আইপিএলের গভার্নিং কাউন্সিলের সঙ্গে ফ্রাঞ্চাইজি মালিকদের মিটিং চলাকালীন প্রথম পছন্দ হিসেবে ভারতের নামই উঠে আসে। তবে ফ্রাঞ্চাইজি মালিকরা এও জানান যে টুর্নামেন্ট শুধু মহারাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ রাখা হোক।
কোভিড সংক্রমন নিম্নগামী হওয়ায় আইপিএল ভারতেই : বিসিসিআই
সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২২ আইপিএল ভারতেই হবে। আগেই বোর্ড সেক্রেটারি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই বছর আইপিএল এ দুটি নতুন ফ্রাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ায় তাঁরা যেকোনো মূল্যে টুর্নামেন্ট দেশের মাটিতে করতে বদ্ধপরিকর। এদিন বিসিসিআইয়ের একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিক আকারে ইঙ্গিতে বোঝালেন বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বোর্ড ভারতে টুর্নামেন্ট আয়োজিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
সেই আধিকারিককে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে বিকল্প হিসেবে ভেবে রাখা সংযুক্ত আরবআমিরশাহী বা দক্ষিণ আফ্রিকায় টুর্নামেন্ট হওয়ার কোনও সম্ভাবনা আছে কিনা, তিনি জানান যে : "টুর্নামেন্ট ভারতেই হবে"।
কোভিড সংক্রমন হ্রাস পাওয়ায় বিভিন্ন রাজ্য স্কুল - কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে বিসিসিআই আশাবাদী যে ভারতেই আইআইপিএল সম্পন্ন করা যাবে করা যাবে যদি না কোভিড পরিস্থিতি খুব বেশী খারাপ হয়ে যায়।
গত দুই বছর টুর্নামেন্ট সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আয়োজন করা হয়েছিল। এইখানে উল্লেখযোগ্য যে ২০২১ আইপিএল ভারতেই শুরু হয়েছিল। প্রায় ২৯ টি ম্যাচ দেশের মাটিতেই আয়োজন করা হয়। কিন্তু তারপর এপ্রিল - মে, এই দুই মাসে করোনা সংক্রমন অত্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় টুর্নামেন্ট সেই সংযুক্ত আরবআমিরশাহীতে স্থানান্তারিত করা হয়। কিন্তু বিসিসিআই আশাবাদী যে এইবছর সেইরকম কিছু ঘটবে না। কারণ 'তাঁদের মতে' : "বেশিরভাগ মানুষই দ্বিতীয় ডোজ পেয়ে গেছেন এবং ওমিক্রন ভ্যারিয়ান্টটি ক্রমশ শক্তি হারাচ্ছে। এবং তা ছাড়া ১৫ - ১৮ বছর বয়সী ছেলে - মেয়েদের ভ্যাকসিনেশনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।
আইপিএলের গভার্নিং কাউন্সিলের সঙ্গে ফ্রাঞ্চাইজি মালিকদের মিটিং চলাকালীন প্রথম পছন্দ হিসেবে ভারতের নামই উঠে আসে। তবে ফ্রাঞ্চাইজি মালিকরা এও জানান যে টুর্নামেন্ট শুধু মহারাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ রাখা হোক।
এই বছর আইপিএল এ লখনৌ ও আহমেদাবাদ, দুটি ফ্রাঞ্চাইজি যুক্ত হয়েছে। টুর্নামেন্টে মোট ৭৪ টি ম্যাচ হবে। তবে শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রেই সব ম্যাচ করা হবে কিনা, নাকি সাধারণত সব টিমই যেরকম তাঁদের হোম গ্রাউন্ডে খেলে থাকে, সেইরকম হবে, এই নিয়ে বিসিসিআই দ্বিধাভক্ত। তবে দর্শকশূন্য ময়দানে আর খেলা নাও হতে পারে। আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলিতে দর্শক ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। যেমন গতকালই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ইডেনে মোট ৭৫ % দর্শক ঢুকতে পারবেন। ফাইনাল অকশন হবে ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারী, বেঙ্গালুরুতে। তারপরেই আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়ে যাবে।
We hate spam as much as you do