুষের দাসী, পুরুষের সেবা করতে পারে। যে কথা দিলীপবাবু বলেছেন, সেই কথার নিন্দার কোনও ভাষা নেই। তবে একই সঙ্গে বলা উচিত পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল বিভিন্ন সময় যে মহিলাদের উপর কুরুচিকর মন্তব্য করেছে সেগুলো আমরা ভুলে যাইনি।"
নিঃসন্দেহে মানুষ শুনেছেন এই বক্তৃতার প্রতিযোগিতা । তবে ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতে পশ্চিমবঙ্গ কোনোদিন এইভাবে মূল্যবোধহীন হয় নি। এই ঝকঝকে বাম প্রার্থীরা দলের উর্ধে উঠে এর প্রতিবাদ করলে দেশের মঙ্গল । মনে করেন রাজনৈতিক মহল।
We hate spam as much as you do